"বাজলো যত ঢাক ঢোল, শব্দে দু'কান অক্কা
ভেতর আসল ফাকা সবই, ফক ফকা ফক ফক্কা।"
রাষ্ট্রীয় টাকায় ইতিহাসের সর্ববৃহৎ ও অপ্রয়োজনীয় ১০৩ জন প্রতিনিধিদের (কুলাঙ্গার ইজ অ্যাভেইলাবল) নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ঢাক ঢোল ভালোই বাজিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় টাকায় দলীয়, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান ও সফর করে থাকলেও সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ, এ ক'বছর মোটামুটি দেশটা তার বাবার। কিন্তু এই সফর নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করাটা মোটামুটি সফল হয়েছে বলতে হবে।
এমডিজি পুরষ্কার এর ধুয়া তুলে দলীয়ভাবে ও পেইড মিডিয়া শুদ্ধ প্রচার হচ্ছে হাসিনা পুরষ্কার জিতেছেন। আসলে যে, ২০০০ সাল থেকে শুরু করে ২০১০ পর্যন্ত কার্যক্রমের উপর বাংলাদেশকে এ পুরষ্কার দেয়া হয়েছে, কোন ব্যক্তিবিশেষকে নয় - একথা যেন হাওয়ায় বিলুপ্ত।
তদুপরি, পুরষ্কার প্রাপ্তির সংশ্লিষ্ট বিষয়, শিশু মৃত্যুর হার কমানো যা গত ২ বছরে খুবই কম সফল।
এই সফরে সফলতার সাথেই সে দেশী এয়ারপোর্টে বাংলাদেশের মান ইজ্জত ডোবানো থেকে শুরু করে হোটেল রুমে মাতলামী ও নারী কেলেঙ্কারী করে সরকারী কুলাঙ্গাররা বাংলাদেশের নামকে আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাত করেছে।
এমনকি সেই কুলাঙ্গার এখনো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার উপ প্রেস সচিবের চাকরী বহাল তবিয়তেই করে যাচ্ছে বলে মিডিয়ায় এসছে।
আরো বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত একটা লেখার লিংকু দিলাম।
এমডিজি এ্যাওয়ার্ড ও প্রধানমন্ত্রীর বাংলা ভাষণ নিয়ে অপ প্রচারণা প্রসঙ্গে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


