
বই পড়াটা আপনার উন্নতির জন্য সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। একটা টাই, একটা স্যুট, একটা ব্র্যান্ডেড শার্টের চেয়ে একটা ভাল বই আপনাকে বেশি স্মার্ট করবে। বই পড়া স্বাভাবিকভাবেই মানুষকে স্মার্ট করে, বয়স কমিয়ে দেয়। বই পড়া আপনার দুঃশ্চিন্তাকেও কমিয়ে দেয়। মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু- বই। তবে যে কোনো বই পড়ার চেয়ে, খোজ খব্র নিয়ে ভালো বই পড়তে হবে।
বিভূতিভূষণের চাঁদের পাহাড় কিংবা হেমিংওয়ের ওল্ড ম্যান এ- দ্য সী পড়তে বসুন। দেখুন, আপনার দুশ্চিন্তা-দূর্ভাবনা কখন কোথা দিয়ে পালিয়ে গেছে আপনি টেরও পাবেন না। আমি প্রতিদিন যতই ব্যস্ত থাকি না কেন- কমপক্ষে এক ঘন্টা বই পড়ি। আমার বিছানার পাশে সব সময় বই থাকে। রাতে ঘুমানোর আগে কয়েক পাতা পড়ে ঘুমোই।
বিশ্বের মাদক ব্যবসায়ী ও নারী পাচারকারীর হাতে বই তুলে দিতে পারলে হয়তো পুরো চিত্রটাই পাল্টে যেতো। অনেকে বলেন, পড়ব কিভাবে, সময় পাই না! আরে ভাই, টিভি দেখার সময় থাকলে বই পড়ার সময় থাকবে না! মোবাইলে গেমস খেলার সময় আছে, ফেসবুকে পড়ে থাকার সময় আছে আর আসল বুক খুলে দেখার সময় নাই!
পড়তে পড়তে পাঠক হোন, পাঠক থেকে লেখক হোন। পড়তে পড়তে যদি এমন মনে হয় যে, পৃথিবীতে এমন বিষয়ও আছে যা নিয়ে কোন বই লেখা হয়নি, তাহলে নিজেই সেটা লিখে ফেলুন। আপনার তিনটা প্রিয় বইয়ের নাম বলুন। আমি পড়তে চাই। যে কোনো বিষয় হতে পারে। আমার প্রিয় বই এবং প্রিয় লেখকের সংখ্যা অনেক।
আমি বাংলাদেশের লেখকের বইয়ের চেয়ে কলকাতার লেখকদের বই পড়ে বেশি আরাম পাই। বর্তমানে দেশে কারা ভালো লিখছেন? তাদের নাম কি? বাংলাদেশে একজনই ওস্তাদ লেখক ছিলেন- হুমায়ূন আহমেদ। নাটক সিনেমা এবং গল্প উপন্যাসে তার সমতুল্য আর কেহ নেই। পুরো বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে এমন একজন লেখক তিনি।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


