somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আইসক্রিম ও উপলব্ধি

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৫:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একদিন আইসক্রিম খেতে গিয়ে মনে যে উপলব্ধি এলো, তার গল্প। সাথে সাথে আমার একদার বহু আকাঙ্ক্ষিত খাদ্য নিয়ে স্মৃতিচারণ।

ছোটবেলায় আইসক্রিম মানে বেবী আর ইগলু আইসক্রিম, কালেভদ্রে কুলপী! দুয়েকবার নিউমার্কেটের নভেলটি নামের দোকানে আইসক্রিম খেয়েছি, বাসায় বেড়াতে আসা কোনো আত্মীয় হয়তো ট্রিট দিতে নিয়ে গিয়েছিলেন। আইসক্রিম ছিল হালকা কমলা রঙের গোল বলের মতো, পরিবেশন করা হতো ককটেল গ্লাসের গড়ণের স্টিলের বাটিতে। চামচ দিয়ে অল্প অল্প করে সেই আইসক্রিম কেটে খাওয়ার তৃপ্তি মনে অবিস্মরণীয় হয়ে আছে।‌ সম্ভবত ঢাকার প্রথম আইসক্রিমের দোকান ছিল নভেলটি।

আমার আইসক্রিম খাবার কথা ভাবতে গিয়ে মনে পড়লো সত্যজিৎ রায়ের প্রথম আইসক্রিম খাওয়ার কথা । শৈশবের স্মৃতি কথায় সত্যজিৎ রায় বলেছেন, কলকাতায় নতুন প্রতিষ্ঠিত এক আইসক্রিমের দোকানে বালক সত্যজিৎকে কোনো এক আত্মীয় নিয়ে গিয়েছিলেন। জীবনের প্রথম আইসক্রিম খেয়ে সত্যজিৎ বলেছিলেন, "এটা একটু গরম করে দিলে ভালো হতো"। (সূত্রঃ যখন ছোট ছিলাম, সত্যজিৎ রায়।)

এখন ঢাকায় অনেক আইসক্রিমের দোকান, এগুলোতে অনেক মানুষ যান। ঢাকার মানুষের মনে হয় আইসক্রিমের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ আছে, দাম লাখ টাকা হলেও সেই আইসক্রিম খাবার জন্য সকলে ছুটে যান। কিছুদিন আগে ঢাকার এক হোটেল যখন ৯৯,৯৯৯ টাকা দামের এই আইসক্রিমের বিজ্ঞাপন দিল, তখন এতো মানুষ এটা খেতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন যে কর্তৃপক্ষ সবাইকে সরবরাহ করে কুলিয়ে উঠতে পারেন নি!! এই যে সেই লাখ টাকা দামের আইসক্রিম।



নতুন ধরণের আইসক্রিম খেতে ঢাকার মানুষ কীভাবে ভিড় করে সেটা দেখেছিলাম অনেক বছর আগে, সম্ভবত ১৯৮৪ সালে। সেটা ছিল ঢাকায় প্রথম cone আইসক্রিমের মেশিন দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করে বিক্রি। আমার হলের রুমমেট একদিন বলল, নতুন একটা জিনিস খাওয়াতে নিয়ে যাবে, যা আগে কখনো দেখিনি বা খাইনি! কী হতে পারে সেই অজানা বস্তু তাই ভাবতে ভাবতে রিকশা করে গেলাম তোপখানা রোডে, প্রেসক্লাবের উল্টো দিকের এক দোকানে। ছোট একটা দোকান, কিন্তু দোকান ভর্তি ক্রেতা। লাইনে দাঁড়ালাম দুজন। অবশেষে দেখলাম একটা নতুন জিনিস, চোখের সামনে আইসক্রিম তৈরি! কল লাগানো একটা মেশিন, সেই কলের নিচে একটা কোনাকৃতি জিনিস ধরে বোতাম টিপে দিলেই মেশিন থেকে আইসক্রিম বেরিয়ে কোন ভরে যায়! দেখে মুগ্ধ হলাম যত না, খেতে গিয়ে মুগ্ধ হলাম তার চাইতেও বেশি ...

