somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মাহমুদুর রহমান
আমার নাম- মাহমুদুর রহমান।কোন কুসংস্কারে বিশ্বাস করি না।যে কোন ধরনের সন্ত্রাসবাদকে ঘৃণা করি।নিজের ধর্ম ইসলামকে খুব ভালোবাসি।ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা মানুষকে মানবিক হতে শিখায়,সহনশীল হতে শিখায়,সামাজিক হতে শিখায়।নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি।

মুসলিমের ভাবনা কেমন হওয়া উচিৎ?

১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১২:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একজন মানুষ যিনি মানুষ সম্পর্কে ঘাঁটেন এবং অন্যদের কাছে সেই মানুষের বিবরণী তুলে ধরেন তা সুন্দরভাবে তুলে ধরা উচিৎ নাকি অসুন্দরভাবে?এক সময়ের সাবানা সিনেমায় অভিনয় করতো আর আজকের সাবানা আল্লাহ তা'লার হেদায়েত প্রাপ্ত।কি বিস্তর পার্থক্য তাদের মাঝে!এখন সাবানা পর্দা ছাড়া চলতে পারেন না।এখন যদি সাবানা সম্পর্কে আপনাকে লিখতে বলা হয়।তাহলে আপনি কি লিখবেন?

আপনি তো জানেন সাবানা হচ্ছে বাংলা সিনেমার নায়িকা।আপনি তার জন্ম-বাসস্থান-কর্ম নিয়ে লিখতে শুরু করলেন।অতঃপর আপনি তার কয়েকটি হিটগান তুলে ধরলেন;হিট হিট সিনেমার নামও উল্লেখ করেছেন।যিনি সাবানা সম্পর্কে আপনার লিখা পড়বে তিনি পোষ্টে থাকা গান কিংবা সিনেমা সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করবেন।ওহ ঐটা তো খুব সুন্দর সিনেমা;আমি অনেকবার দেখেছি;সাবানাকে সুন্দরই দেখাচ্ছিলো; আরে ঐ গানটা আমার কাছে একরাশ ভালো লাগা;আমি প্রতিদিনিই শুনি।

এখন প্রশ্ন হলো এতে কি লাভ হলো?উত্তর একেকজন একেকভাবে দিলেও একজন মুসলিম হিসেবে আপনি কিন্তু বলবেন,পবিত্র ভাবনায় নাপাক কখনো স্থান পায় না।কারন হলো, এটা হারাম কাজ আর হারাম কাজে আমার কোন আগ্রহ নেই।এছাড়াও সাবানা সম্পর্কে তার যেসব ইতিহাস বৃত্তান্ত লিখা হয়েছে কিন্তু সেটা কি তার থেকে অনুমোদিত? এমনও প্রশ্ন উঠতে পারে।উত্তরে যদি না আসে তবে একজন মুসলিম হিসেবে অপর মুসলিমের গীবত করলেন আপনি।এমনও প্রশ্ন হতে পারে সাবানা কি আগের অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসেছে? যদি বেরিয়ে আসে তাহলে গানবাজনা প্রসঙ্গে তাকে টেনে আনাও বোকামী এবং অনেক বড় অপরাধ।কারন সাবানা নিজের ভুল বুঝতে সক্ষম হয়েছে এবং নিজেকে সংশোধনও করেছে। সাবানার ইতিহাস যিনি তুলে ধরেছেন তিনি কি জানেন না রাসূল(সঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির দোষ ত্রুটি গোপন রাখবে আল্লাহও তার দোষ ত্রুটি গোপন রাখবে।কাজেই সময় থাকতে নিজেকে সংশোধন করে ফেলুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১২:০০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বরাজনীতি চলে স্বার্থের হিসেবে, আমরা চলি অন্ধ আবেগে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২২


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে সহজলভ্য জিনিস হলো বিশ্লেষণ। চাল, ডাল কিংবা তেলের দাম নিয়ে যতই হাহাকার থাকুক, ভূরাজনীতি নিয়ে জ্ঞানের কোনো অভাব নেই। চায়ের দোকানে বসে যিনি নিজের বাসার গ্যাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই ভাল্লাগে না আজ তবু সময় বয়ে যায়

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০৮


কিছুই ভাল্লাগে না আজ
মানুষের মুখে মানুষেরই রক্তের গন্ধ লেগে আছে
শিশুর কান্না আকাশ ছুঁয়েও
কোনো ক্ষমতার প্রাসাদের জানালা কাঁপে না।

বাংলাদেশ জেগে থাকে
গ্যাসের অপ্রতুলতা, দ্রব্যমূল্যের দীর্ঘশ্বাস,
বেকার যুবকের অনিদ্রা,
আর প্রতিদিনের অগণিত অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির পাশে।
সংবাদপত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

লিখেছেন রাজসোহান, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০২



১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×