আমাদের আর্মি , নেভি, এয়ারফোর্সের হাজার হাজার সদস্য সারা দুনিয়াতে ভাড়া খাটে-সিকিউরিটি দেয়। আর সামান্য একটা বিমান বন্দরের নিরাপত্তা দিতে না পেরে ৫৮ কোটি টাকার বিনিময়ে, ইংল্যান্ডের কোম্পানি ডেকে আনি, কোনো ধরণের ট্রান্সপারেন্ট বিডিং প্রসেস ছাড়াই!
কি অথর্ব একটা রাষ্ট্র পরিণত হয়েছি আমরা। আমাদের সক্ষমতা কোথায় পৌঁছেছে-একটা এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি দিতে বিদেশি কোম্পানি ভাড়া করতে হয়।
যে দেশে ১০ হাজার টাকার চাকুরি না পেয়ে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছেলে আত্মহত্যা করে, সেই দেশে ১০০০ কোটি টাকা, ২০০০ কোটি টাকা, ৭০০০ কোটি টাকা লুটপাট এখন এতো হেলায় হয় যে, ৫৮ কোটি টাকা আর যেনো গায়েও লাগে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়ের কথা এখন আর কেউ বলে না।
বাস্তবতা হচ্ছে, যাদেরই ব্যবসার ধান্দা আছে সবাই বুঝে গেছে, বর্তমান সরকার অগণতান্ত্রিকভাবে টিকে আছে। তাই, সামরিক বাহিনী বাগিয়ে নিই হাজার হাজার কোটি টাকার অস্ত্র, ফ্রিগেট, যুদ্ধবিমান।
প্রশাসন বাগিয়ে নেয়, অচিন্তনীয় ১০০% বেতন বৃদ্ধি এবং অবারিত লুটের সুযোগ।
গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা বাগিয়ে নেয়, ৫% ক্যাশ ইন্সেন্টিভ।
ইন্ডিয়া বাগিয়ে নেয়, ট্রানজিট, প্রটোকল এবং বিদ্যুত কেন্দ্র।
আমেরিকা বাগিয়ে নেয়, টিকফা।
ইউরোপীয় দেশগুলো এ থেকে পিছিয়ে ছিল। এখন তারাও ভাবছে, আমরা কেনো ছেড়ে দেবো ? বিমানবন্দরের সিকিউরিটি কন্ট্রাক্ট ঠিক তেমন একটা প্রতিদান। ওরাও এখন চাপ দিয়ে বাগিয়ে নেয়া শুরু করেছে।
সবচেয়ে ভয় হয়, যেই ভাবে দেয়া শুরু হয়েছে ও লুট, লোন ও পাচারে সব সম্পদ যতো দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং এই সব পাওনাদারদের মুখের হা দিনে দিনে যতো বড়ো হচ্ছে-সব কিছু ফুরিয়ে যাওয়ার পরে, কি দিয়ে এই মুখগুলোকে দু:খিনী এ দেশটা সন্তুষ্ট করবে... ?

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



