আরাধনার পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন থাকাটাই উচিত
*****
শান্তির লক্ষ্যে ভিন্ন ভিন্ন মানবগোষ্ঠীর আরাধনার পদ্ধতিতে ভিন্নতা থাকাটাই উচিত।
একটিমাত্র রোগীকেও উপাস্য রূপে আরাধনার কেন্দ্রে রেখে সার্বিক শান্তির লক্ষ্যে যদি উপাসনা ক’রে যেতে হয়, কম বা বেশি গুরুত্বপূর্ণ কোনো ধরণের কর্মী বা উপাসককেই সরানো যায় না। সরানো যাচ্ছে না এজন্যেই যে পারস্পরিক পার্থক্য নিয়েই প্রত্যেকেই অদ্বিতীয়, প্রত্যেকেই অ-বিকল্প।
শুধু ওষুধে যেমন অসুখ সারে না, তেমনি, শুধু পথ্যে কিম্বা শুধু বৈদ্যে কিম্বা শুধু অস্ত্রচালনায় কোনো রোগীর চিকিৎসা পূর্ণতা পায় না। রোগীর যোগাযোগ ব্যবস্থায়, বিশ্রামের ব্যবস্থায়, ধোয়া-মোছাতে, ওঠানো-নামানোতে, বিভিন্ন উপকরণ উৎপাদনের বাণিজ্যের এবং সরবরাহের উপাসনায় তথা বিবিধ দায়িত্ব পালনের কাজে বিভিন্ন ধরণের কর্মজীবী তথা উপাসকের আবশ্যকতা অস্বীকার করা যায় না।
সামাজিক ধর্মাচারের আদেশে-নিষেধে, পানাহারে, বসনে-ভূষণে নিজেদের সাম্প্রদায়িক ভিন্নতা রক্ষা ক’রে ভিন্নধর্মীকে শ্রদ্ধা ক’রে যাওয়াতে কেবল শন্তিধর্মীদের আত্মরক্ষাই হয় না, বরং কোনো বিশেষ এক ধরণের ধর্মাচারে প্রাধান্য না-দেওয়াতে জাগতিক ভারসাম্য সুরক্ষিত থাকে।
গণকরণিক : আখতার২৩৯ ##### ৩০/০৮/২০১৪খ্রি:
ধর্মে পরমতসহিষ্ণুতা
আবেগতাড়িতদের বিশেষ আচরণ
ফ্যাসাদিরা কখনোই ধার্মিক নয়
সঙ্গতি রেখেই জগৎটা প্রতিক্ষণে পাল্টায়
প্রস্তাবের ঢঙে
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ভোর ৪:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




