ঢাকার শাহজাহানপুর রেইলওয়ে কলোনীতে জিহাদ নামের একটি শিশু হারিয়ে গেছে অথবা ৬০০ ফুট একটি গভীর পাইপের নিছে পড়ে গেছে । সন্ধ্যা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার অভিযান চলছে। আমি এই বক্তব্য লেখা পর্যন্ত যমুনা টিভির লাইভ রিপোর্টটি দেখছিলাম। স্বরাষ্ট্রমণ্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্য এবং একটা পর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসের ডিজির বক্তব্য অনুযায়ী এই গর্তে কোন শিশুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তাহলে কথিত জুসটি কে খেল? কে নিচ থেকে উঠার জন্যে রশিটি টেনে ধরেছিল? অথবা কার- আব্বু বাঁচাও, আম্মু বাঁচাও শব্দ শুনেছে বলে প্রতিবেশিরা দৃঢ়তার সাথে বক্তব্য দিচ্ছিল? তবে কি ধরে নিব, 'চিলে কান নিয়ে গেল বলে কান না দেখে চিলের পেছনে দৌড়ানোর' মত কোন গল্প এটি?
উল্লেখ্য গত বুধবারেও নাকি ৬০০ ফুট পাইপের গভীর এই গর্তে আরেকটি শিশু পড়ে যেয়েও বেঁচে গিয়েছিল। পাড়া প্রতিবেশির বক্তব্য মোতাবেক এই পাইপের মুখটি শুধুমাত্র একটি কাপড় দ্বারা আবৃত ছিল এবং তারা তখনি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধও জানিয়ে ছিল যেন এটা শক্ত কিছু দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়।
এই জিহাদ শিশুটিকে হয়তো আমরা আর ফিরে পাবোনা, হয়ত পাবো সাড়ে তিন বছের একটি শিশুর লাশ, নয়তো একটি ব্যর্থ উদ্ধার অভিযানের সমাপ্তি।
এখন আমার বক্তব্য হল,'কর্তৃপক্ষক' মানে যে বা যারা এই পাইপটিকে একজন জিহাদ অথবা একটি স্বপ্নের মৃত্যু ফাঁদ হিসেবে তৈরী করে রেখেছিল তাদের বিচার কি আদো হবেনা? আমরা কি দেখবোনা এমন একটি বাংলাদেশ যেখানে মানুষগুলো নিজেদের উপর বর্তানো দায়িত্বগুলো পরিপূর্ণভাবে পালন করবেন, অথবা দন্ডিত হবেন আইনের বিধান অনুযায়ী? যাতে আমাদের জিহাদের মত আর কোন আত্মাহুতি না হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

