somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

হ্যাকার সাহেব
আমার সম্পর্কে লেখার মত এখনও কিছু করতে পারি নি!.............যেদিন লেখার মত কিছু করতে পারবো সেই দিন না হয় কিছু কথা লেখবো??

শিশু শ্রম আর নয়, স্বাভাবিক জীবনের নিশ্চয়তা চাই!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



নব জাতক কে কোন এক হেকমতি বুজর্গটাইপ ধান্ধাবাজের তাবিজ-কোবজ, সূতো পড়া কিংবা মাদুলি পরিয়ে স্যাঁতসেঁতে মেঝেয় শুইয়ে রাখা হচ্ছে। মাত্র ক’দিনের মধ্যেই তার মা কাজে চলে যাচ্ছে, কেননা তা না হলে তার মায়ের পেটে ভাত জুটবে না। আর পেটে যদি ভাতই না যায় তাহলে বুকে দুধ কি ভাবে আসবে? যদিও তার পরেও বুকে দুধ আসে না। এই ভাবেই তাদের বেড়ে উঠা!
এর বিপরীতে উন্নত বিশ্বের একটি শিশু কি ভাবে জন্মে, বেড়ে ওঠে দেখুন:
ধূলোবালিহীন অত্যাধুনিক হাসপাতালের কাঁচ ঘেরা কুঠরিতে জন্মানোর পর প্রচন্ড রকম হাইজেনিক ব্যবস্থা বজায় রাখা একদল নার্সের সেবায় দিনে দিনে একটু একটু করে বাড়তে থাকে এই শিশুরা।মায়ের কি দরকার, শিশুর কি দরকার সবই ঠিক করে দেয় ম্যাটার্নিটি বা হাসপাতাল। ওই শিশুটি এরপর বাড়ি ফেরে। সেখানেও সেই হাসপাতালের মতই সুব্যবস্থা।ন্যাকার-পুকার, ডায়াপার, প্যাম্পারস, সব দামী দামী গেজেট সহ সে বাড়তে থাকে। যদি কোন কারণে কোন শিশু কেঁদে ওঠে, আর সেটা যদি রাষ্ট্রর আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ শুনে ফেলে সাথে সাথে সেই বাবা-মা কে তলব করে জানিয়ে দেওয়া হয়- শিশুর যত্ন নিতে তারা অপারগ হলে তাকে যেন নিদৃষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ রাষ্ট্র পুরোপুরিই এক একটি শিশুকে আগামীর নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। আরো বড় হয়ে সেই শিশুটির যখন স্কুলে যাবার সময় হয়, তখনো রাষ্ট্র তার লেখাপড়ার যাবতীয় দায়-দায়িত্ব তুলে নেয়। তার মেধার বিকাশের ফলোআপ দেখে তাকে সেই বিষয়েই লেখাপড়া করানো হয়। সাথে সাথে রাষ্ট্র তাকে খেলাধুলা থেকে শুরু করে যাবতীয় সামাজিক আচার-আচরণ, সংস্কৃতি সবই শেখায়। এভাবেই আজকের শিশু আগামী দিনের নাগরিক হয়ে ওঠে। এবার সেই নাগরিককে আর কোনভাবেই নাগরিক দায়-দায়িত্ব বোঝানোর দরকার করে না।
আর আমাদের এরা ? আরো পরে একটু হাঁটতে শিখলেই যেন নিজেই খাবার যোগাড় করে নিতে পারে সেই চেষ্টায় তাকে ঠেলে দেওয়া হয় বাইরে। নংঙ্গরা পরিবেশের পাশেই শুরু হয় তার জীবন সংগ্রাম। সেই কচি বয়সেই তার সাথী হয়ে ওঠে মশা-মাছি, পোকা-মাকড় আর ঘেয়ো নেড়ি কুকুর। যদি খুব দারিদ্র থাকে তাহলে মাত্র তিন-চার বছরেই তার হাতে উঠে আসে রংচটা থালা। আর পিঠের ওপর ঝুলে থাকবে তার চেয়েও আরো ছোট একজন। এদের আপনি দেখবেন মৌচাক মোড়ে, পল্টনে, নিউমার্কেটের সামনে, সায়দাবাদে, মহাখালিতে, এবং প্রায় পুরো ঢাকা শহরেই। যাদের পরিবারের অবস্থা এরচে একটু ভাল তারা আরো একটু বড় হতেই তাদের বাবা-মা তাদের ঠেলে দেবে কাজে। কি কাজ ? সে ভয়ংকর সব কাজ। যে কাজ পূর্ণ বয়ষ্ক মানুষে করে, এরাও ঠিক সেই ধরণের পরিশ্রমের কাজে নেমে পড়ে। এই জীবন থেকে কর্পূরের মত উবে যায় পুতুল খেলা, লাটিম ঘোরানো, ঘুড়ি ওড়ানো, যখন তখন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পড়া, একছুঁটে তেপান্তরের মাঠ পেরুনো আর রাতে দাদী-নানীর কাছে ব্যঙ্গমা-ব্যঙ্গমীর গল্প শোনা! এরাই আমাদের আগামীর সন্তান। এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। আসুন দেখি আমাদের এই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কিভাবে তাদের পেটের খাবার যোগাড় করছে, কি ভাবে শুধুমাত্র একবেলা খাবারের জন্য কি কি হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের কাজ করে চলেছে………..
