somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বৃটিশ বাংলাদেশী বিজনেস এ্যাওয়ার্ড সম্পন্ন

১২ ই মার্চ, ২০১৫ ভোর ৪:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে প্রথমবারের মতো অনুষ্টিত হয়েগেলো বৃটিশ বাংলাদেশী বিজনেস এ্যওয়ার্ড। বুধবার সন্ধায় এক ঝাকঝমকপূর্ণ বর্ণিল অনুষ্টানের মাধ্যমে বৃটেনে বসবাসরত বাঙ্গালী ব্যবসায়ীদের স্বীকৃতি প্রদান করা হয় এই এ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে। অনুষ্টানে বৃটেনের অর্থনীতিতে ও বাঙ্গালী কমিউনিটিতে অবদান রাখার জন্য ২১টি ক্যাটাগরীতে মোট ২৮জন ব্যবসায়ী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ত্ব ও সমাজ সংগঠককে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। দেশ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্টিত এ আড়ম্ভরপূর্ণ অনুষ্টানে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনসহ বৃটেন ও বাংলাদেশ থেকে বেশকয়েকজন ভিআইপি অতিথি অংশ গ্রহণ করেন।
প্রধান মন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন তার বক্তব্যে বলেন, বৃটেনের অর্থনীতিতে বাংলাদেশী কমিউনিটির অবদান অনস্বীকার্য। এখানকার কয়েকলক্ষ বাংলাদেশী সরাসরী এ দেশের অর্থনীতিতে যোগান দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সম্প্রতি হালাল মাংস নিয়ে সৃস্ট জটিলতার কথা উল্ল্যেখ করে বলেন, বৃটেনে হালাল মাংস থাকবেই এতে কোন সন্দেহ নাই। তিনি বৃটিশ বাংলাদেশীদের আরো ভালো ভালো কাজের সাথে সম্পৃক্ত হবার আহবান জানান। এছারা বৃটিশ বাংলাদেশী বিজনেস এ্যাওয়ারড এর মতো আয়োজন এদেশে বেড়ে উঠা আগামী প্রজন্মকে উৎসাহিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন লর্ড অব উইম্বলডন তারিক আহমদ, বৃটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার আবুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড; গওহর রিজভী, মিডিয়া ব্যক্তত্ত্ব, চ্যানেল আই'র পরিচালক শাইখ সিরাজ। অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বৃটিশ বাংলাদেশী বিজনেস এ্যাওয়ার্ডের ফাউন্ডার মিসবাউর রহমান। দেশ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ নাসির ও এমডি শামীম চৌধুরীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্টান পরিচালনা করেন বিবিসি'র মিডল্যান্ড টু ডে'র উপস্হাপক মাইকেল কলি ও অভিনেত্রী শমী দাশ।
অনুষ্টানে বেস্ট বিজনেস এন্টারপ্রেনা অব দ্য ইয়ার হিসেবে ফারজানা হোসেন নীলা, এন্টার প্রেনার অব দ্য ইয়ার ফরিদ নাবির, সুপারমার্কেট অব দ্য ইয়ার রফিক হায়দার, লিডার অব দ্য ইয়ার আহবাবুর রহমান মিরন, কমিউনিটি এক্সিলেন্স মাজেদুল চৌধুরী, লাইফ টাইম বিজনেস এচিভমেনত এ্যাওয়ার্ড আলজাজ্ব মনজুর আলী, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড মনির আহমদ, মিডিয়া পার্সোনালিটি হাফিজ আলম বক্সসহ ২৮জনকে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সাইখ সিরাজকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্টানে আগত অতিথিদের মতে বৃটিশ কারী এওয়ার্ডের পর এটাই হতে যাচ্ছে বাঙ্গালীদের জন্য অন্যতম প্রেস্টিজিয়াস ইভেন্ট। বিশেষ করে যারা নিজ দক্ষতায় নিজ উদ্যোগে এদেশে প্রতিষ্টিত হয়েছেন এবং এদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে যাচ্ছেন তাদেরকে কমিউনিটির সাথে সম্পৃক্ত করতেই এই মহতী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অনুষ্টানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে দেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মিসবাউর রাহমান মিসবাহ জানান, এদেশে বাঙ্গালীরা বিভিন্ন সেক্টরে তাদের মেধার বিকাশ ঘটিয়ে যাচ্ছেন নীরবে। কিন্তু একমাত্র রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়ীত যারা তাদেরকেই প্রতি বছর বৃটিশ কারী এ্যাওয়ার্ড বা শেফ এ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে অন্যান্য ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিদের এধরনের স্বীকৃতি প্রদানের কোন ব্যবস্হা নেই। মূলত নীরবে কমিউনিটিতে অবদান রাখা এইসব ব্যক্তিদের স্বীকৃতি প্রদান ও তাদেরকে কমিউনিটির সাথে সম্পৃক্ত করতেই বৃটেনে প্রথমবারের মতো বৃটিশ বাংলাদেশী বিজনেস এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হচ্ছে। এ এ্যাওয়ারড অনুষ্টান প্রতি বছর করা হবে বলেও আয়োজকরা আশা প্রকাশকরেন।
মূলত ২৮টি ক্যাটাগরীতে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে রাইজিং স্টার অব দ্য ইয়ার, লিডার অব দ্য ইয়ার, এন্টারপ্রেনার অব দ্য ইয়ার, ফিনান্সিয়াল সার্ভিস, বেস্ট ইনভেস্টর ইন বাংলাদেশ, মিডিয়া এন্ড আর্টস, প্রফেশনাল সার্ভিস এ্যায়ার্ড, এন্টারপ্রেনার এচিভমেন্ট, বেস্ট বিজনেস ম্যান এন্টারপ্রেনার, বেস্ট বিজনেস ওমেন এন্টারপ্রেনার, ক্যাটারিং সাপ্লাইয়ার অব ড্য ইয়ার, বেস্ট চ্যারিটী অর্গানাইজেশন, কমিউনিটি এক্সিলেন্স, আউটস্ট্যান্ডিং এচিভমেন্ট ইন ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম সেক্টর, এক্সিলেন্ট এচিভমেন্ট ইন এডুকেশন, আউট স্ট্যান্ডিং এচিভমেন্ট ইন কারী ইন্ড্রাস্ট্রি, সুপার মার্কেট অব দ্য ইয়ার, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড, লাইফটাইম বিজনেস এচিভমেন্ট, পার্সোনালিটি অব দ্য ইয়ার, এক্সিলেন্স ইন কাস্টমার সার্ভিস।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×