somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

'বার চান্দের খুৎবাহ' কেন অপ্রাসাঙ্গিক হয়ে উঠছে ...

২৮ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আজ শুক্রবার আমার একটা রিয়ালাইজেশন বলি। এটা শুক্রবারের খুৎবাহ নিয়েই। অনেকের মতের সাথে নাও মিলতে পারে।


আমাদের গ্রাম অঞ্চলে এই ২০২০ সালে এসেও বাল্য বিবাহ, যৌতুক প্রথা, মানুষের জমির আইল টানা, ঝগড়া হলেই চির দুশমনি শুরু হওয়া, প্রতিবেশীকে ঠকিয়ে খাওয়া থেকে শুরু করে আরো যা যা ঘটে, এর পেছনে আমাদের গ্রামের সব মসজিদে শুক্রবারে যেটা কিতাবটা দেখে খুতবা দেয়া হয় সেই 'বার চান্দের খুৎবাহ' নামক বই খানা অনেকাংশে দায়ী।
কারন এই বইখানা আমাদের ইমামদের একটি নির্ধারিত আলোচনার মধ্যে বন্ধি করে রেখেছে। প্রতি বছর ঘুরে ফিরে পাব্লিক শুধু আরাবী কিছু বাক্যের গঠনই শুনে যায়। হুজুরের মুখের এক্সপ্রেশনে মাধ্যমে 'এখন জান্নাতের হুর কিংবা জাহান্নাম নিয়ে কিছু বলতেছেন' এর বাহিরে আর কিছুই বুঝে না পাব্লিক।

আমার আধ্যাত্মিক শিক্ষক ছারছিনার মরহুম প্রিন্সিপাল আলহাজ্জ মাওলানা শরীফ মুহাম্মাদ আবদুল কাদির হুজুর যখন এটি লিখেছিলেন তখন হয়তো ৩০-৪০ বছরের আগামীকে চিন্তা করে লিখেন নাই। তিনি সেই সময়ে ইমামদের কাজকে কিছুটা সহজ করে দেয়ার জন্য এটা লিখেছিলেন। কিন্তু সেটা যে এভাবে অবুঝ মানুষদের কাছে আরেকটা আসমানী কিতাবের মর্যাদা পাবে, এটা উনিও বুঝেন নাই। মানুষ যে এটাকে, খুৎবার মূল বিষয় দৈনন্দিন জীবন, দেশ, রাজনীতি বা মানুষের সামাজিক মূল্যবোধ এগুলো থেকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে এটাও বুঝেন নাই।।

এটা না হলে ইমামেরা যদি এত বছর যাবত প্রতি শুক্রবার একটু একটু করেও বুঝাতেন যে, অন্যের আইল ভেঙ্গে নিজেরটা বড় করতে হয় না, কেউ কালো বলে তাকে ছোট করা গুনাহ, অন্যের গিবত করা উচিত না, যৌতুক হারাম, মেয়ের বাবা বলে তাকে ছোট করতে হয় না ইত্যাদি বাংলায় সব বুঝাতেন, তাহলে এত দিনে কিছুটা হলেও সমাজে পরিবর্তন আসত।
যুবক ইমামেগন-ই পারেন এখন এই বন্ধি থেকে বেড়িয়ে আসতে।।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৬
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জীবননগর

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১



গ্রাম দেখতে কোলাহলের বাইরে গিয়ে দেখি-
কোথাও নেই একরত্তি গ্রাম!
বিলুপ্ত হয়েছে যাবতীয় সবুজ সুন্দর;
সর্বত্র বিস্তার লাভ করেছে কংক্রিটের বন!
ভ্রমণক্লান্তিতে খুব তৃষ্ণার্ত হয়ে-
জলপানাঙ্ক্ষা জানাতেই পেলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ নেপালের চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২৬

বাংলাদেশ নেপালের চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।



বাংলাদেশে যদি একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প বা বড় ধরনের নগর দুর্যোগ আঘাত হানে, তাহলে দেশটি নেপালের অভিজ্ঞতার চেয়েও বহুগুণ ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাকরির বন্যা আসার আগেই চাকরির বাজারে খরা!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৬



জুলাইয়ের পর বলা হয়েছিল দেশে নাকি চাকরির বন্যা বয়ে যাবে। অর্থনীতি ঘুরে দাড়াবে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা অর্থনীতিতে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাবো। ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিও হবে।

দেশে এমনিতেই কর্মসংস্থানের অবস্থা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি তাহলে গুহা যুগে ফেরত যাচ্ছি?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫০



বিশ্ব যেখানে উন্নতির প্রতিযোগিতা করছে, কীভাবে জীবনমান আরও উন্নত এবং সহজ করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে আর আমরা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছি। চারদিকে ভয়াবহ অবস্থা!! চাঁদাবাজি, খুন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×