সে দিন আমার প্রিয় বন্ধুটি ফোন করেই কেঁদে ফেললো। বাচ্ছাদের মত কাঁদতে লাগলো। বললাম কি হয়েছে তোর?
- আমার আর বেঁচে থেকে কোন লাভ নেই।
- কেন কি হয়েছে?
- মিনু (ছদ্ধ নাম) আমাকে বলেছে ওকে ডিভোস দিয়ে দিতে।
- বলিস কি! ছুটিতে গিয়েনা তোরা বিয়ে করলে? এই তো তিন মাস আগের ঘটনা। আমার তো বিশ্বাস হচ্ছেনা।
- আমারও তো বিশ্বাস হচ্ছেনা। অবাক লাগলো,খুব ঠান্ডা মাথায় সে আমাকে বললো ুআমাকে ডিভোস দিয়ে দাওচ্
এই বলে সে কাঁদতে লাগলো। আমিও তো অবাক হয়ে গেলাম। কি বলে শান্তনা দেব ওকে বুঝতে পারছিলাম না। আমি আমার বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলাম তোদের মাঝে কি এর আগে কোন ঝগড়া বা কথা কাটা কাটি হয়ে ছিল?
- সে বললো, না
- তাহলে কি কারণ হতে পারে এমনটা করার?
- আমি নিশ্চিৎ ওর মা ওকে তাবিজ করেছে।
- ধুর বোকা, শহরের লোকেরা কবিরাজিতে বিশ্বাসী নয়। তা ছারা ওরা তো শিক্ষিত মানুষ। এমনটা হতেই পারেনা।
- তোর বাড়ি ঢাকাতে নাকি আমার বাড়ি ঢাকাতে? এমনটা হতে পারে।
- ঠিক আছে, তোর কথা ই ঠিক।
আপনাদের এটা জানিয়ে রাখি যে, এরা দোজনের ভালবাসার জন্ম না দেখা থেকে। আমার বন্ধুটি মাঝে মাঝে লেখে পত্রিকায়। লেখা ভাল লাগা থেকে লেখকের সাথে প্রেম। না দেখেই একে অন্যকে ভালবেসে ফেলে শুধু ছবি দেখে। ফোনে কথা হত প্রায়ই। সম্পর্ক একটু গভীর হতেই মেয়ের মা বাঁধা হয়ে দাড়াল। কিন্তু এতেই কি প্রেম থেমে যায়? না থামেনি। এক পর্যায়ে আমার বন্ধুটি দেশে গিয়ে দোজনেই ফ্যামিলি কে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেললো। বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়ের বেশি চাপ ছিল।
অথচ আজ সে মেয়ে নিজেই বলে আমাকে ডিভোস দিয়ে দাও। আবেগের তারনায় এমন কোন কাজ কেন করবো, যে কাজ করে আমাকে আফসুস করতে হবে? খুব ভেবে চিন্তে এমন গুরুত্ব পূর্ন কাজ করা উচিৎ। পুতুল খেলার বিয়ের মত সে বলে ফেললো, আমাকে ডিভোস দিয়ে দাও। অর্থবানরা কি জীবনকেও পুতুল খেলা মনে করে? নইলে কেমনে বলে ুআমাদের পরিবারে দুতিনটা বিয়ে মেয়েদের জন্য কোন সমস্যা নয়চ্ সে কেমন মা যে তার মেয়ের জীবন নিয়ে খেলা করছে?
হয়তো ভাববো অনেক কিছু, কিন্তু মস্তিস্কের ক্ষয় ছারা আর কোন লাভ হবেনা এতে। সেই অহংকারী মহিলা বা পূরুষরা কখনো শুদরাবেনা। ফাঁকে এরা দোজন যাতনায় ভোগবে।
ুপাটা পুতার ঘষা ঘষি মরিচের দফা শেষচ্ অবস্থা তাই হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


