গতকাল একটি সংবাদ জানলাম। বাংলাদেশ জাতিসংঘের দূনর্ীতি দমন বিষয়ক সনদে স্বাক্ষর করবে বলে কেবিনেট মিটিং-এ সিদ্ধান্ত হয়। (হুররে....এ এ )
এটা অনেক আশার কথা। কিন্তু তাতে কি বাংলাদেশের দূনর্ীতি আদৌ বন্ধ হবে? সনদে স্বাক্ষর মানেই যদি সব ঠিকঠাক হতো তবে তো সব কিছুই সনদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতো। 148টি দেশ এই সনদে স্বাক্ষর করলো কিন্তু বাংলাদেশ কেন করলো না। এমন প্রশ্নের উত্তর জানা নেই আমাদের কারও।
আমরা বলছি গ্লোবালাইজেশনের কথা। তাহলে বাংলাদেশ এই বহুজাতিকতায় দূনর্ীতিকে বহুজাতিক মাত্রা দিয়েছে বলা যায়।
আমরা পিছিয়ে পড়ছি, কেন? কবে যাবে আমাদের দেশের দূনর্ীতি। কবে আমরা পাবো সুজলা, সুফলা, শস্য শ্যামলা বাংলাদেশ। শহরে থাকতে থাকতে আমরা যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি। গ্রামে যাওয়াটা খুউব জরুরী। মাটির গন্ধ, মেঠো পথ, ধান, পুকুর, পিঠা, গুড় অনেক অনেক কিছু।
দূনর্ীতি আমাদের সাথে বাসা বেধেছে। পরপর তিনবার দূনর্ীতিতে চ্যাম্পিয়ন। ভোলা জেলাও মহিলাদের ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তাহলে কি ভোলা জেলা আমাদের মতে দূনর্ীতি করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ? হতেই পারে, কিছুই বলা যায়না। সবকিছুতেই নাকি দূনর্ীতি। কথা সবাই বলে, কিন্তু সমাধান কই। ড. মোজাফফর একাই দূনর্ীতি দমন করবেন? ওনার সাথে পাছে কাওকে লাগবে না। সাংবাদিকদের বলছি আপনারা নতুন কাওকে খুজে নিন। পুরানদের আর ভালো লাগেনা। মনিরুজ্জামান মিঞা, একজন সম্মানিত ব্যক্তি তারও একই হাল। নিজেই দূনর্ীতি করতেন আর এখন দুনর্ীতি দমন কমিশনের কমিশনার। কি হচ্ছে কেউ কি বলতে পারেন? মানবাধিকার, অধিকার, সচ্ছতা, সততা এটা সেটা আরও কত কি। কিন্তু কেউ গাইড করছেনা আমাদের। জাতি হিসেবে আমরা অনেক উপরে উঠতে পারতাম, তাও পারছিনা। শিক্ষা ব্যবস্থা এমন করে রাখা হয়েছে যেখানে আমরা ঠিকমত গাইড পাইনা পড়াশানা করে আসলে আমরা কি হতে পারবো। চাকরী করলে জানি না আদৌ কোনদিন প্রোমোশন পাবো কিনা। মালিটন্যাশনাল-এ চাকরী করলে অফিস পলিটিক্স এর শিকার। হালা যামু কই। ব্যবসা করা যায় না তারেক মামুন ফালুগো অত্যাচারে। বাপে ঘুষ খায় নাই, সততা দেখাইছে। হালায় কয়না যে জানি না কিভাবে ঘুষ খাইতে হয়। মাইনক্যা চিপায় তো হালায় আমরা পরি। ঠিকমত শিক্ষা পাইনা। নিজেদের তৈরী করতে পারিনা। মাদ্রাসা পইর্যা হালায় দ্যাশের প্রেসিডেন্ট হইবার চাই। ক্যামনে হইবো, কইবেন -বাই ? চাকরীতে বেতন বাড়ে না, তাহলে দূনর্ীতি কি আমাগো মালিকরা করতাছে না? রিকসাওয়ালার চোটপাট দেখলে নিজেকে অসহায় মনে হয়। তাহলে কে দূনর্ীতিবাজ-আমি না রিক্সায়ালা। ফুটপাতে হাটতে বা বসতে গেলে মশার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। সন্ত্রাসী কে আমি না মশা ? ট্রাকের অত্যাচারে রাস্তায় রিক্সায় চলাচল করা যায় না। এই বুঝি চাপা দেয়, সন্ত্রাসী কে -রিক্সায়ালা না ট্রাকয়ালা ? চাকরীর জন্য ঘুষ লাগে, বড় হতে হলে পড়াশুনা লাগে, পড়াশুনা চালাতে টাকা লাগে, ফাইল ছাড়াতে ঘুষ লাগে , মেয়েদের সাথে প্রেম হয়না, কারণ পকেট ফাকা, সবাই মুখে বলে ভালো মনের মানুষ চাই, কিন্তু পরের লাইনটা বলে না- সাথে পকেটটাও ভারী হওয়া চাই। এতই যদি উদার হতো নারী জাতি, তাহলে কি আর দেশের এই অবস্থা হয় ? দুজনে মিলে একটা ফয়সালা করতেই পারতেন বলে আমার ধারণা। নারীর এই ছলনাময়ী অবস্থা আগেও ছিলো, ভবিষ্যতেও থাকবে। তাহলে দুণর্ীতিবাজ কে আমি না নারী , না সমগ্র জাতি। তাইতো আমরা চ্যাম্পিয়ান। কিন্তু রানার্স-আপ কে ?
আসলে যেটা করতে হবে বলে আমার মনে হয় তাহলো, সবার জায়গা থেকে সবাইকে কাজ করতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার দায়িত্ব সবার। আসুন দেশকে গড়ে তুলি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


