(হযরত আলী রা এর নামায এর গুরুত্তে নবীজী ডুবন্ত সূর্যকে পুনরায় উদয় করেন ।)লিন্কঃ একদিন নুর নবী হযরত মোহাম্মাদ সাঁ হযরত আলী রা আনহুম কে সঙ্গে নিয়ে সফরে বেড়িয়েছিলেন । পথিমধ্য এক বৃক্ষের নিচে উভয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন । সময়টা আছরের ওয়াক্ত । নবীজী আলী রা এর উরুর মাঝে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন । এদিকে আসরের সূর্য প্রায় ডুবে ডুবে । হজরত আলী আসরের নামায
না পড়তে পারায় অনেকটা বিচলিত তার কপাল বেয়ে ঘাম ঝরতে লাগল । এক পর্যায়ে নবীজী সজাগ হলেন এবং দেখলেন আসরের সময় অতিক্রান্ত । নবীজী
হযরত আলীর দিকে তাকালেন এবং বললেন আসরের নামায পড় নাই মনে রেখ
এতক্ষন তুমি আমার খেদমতে নিয়োজিত ছিলে এজন্য আল্লাহ তোমাকে আখেরাতে অনেক পুরস্কার দেবে ।
হযরত আলী রা তবুও মাথা নিচু করে রইলেন , নবীজী ডুবন্ত সূর্যকে শাহাদৎ অঙ্গুলি দ্বারা ইশারা করলেন । দুবন্ত সূর্য আবার উদয় হল , হযরত আলী রা আসরের নামায আদায় করে নিলে সূর্য আবার ডুবে গেল ।
আল হাদিস ।
@Masud Vai ভাই এই হাদীস কোথা থেকে পেলেন রেফারেন্স আমার মনে হচ্ছে হাদীসটি জাল আল্লাহ ছাড়া কেউ এমন ক্ষমতা রাখে না আবার চেক করুন। সবাই সাবধান!~!
১়নবী(সা) নুরের তৈরি নয় কেউ এই আকিদা রাখলে তা কুফরি,
২়নবী(সা) একবারই চন্দ্র দ্বিখন্ডিত করেছিলেন তাও আল্লাহর আদেশে একাই নয়,আর সূর্য আগিয়ে আনলে তা সবাই জানত এটা তো 'লালসালু'র কিসসার মত,
৩়আপনাদের মন কি বলে ফরজ সালাত আদায় করা বুদ্ধিমানের কাজ না সালাতের সময় নষ্ট করে নবী(সা) কে সেবা করে নবী(সা)সহ নিজের সালাত কাজা করা বুদ্ধিমানের কাজ।আলী (রা) বোকা ছিলেন নাকি,
৪়রেফারেন্স দেয় নাই তালে তাহকীক দেখে সিওর হওয়া যেত যে জাল,
৫়নবী(সা)র নামের সাথে (সা) যোগ করে নাই যা কাফের রা করে।
৬়নবী(সা) এর দাঁত যে ওহুদের যুদ্ধে ভাঙ্গল তখন তালে জোরা লাগালেন না কেন যদি নবী(সা) নিজেই সব করতে পারেন আল্লাহর সাহায্য ব্যাতীত।
ব্লগের অথোর কে জানাই যে মানুষ রেফারেন্স ছাড়া পোষ্ট করবে তাকে ব্লগ করতে।
(এগুলোর রেফারেন্স দেখেনঃ
আরওঃ
আরওঃ
)
new আমরা জয়ী হয়েছি সে তার পোষ্ট ডিলিট করেছে।আলহামদুলিল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





