আসছে পহেলা বৈশাখ। আমাদের মেসের মেয়েরা নানা কেনাকাটায় ব্যস্ত।এ মাসে আমার দায়িত্ব পড়েছে ম্যানেজারের।মেসে থাকতে থাকতে পর্যায়ক্রমে এ দায়িত্ব পালন করতে করতে বাজার করাটা গা সওয়া হয়ে গেছে। ঝামেলা বেধেছে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাড়তি কিছু আয়োজন নিয়ে। তন্মধ্যে ইলিশ মাছ কেনা ও সংরক্ষণ নিয়ে। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেস সদস্য দুই ছাত্রীকে নিয়ে বাজার করতে গেলাম। ইলিশ মাছ কিনতে গিয়ে মাথায় হাত। এত দাম দিয়ে ইলিশ কিনতে আমার মন চাইল না।সঙ্গের দুই মেয়েকে বললাম। কিন্তু তারা রাজি হল না। তাদের পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ খেতেই হবে। বাধ্য হয়ে অন্যদের ফোন করলাম। তাদেরও মত তারা পান্তা ইলিশ খাবে।আমার রুম মেট ব্যাংক কর্মকর্তা মেয়েটি জানালো সে একটি ইলিশের দাম একা দেবে। তার এ উদারতার বিশেষ কারণ রয়েছে।সে যাই হোক তিন হাজার টাকা দিয়ে দুটো ইলিশ কিনে আনলাম। আমাদের মেসে ঐ ব্যাংক কর্মকর্তা মেয়েটিরই ফ্রিজ আছে। তার অনুপস্থিতিতে তা লক করা থাকে। সুতরাং সে না আসা পর্যন্ত মাছ দুটো কোথায় রাখব। যা গরম পড়েছে। অগত্যা বাড়ির মালিকের বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীকে অনুরোধ করে তাদের ফ্রিজে মাছ দুটো রেখে এলাম।
আমি ভাবছি এই যে পত্রিকায় টেলিভিশনে পহেলা বৈশাখের সাথে পান্তা ইলিশের কোন সম্পর্ক নেই বলে অনেকে বলছে তা কি আমরা শুনছি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ নিষিদ্ধ হোক।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



