somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি জ্বীন দেখেছি ও তার সাথে কথা বলেছি

২৮ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জ্বীন নামাতে পারতেন আমাদের এলাকার এক বড় ভাই। তার নাম রানা (মূল নাম না)। কয়েকবার আমরা ঐ জ্বীন এর সাক্ষাত পাই। Scientifically তাকে (রানা ভাইকে) আমরা ধরাসাই করব এটাই ছিলো আমাদের উদ্দেশ্শ। কিন্তু যতই তার (জ্বীন) সাথে intimacy grow করতে লাগল, ততই জ্বীন এর প্রতি এবং ঐ বড় ভাই এর প্রতি বিশ্বাস বাড়তে লাগল।

একবার মায়ের সাথে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে এক মহিলার উপর জ্বীন ভর করত; মহিলাই কথা বলত, তবে intellect ব্যবহার করত জ্বিনের। মায়ের সাথে কথা বলা ঐ জ্বীন কেও সংগত কারনে বিশ্বাস করি।

১ম জ্বীন: আব্দুল্লা হুজুর (আপনার প্রতি সালাম রইল)
-----------------------------------------------
একটা ঘরে/কক্ষের এক পাশে আমরা, অন্য পশের এক কোনে রানা ভাই বসত। আমাদের মধ্যে এলাকার ছেলে-পেলেরা, মুরুব্বী আর রানা ভাইর বড় ভাই ছিল।

ঘরের এক কোনে রানা ভাই বসে দোয়া পড়ে নিজেকে বাঁধ দিয়ে নিতেন। অন্য কোনায় একটা পিঁড়ি রাখা হত; এজন্য যে জ্বীন হুজুর সেখানে বসতে পারে। তার পর কক্ষটির বাতি নিভিয়ে দেয়া হত। মিনিট দশেক পর আমরা স্পষ্ট দেখতাম, একটুকরো আলো উপর (মূলত: ventilator) থেকে এসে ঐ পিঁড়িতে পড়ে নিভে যেত। পিঁড়িতে ধপাস ধপাস শব্দ হত; কিন্তু শব্দ ছিল নিয়ন্ত্রিত। তার নাম ছিল আব্দুল্লা। আমরা ডাকতাম আব্দুল্লা হুজুর বলে। বয়স ছিল ৭০০-৮০০ বছর। তিনে সালাম দিয়ে কথা শুরু করতেন। তার কথা প্রচন্ড ভাঙ্গা-ভাঙ্গা ছিল।

বিভিন্ন সময়ের কথপকথন, উপস্থিত মানুষের নানা সমস্যার সমাধান, এবং আমাদের সাথে তার আচরন এর ফলে জ্বীন সম্পর্কে উল্লেখ করার মত কয়েকটা বিষয় হল:

ক। আব্দুল্লা হুজুর-এর মতে জ্বীন দের মধ্যেও ভাল-খারাপ আছে। মানুষের ক্ষতি করার জন্য খারাপ জ্বীনরা দায়ী।

খ। জ্বীন দের চলাচল খুব ক্ষীপ্ত। পৃথিবী থেকে বহু দূরে তাদের অবস্হান। মানুষের সাথে interaction করতে তাদের অনুমতি লাগে।

গ। মানুষের গোপোন/অগচরের কিছু বিষয়, জ্বীনদের জানার সুযোগ আছে; তবে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ কম।

ঘ। মানুষ রুপে তারা নামাজ পড়ে, হজ্ব করে। বিভিন্ন সময় আতর, টুপি, জায়নামাজ ইত্যাদি ক্রয়-বিক্রয় করে। মিস্টি তাদের পছন্দের, পৃথিবীর ভাল-ভাল মিস্টির দোকান থেকে তারা মিস্টি কিনে।

কয়েকটি ঘটনা:

০১। আমরা একবার ২০০ টাকা ঝোগার করে টিক করলাম আব্দুল্লা হুজুরকে বলব ভরতের কোন একটা দোকানের মিস্টি খাব। আব্দুল্লা হুজুর আসার পর তিনি বললেন, "বড় ভাই এর কাছে মিস্টি খেতে আবার চাঁদা তুলতে হয় নাকি?" তিনি আসার সময় আমাদের জন্য মিস্টি নিয়ে এসেছিলেন, ওরকম মিস্টি আর জীবনে দ্বিতীয়বার খাইনি।

০২। আমার সেজভাই তার সাথে করমর্দন করেছিল; তার হাতে মোজা পরা ছিল; আর হাত স্বাভাবিকের চাইতে বড় ছিল।

০৩। তখন আমার একটা দামি ঘড়ি হারিয়েছিল। তিনি যেখানে খুজতে বলেছিলেন, ঠিক সেখানে আমি খুজে পাই।

০৪। আমরা বড় ভাইকে সবাই ডাক নামে চিনত। প্রথমবারই আব্দুল্লা হুজুর তাকে নির্ভূলভাবে আসল নামে সম্বোধন করে।



২য় জ্বীন: নাম জানিনা
--------------------
যে মহিলার উপর এই জ্বীন ভর করত, তিনি পারিবারিক ভাবে আমাদের দূরের আত্বীয় হন। তিনি অত্যন্ত বিনায়ী, মিস্টভাষী ও পর্দানশীল ছিলেন। কিন্তু যখনি জ্বীন ভর করত, তখন তিনি উগ্র ভাবে এবং চিবিয়ে চিবিয়ে কথা বলতেন।
পর্দার আড়ালে থেকে জ্বীন ভর করা অবস্থায় তিনি কথা বলতেন। ময়ের সাথে একবারই যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল।



(টিকা: বাংলায় গতি কম হওয়াতে ব্লগটি লিখতে দারুন কষ্ট হইছে; পরবর্তি রিপ্লাই গুলো ইংরেজীতে দিব; তাই আগেই ক্ষমা চাচ্ছি)

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭
৩৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×