আজকাল সকলেরই হরেক দোকানে হরেক রকম আইসক্রিম খাবার অভিজ্ঞতা আছে। তাই যারা এই পর্যন্ত পড়ে আমার ক্ষেতত্বের মাত্রা মাপছেন তাদের বলি, সেখানে আমার চাইতে ক্ষেত মানুষও ছিল। ‌একজন চটপটে তরুণী একসাথে পাঁচটা আইসক্রিম নিতে চাইলেন, বাড়ি নিয়ে যাবেন বলে। স্বল্পভাষী বিক্রেতা বললেন, "নিতে পারবেন না"! তরুণী বললেন, "অসুবিধা নাই, আপনার কৌটা আমি ফেরত দিয়ে যাব"! বিস্কুটের কোনকে তরুণী কৌটা বলে ভেবেছিলেন!!

সেই আইসক্রিম বিক্রেতার কথাও মনে আছে, সুদর্শন এবং স্বল্পভাষী তরুণ। শুনলাম বিক্রেতা ইসমাইলিয়া সম্প্রদায়ের। সেসময় ঢাকায় এই সম্প্রদায়ের বেশ কিছু মানুষ বাস করতেন, ব্যবসাই তাদের পেশা ছিল। এদের ব্যবসায়িক বুদ্ধি নিঃসন্দেহে খুব ভাল ছিল, কারণ cone আইসক্রিমের ব্যবসার সফলতা তাঁরা ঠিকঠাক আন্দাজ করতে পেরেছিলেন‌। এই নতুন আইসক্রিমের ক্রেতা এত বেশি ছিল যে, ক্রেতা সামলাতে বিক্রেতা হিমসিম খাচ্ছিলেন।

এই ব্যবসার সাফল্য দেখে কিছু দিনের অনেকেই এমন কোন আইসক্রিমের দোকান খুলে ফেললেন, ফলে মেশিনের কোন আইসক্রিম জিনিসটা ডালভাতের মতো সাধারণ হয়ে গেল!

কোনদিন যদি এদেশের আইসক্রিমের ইতিহাস লেখা হয়, তবে সেখানে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে পোলার আইসক্রিমের নাম, কারণ পোলার আইসক্রিম প্রথম আইসক্রিম যা এদেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিল (আক্ষরিক অর্থে)। এর আগে পর্যন্ত আইসক্রিম বলতে ছিল প্রধানত ইগলু আইসক্রিম, (কারণ তার আগের প্রসিদ্ধ বেবী আইসক্রিম ততদিনে বিলুপ্ত হয়ে গেছে) ইগলু আইসক্রিমের ভোক্তা ছিলেন প্রধানত উচ্চবিত্ত আর মধ্যবিত্ত মানুষেরা।‌ কিন্তু পোলার আসার পর নিম্নবিত্ত মানুষেরাও এর স্বাদ পেতে লাগলো।

পোলারের শুরু আশির দশকের শেষের দিকে। সম্ভবত ১৯৮৭ সালের শেষের দিকে, একসময় দৈনিক পত্রিকায় বেশ কয়েকদিন যাবত এই আইসক্রিমের রঙিন বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হতে লাগলো। প্রথমে কয়েক দিন "শীঘ্রই আসিতেছে" বলে বিজ্ঞাপন প্রকাশের পরের বিজ্ঞাপনে জানা গেল আসছে পোলার নামের আইসক্রিম, এর লোগো ছিল আইসক্রিম হাতে এক পেঙ্গুইন।‌ পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই অনেক দোকানে, এমনকি পাড়ার মুদি দোকানগুলোতে পর্যন্ত নতুন সাইনবোর্ড দেখা যেতে লাগলো, সেই সাইনবোর্ডে পেঙ্গুইনের ছবির পাশে লেখা ছিল "এইখানে পোলার পাওয়া যায়"। দেখা গেল এইসব মুদি দোকানেও পোলার কোম্পানি ফ্রিজ দিয়েছে আইসক্রিম রাখার জন্য। ফ্রিজের গায়ে পেঙ্গুইনের লোগো, ভিতরে থরে থরে পোলারের নানা ধরনের আইসক্রিম রাখা! এই নানা ধরণের আইসক্রিম ইগলুরও ছিল, পার্থক্য এই যে ইগলুর অধিকাংশ আইসক্রিম বিক্রি হতো সাইকেল গাড়িতে ফেরি করে।‌ শুধু বড় কিছু দোকান যেখানে ফ্রিজ ছিল, সেখানে ইগলু আইসক্রিম পাওয়া যেত কিন্তু পাড়ার মুদি দোকানে ইগলু পাওয়া যেত না। শুনেছি পোলারের ফ্রিজ দোকানে দেবার শর্ত ছিল যে সেই ফ্রিজে পোলার ছাড়া কোন আইসক্রিম রাখা যাবে না। এই ব্যবস্থার ফলে এরপর যখন তখন আইসক্রিম খেতে ইচ্ছা করলেই ইচ্ছা পূরণ সহজ হয়ে গেল, দু'পা হেঁটে মুদি দোকানে গেলেই হলো, সেইখানে পোলার পাওয়া যায়। এভাবে আইসক্রিম খাওয়ার একটা নতুন চল শুরু হলো। কিন্তু পোলার বাজার দখল করেছিল প্রধানত বাক্সে ভরা এক এবং আধা লিটারের আইসক্রিম দিয়ে। এই আইসক্রিম ছিল প্লাস্টিকের চারকোনা পাত্রে ভরা, এই জিনিসটা নতুন কারণ তখন প্লাস্টিকের পাত্র এতো সহজলভ্য ছিল না। ‌ইগলুর এক লিটার আইসক্রিম দেয়া হতো কার্ডবোর্ডের বাক্সে। তাই একই দামে পোলারের আইসক্রিম যখন প্লাস্টিকের পাত্রে পাওয়া যেতে লাগল, তখন মানুষ সেটাই কিনতে লাগলো কারণ এই পাত্র ফ্রিজে রাখা সুবিধাজনক, বহন করা সুবিধাজনক, এবং সর্বোপরি আইসক্রিম শেষ হবার পর পাত্র নানা কাজে ব্যবহার করা যায়। অল্পদিনের মধ্যেই দেখা গেল মানুষ কুটুমবাড়িতে যাবার সময় মিষ্টির বাক্সের বদলে পোলার আইসক্রিমের বাক্স নিয়ে যাচ্ছে...

