আমাদের সম্পর্কটা একদিন এ পর্যায়ে আসবে আমি কখনো ভাবিনি। আরো অনেক কিছু ভাবিনি, কিন্তু তা হয়ে গেছে। বিয়ের আগে তাকে ভালবাসতাম প্রেমিকা হিসেবে + যৌনতার তারনায়। কিন্তু আজ তাকে ভালবাসি খুব। জীবন সঙ্গি হিসেবে পেতে চাই তাকে। আজ এ অনুভুতি এমন এক সময় তৈরি হয়েছে যে সময় তাকে আর ফিরে পাওয়া যাবে না। সে হয়ে গেছে অন্য কারো।
সূযোগ পেলেই সে আমার কাছে ছুটে আসে। কয়েকবার আমি প্রশ্ন করেছি, তুমি কি তোমার স্বামীকে দিয়ে সুখি নও? সে প্রতি বারই আমাকে বলেছে এমন প্রশ্ন করোনা।
জানিনা কেন সে আমাকে এমনটা বলে থাকে। একদিন তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, তুমি যা করছো তা কি সঠিক মনে কর?
আমার স্বামীকে আমি ভালবাসি, ভালবাসি তোমাকেও। এ কেমনে সম্ভব? আমার এ প্রশ্ন শুনে বললো, বিয়ের আগে আমি কাউকে ভালবাসিনি। বিয়ের সূত্রপাতে তাকে ভালবাসি আর তুমি আমার প্রেম।
তার স্বামীর অবর্তমানে সে আমার খুব ঘনিষ্ট হয়ে পরে। নিজেকে বিলিয়ে দেয় আমার কাছে। আমিও তার উদারতার সূযোগ গ্রহন করলাম।
অনেক দিন পর। আমি চেষ্টা করছি তার থেকে দূরে যেতে। কারণ আমি জানি আমাদের এ সম্পর্কের কথনো ভাল পরিনতি হয়ে আসবে না। আর এও সত্য যে আমাদের সম্পর্কটা কখনো বৈধতা পাবে না।
আমি তাকে বলি, তোমাকে ভুলতে চেষ্টা করছি আমি কিন্তু পারছিনা।
সে বলে তুমিতো চেষ্টা কলছো, আমি তাও করি না আর কখনো করবোও না। বললাম কেন? দেখ আমাদের সম্পর্কটা তো এখন শুধু শারিরীক সম্পর্কতেই সীমাবদ্ধ নয়। তুমি আমার অন্তরে বাস কর এখন। তুমি কোন দিন অবশ্যই বিয়ে করবা, তার পরও আমরা বন্ধু হয়ে থাকবো। সুযোগ পেলেই আমার কাছে চলে আসবা। আমিও যাব তোমার কাছে।
মাঝে ওকে একটু বেশি পাগল মনে হয়েছিল। তখন আমি সতর্ক করে দিয়েছিলাম যে, তুমি কি আমাদের সম্পর্কটাকে অন্য কিছু করতে চাইছো? সে বলে, যখন তোমার আমার মিলনে কোন বাধা নাই তখন আরো ভাববার কি প্রয়োজন আছে? এ পাল্টা প্রশ্নটা করেই সে জবাব দিয়ে দিল।
মাঝে মাঝে একা হলে আমি এ বিষয়টা খুব গভীর ভাবে ভাবি। ওকে ভুলতে হলে আমাকেই কিছু করতে হবে। তাকে না জানিয়েই ভুলে যাব। নিজের সুখের হিসাবের খাতা খুলতে নয়, এমনিতেই এমনটা করা উচিৎ বলে ভাবছি। আমি একজন পূরুষ হয়ে আরকজন পুরুষকে কেন ঠকাচ্ছি?
সে পাগলামি করবে বলে , আমিও কি পাগলামি করবো নাকি? মানুষ বিবেক শুন্য হয়ে গেলে লাভের অংক মিলাতে চায়। সে ভাবছে স্বামীর মজা তো পাবই, বাইরের মজাও নিয়ে লই। বিষয়টা তো শারিরীক এবং মানসিক আনন্দের।
সব পর্যন্ত দেখি কোথায় গিয়ে কি হয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


