ছোটবেলার এক কাহিনীর কথা মনে পড়ে গেল। তখন পরীক্ষা দিচ্ছিলাম ক্লাস ৫ম-এ এবং পাশে এক বড় ভাই বোধহয় ক্লাস (৯ম)। পকেট থেকে ছোট ছোট কি যেন কাগজ বের করে লিখছে। মনে করেছিলাম বড়ভাইদের পরীক্ষা পদ্ধতি হয়তো এমন-ই। পরে যখন স্যার বুঝতে পেরে রামধোলাই তো দিলোই এবং সাথে উপহারসরুপ সেই বছর আবার থেকে যা্ওয়ার ঘোষনা। বড়ভাইয়ার অশ্রুসজল চোখ আর অনুতপ্ততা। নকল করেছিল বড়ভাই তাই তার এই শাস্তি। তাই বলে পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়নি। কারণ, কোন কাজে যদি সমস্যা হয় তবে কাজ বন্ধ করা নয়, সমস্যা সমাধান করা উচিত।
ফেসবুক-এর কথা বলি। হীন মানুষের হীন কাজে.. আজ মোরা গঅন্ধকারে।
অন্ধকার কেন বলছি? নিজের তথ্য বা আবেগ সঞ্জীবতায় যদি বাধা প্রদান করা হয় তবে তা স্বাধীনতা হরণ। আজ এই প্রযুক্তির যুগে তা একেবারেই ঠিক নয়। অনেকে হয়তো বলবেন..যাক ভালই হলো..এখন আর সময়গুলো অপচয় হবে না। বলি আপনার টাকা পকেটে রেখে আপনিই খরচ করছেন। নিজেকে যদি সময়ের সাথে নিয়ন্ত্রন করতে না-ই পারেন তবে আপনার সময়ের সদ্যবহার কিসে?
বিটিআরসি.. ফেসবুক-এর দরজা বন্ধ করেছে তবে জানলা বন্ধ করতে ভূলে গেছেন। এটা কোন সমাধান না। সমাধান হলো হীন অপরাধী খুজে রের করে শাস্তি প্রদান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