ইগলুর লিটার আইসক্রিমের সাথে পোলারের আরেকটা পার্থক্য ছিল, ইগলু পাওয়া যেত শুধু ভ্যানিলা ফ্লেভারে কিন্তু পোলারের ফ্লেভার ছিল তিনটা, ভ্যানিলা চকলেট আর ম্যাংগো।

কে জানি তখন বলেছিল, কেবল মধ্যবিত্ত না, ঢাকার রিক্সাওয়ালারাও এখন আইসক্রিম খেতে পারে। কথাটা সত্যি। আমাদের মতো পরিবারে প্রায়ই এক লিটার আইসক্রিম আনা হতে লাগলো, বেশ একটা আইসক্রিম উৎসব যেন! সকলে মিলে খেয়ে বাকিটা ফ্রিজে তুলে রাখা হতো। মনে পড়ছে, একবার কোন্ পোলারের স্বাদ কেমন সেটা নিয়ে যখন বন্ধুদের আড্ডায় কথা হচ্ছিল, তখন আমি বলছিলাম আমার মায়ের পছন্দ চকলেট ফ্লেভার‌। শুনে আমার এক বন্ধু অবাক হয়ে বলেছিল, "তোমার আম্মাও আইসক্রিম খান!" শুনে মনে মনে ভেবেছিলাম, এই প্লাস্টিকের বাক্সে ভরা আইসক্রিম না আসলে হয়তো জানাতেও পারতাম না আমার মাও আইসক্রিম খেতে পছন্দ করেন!! মায়েরা কী খান, কী খেতে ইচ্ছা করে এটা কখনোই তো জানার দরকার মনে করিনি!!

অবশ্য আইসক্রিম বিক্রির কোয়ান্টিটি পোলারের বেশি হলেও, আইসক্রিমের কোয়ালিটির দিক থেকে ইগলু বেশি এগিয়ে ছিল, এখনও তাই। স্বাদে ভালো ইগলু আইসক্রিমই।

নব্বই দশকে ঢাকায় অনেক আইসক্রিমের দোকান চালু হয়েছিল, যেখানে বিভিন্ন রকম আইসক্রিম সাজানো থাকতো আর ক্রেতা তার ইচ্ছা মতো খেতে পারতো।‌ একবার সেরকম একটা আইসক্রিমের দোকানে গেছি স্বামী সন্তানসহ, দোকানে ঢুকে গভীর মনোযোগ দিয়ে আইসক্রিম দেখছি, হঠাৎ আমার স্বামী জোরে হাত ধরে টেনে দোকান থেকে বের করে আনলেন। বের হতে হতে দেখলাম, তিনজন যুবক ক্যাশ কাউন্টারের লোকটিকে ঘিরে ধরেছে, তাদের একজনের হাতে পিস্তল...

