সায়ানাইড ঘৃণা
মোঃ মাঈনউদ্দিন।
** নতুন আর পুরাতন খুনিদের উদ্দেশ্যে বিষোদগার!!


হে আমার অন্তর্স্থিত সাত সমুদ্র পরিমাণ
নীল মৃত্যু সায়ানাইড ঘৃণা,
বর্বর,নিষ্ঠুর খুনেদের পানে পাঠালাম
চতুর্মুখী বাতাসে;
ফোটা-ফোটা ভারী বর্ষা হয়ে ঝরে পড়,
অতঃপর, মৃত্যু দিয়ে শুষ্ক হয়ে উড়ে যাও সুর্যতাপে।
যাও, ধেয়ে যাও-
উম্মত্ত,প্রবল,প্রলয়ংকরী টাইফুন,হ্যারীক্যান
আর সাইমুম ঝড় হয়ে-
ঘিরে ফেলে,ছিড়ে ফেল ওদের যত নীল নকশা।
ভেঙ্গে গুড়িয়ে দাও সব।
মৃত্যুর মহাসমুদ্র পরিমাণ তৃষ্ণা জাগাও আর,
নাসিকাগ্রে নিয়ে যাও অত্যাচারী সব প্রাণ।
অতঃপর, ভরিয়ে তোল সমস্থ অক্সিজেন, বিষাক্ত হাইড্রোজেনে।
আর যন্ত্রণা কাতর করে তোল
মৃত্যু কষ্ঠের হাহুতাসে।

২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর টেংক, কামান আর মেশিনগানের গোলায় শত সহস্র দেশ প্রেমিক বাঙালির রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ- বাংলার সবুজ শ্যামল প্রান্তর। পাক বাহিনীর পৈশাচিক উল্লাস, লুণ্ঠন, হত্যা ও নির্মম হিংস্র থাবায় ধ্বংস হয়েছিল বাংলার বাড়ি ঘর, সম্পদ ও জনপদ। পুড়িয়ে ছারখার করে দেয় তারা বসত বাড়িসহ হাজার স্থাপনা। পাক প্রেসিডেন্ট জল্লাদ ইয়াহিয়ার নির্দেশে রাত ১টায় ২২ বেলুচ রেজিমেন্ট সমশক্তি নিয়ে আধুনিক অস্ত্রে-সশস্ত্রে-সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পিলখানার ইপিআর সদর দপ্তর, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস, শাখারি বাজার, পালাশী, নীলক্ষেত, কাটাবন বস্তির এলাকাসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আগুন লাগিয়ে গুলি করে হত্যা করে ঘুমন্ত হাজার হাজার নিরস্ত্র নারী, পুরুষ ও শিশুকে। শিক্ষকদের আবাসিক হলে হিংস্র সাপের মতো আক্রমণ চালিয়ে হত্যা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দার্শনিক অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, মনিরুজ্জামান, ফজলুর রহমান, অনুদ্বৈপয়ান ভট্টাচার্য্য, মহাম্মদ আবদুর মুক্তাদির, শরাফত আলী, মোহাম্মদ সাদেক, আনিসুর রহমানসহ অনেককে। হত্যাযজ্ঞের পাশাপাশি চলতে থাকে লুট-পাট, নারী নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগ। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী এই সঙ্গে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয় অন্যান্য শহরেও।
নোটঃ সংবাদ সংগৃহিত, পত্রিকা হতে (চাঁদপুর বার্তা), ছবিঃ ইন্টারনেট।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
