১. ভ্যাকেশন কাটানোর জন্য গলাকাটা ব্যবসায়ীদের পকেট ভরতে হবে না। সপরিবারে গ্রামের মনোরম পরিবেশে ছুটি কাটাতে পারবেন। পারিবারিক সম্পর্কও দৃঢ় হবে।
২. গ্রামে পরিচিতি থাকলে বিয়ের সময় পত্রিকায় পাত্র/পাত্রী চাই বিজ্ঞাপন দিতে হবে না। বিয়ের বয়স হলে দেখবেন আপনাআপনিই পরিচিতজনদের মাধ্যমে সম্বন্ধ আসছে। আর নিজ এলাকায় বিয়ে হলে যে কত সুবিধা যারা করেছে তারাই জানে।
৩. চট্টগ্রাম, বরিশাল বিভাগে যাদের বাড়ি তারা ঈদ, পূজায় ফ্রি নারিকেল পাবেন (ঢাকায় পার পিস ৫০ টাকা)। আর গরমে ডাব, তাল তো আছেই। রাজশাহী বিভাগের লোকজনের ফল কিনতে হবে না। প্রতিবেশীদেরকেও দেবেন। এতে এলাকায় সুনাম বাড়বে।
৪. বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশংকা করছেন। আর ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হবে ঢাকার। বিপর্যয়ের সময় গ্রামের বাড়িই হবে বেচে যাওয়াদের সেফ হাউজ।
৫. জমিজমা থাকলে চাকরি থেকে অবসরের পর কারো দয়ার উপর নির্ভর না করে গ্রামে সেটেল হতে পারবেন। ঢাকায় গৃহবন্দী থেকে, ছেলের বৌয়ের ঝাড়ি খেয়ে নিরানন্দ জীবনযাপন করতে হবে না।
ঢাকা শহরের বেশিরভাগ মানুষই জীবিকার তাগিদে গ্রাম থেকে এসেছেন। তাদের বড় একটা অংশ পরবর্তীতে শেকড়কে ভুলে যান। শেকড়কে ভুলে যাওয়ার মতো ভুল যেন কেউ না করে। এতে ক্ষতি ভিন্ন লাভ হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