আইসক্রিম খাবার এইসব দিন পেরিয়ে অনেক বছর কেটে গেছে। গত অক্টোবর মাসের এক দুপুরে উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনে নেমেছি, দেখি একটা আইসক্রিমের গাড়ি! চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম আমাকে কেউ দেখছে না, সিমেন্ট দিয়ে বানানো একটা বসার মতো জায়গাও আছে, অতএব আইসক্রিম একটা খেতেই পারি। আমি একটা কাঠি আইসক্রিম কিনে সেই বসার জায়গায় বসলাম। আইসক্রিমে কামড় দিয়ে দেখতে লাগলাম সামনে অনেক খালি প্লট, তার মাঝে মাঝে পাতা ঝরা গাছ, ওপরে হেমন্তের নীল আকাশ, অনেকগুলো গরু চড়ে বেড়াচ্ছে, মাঝে মাঝে দুয়েকজন মানুষ হেঁটে যাচ্ছে... এই সব দেখতে দেখতে আনমনে ভাবলাম, আইসক্রিমের স্বাদ হারিয়ে গেছে। কেন হারালো... ভাবতে গিয়ে বুঝতে পারলাম, জীবন থেকে একসময় অনেক কিছু এভাবে হারিয়ে যায়। এই যেমন, আমার সামনে পড়ে থাকা রাজউকের প্লটগুলো আগে যাদের বাড়ি, ক্ষেতখামার ছিল তারা তাদের জমি হারিয়ে ফেলেছে! আমাদের মনের জমিও বদলে যায় ক্রমশ, আমাদের মনের জমিতে বসত করে যে কয়জনা তারা অনেকে হারিয়ে যায়, হঠাৎ একদিন আমরা তা আবিষ্কার করি! আমার মাঝে যে পাঠক ছিল সেই পাঠক যেমন হারিয়ে গেছে, তেমনি ভাবে আমার ভেতরের যে আইসক্রিম খাদক ছিল, সেও কবে হারিয়ে গেছে...

পৃথিবীতে আজ আর যা হবার নয়,
একদিন হয়েছে যা– তারপর হাতছাড়া হয়ে
হারায়ে ফুরায়ে গেছে– আজও তুমি তার স্বাদ লয়ে
আর-একবার তবু দাঁড়ায়েছ এসে!

(কার্তিক মাঠের চাঁদ: জীবনানন্দ দাশ)
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সকাল ৯:০৬
২৫টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সবুজের সাম্রাজ্যে হারানো অপদার্থ। (ছবিব্লগ)

লিখেছেন ৎৎৎঘূৎৎ, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:৪২

আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না কোথায় যাচ্ছি। আমি এর উত্তরে কিছু একটা বলে দিয়ে পার পেতে চাই না। আপনি অর্থহীন ভাববেন বিধায় উত্তর ও দিতে চাই না। আমি বলতে চাই না... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিপরীতের বন্ধন

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৫:৪৫

ছবি : আজকের পত্রিকা

তোমার চোখের কাজলে আঁকলাম এক দীঘি
স্বচ্ছ জল আর সাদা হাঁসের মিতালী সেখানে,
দখিনা বাতাসের খোলামেলা প্রবাহে কবিতা লিখি
তোমার ফাগুন যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাথায় গিট্টুঃ

লিখেছেন বাউন্ডেলে, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৫:৫২


বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাবিশ্বের বয়স ১৩৮০ কোটি বছর। বিগ ব্যাংয়ের মধ্য দিয়ে সে সময়েই হয়েছিল মহাবিশ্বের সূচনা। আমরা জানি, আলোর বেগই মহাবিশ্বে সর্বোচ্চ। তাহলে ৯৩০০ কোটি আলোকবর্ষ বড় মহাবিশ্ব আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দিবস পালন করা কি শিরক? বা হারাম?

লিখেছেন মৌন পাঠক, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৩৮

পড়ুন, ভাবুন, এই লেবাসধারীরা ইসলামকে যেভাবে ব্যাখ্যা করে আসলে ইসলাম সেটা কিনা?

আলোচনাঃ
“আবু ওয়াক্বিদ লাইছী (রাঃ) হতে বর্ণিত, যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হুনাইনের যুদ্ধে বের হলেন, তখন তিনি মুশরিকদের এমন একটি বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করে এই মুহুর্ত থেকে মৌলবাদীদের বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করুন।

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১১:০৭


মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শপথ হোক বাংলাদেশে মৌলবাদী গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। ছোট বেলায় পড়তাম - অ- তে অজগর- অজগর আসছে তেড়ে। আ-তে আম- আমটি আমি খাবো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×