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের ৩৫ লাখ শিশুশ্রমিকদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত রয়েছে ১৩ লাখ শিশু, যা মোট শিশুশ্রমিকের ৪১ শতাংশ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের শিশুশ্রমিকরা প্রায় ৩৪৭ ধরণের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এর মধ্যে ৪৭ ধরণের কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ১৩ ধরণের কাজকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর এসব কাজে নিয়োজিতদের অধিকাংশই পথশিশু।শুধুমাত্র একবেলা খাবার যোগাড় করতে এ পথশিশুরা দৈনিক ১০ থেকে ১২ ঘন্টা পর্যন্ত হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে। পথশিশুদের ৬৯ শতাংশই কোন না কোন শিশুশ্রমে নিয়োজিত রয়েছে। এই ঢাকা শহরে প্রাতিষ্ঠানিক খাতের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে শিশুশ্রমিক নেই! চরম দারিদ্রের কারণে তাদের বাবা-মা তাদেরকে এধরণের কাজে ঠেলে দিতে বাধ্য হয়। এই যে আমরা বলছি- ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। এটা কি পরিমান ঝুঁকি ? বিস্ময়কর যে এই শিশুরা ঝালাই কারখানা, ঢালাই কারখানা, রি-রোলিং মিলের লোহা গলানোর কাজে, এমনকি জ্বলন্ত বয়লারের পাশে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা কাজ করে।
এ ছাড়া আর একটি বড় শ্রম ক্ষেত্র হচ্ছে গৃহকর্ম। আমরা বেশ চটকদার ভাষায় কথাটা বলি-গৃহকর্ম! কিন্তু কর্মটা যে কি ভয়ংকর সেটা যারা এখানে কাজ করে তারাই কেবল বোঝে। এদের কোন টাইম টেবিল নেই। খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে গভীর রাত অব্দি, অর্থাৎ ঘুমানোর আগপর্যন্ত এদের কাজ করতে হয়। এই কাজের ক্ষেত্রে কেউ বেতন পায়, কেউ বা শুধুই পেটেভাতে। গতরখাটা এই খাতে একটু এদিক-ওদিক হলে এদের উপর যে ভয়াবহ অত্যাচেরর খড়গ নেমে আসে তার যৎসামান্য চিত্র আমরা সংবাদ পত্রে মাঝে মাঝে দেখি। খুন্তির ছ্যাঁকা, হাড়গোড় ভেঙ্গে দেওয়া, পুড়িয়ে দেওয়া, চুল কেটে মুখে চুনকালি মেখে দেওয়া থেকে শুরু করে আমাদের সুশীল মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরা এদের যৌন কাজেও ব্যবহার করে। বিকৃত সেই সব কাজের আর সারা দিনের খাটনির নিট ওয়েজ কি ? সামান্য তিনবেলা অথবা দুবেলা খাবার! যে পথশিশুরা এভাবে অমানুষিক পরিশ্রম করে পেটের ভাত যোগাড় করছে অথবা সামান্য কিছু টাকা পাচ্ছে সেখানেও ভাগ বসায় রাষ্ট্রের পুলিশ, মাস্তান, বখাটে, পাড়ার ছিঁচকে মাস্তানরা। এদেরকে ভাগ না দিলে ওই শিশুদের কাজের অধিকারও হাতছাড়া হয়ে যায়। ইদানিং ঢাকায় ‘নাইটগার্ড’ নামক এক নয়া শোষক পয়দা হয়েছে। এরা বিভিন্ন বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারি। এদেরর একটা হিস্যা তৈরি হয়েছে এখন। এরা এখন রীতিমত এক নয়া লেঠেল বা ঠেঙ্গাড়ে প্রাতিষ্ঠানিক মাস্তান। সবাইকে ভাগ দিয়ে থুয়ে যেটুকু বাঁচে তাই দিয়েই এই পথশিশু আর শিশু শ্রমিকরা এক একটি নিরেট পাথুরে দিন পার করে চলেছে।
এদের জন্য কিছু করার কি কেউ নেই? হ্যাঁ আছে। ঠান্ডা ঘরে বসে এদের জন্য দরদ দেখাতে দেখাতে এনারা প্রায় গলদঘর্ম! “কারিতাস”, “রাড্ডা করনেন”,” সেভ দ্য চিলড্রেন”, “নিজেরা করি”,” শৈশব বাংলাদেশ”, “বিলস”, “শ্রমিক কর্মচারি ঐক্য পরিষদ”,” সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়”…… এরকম আরো ডজন ডজন প্রতিষ্ঠান এই পথশিশু বা শিশু শ্রমিকদের নিয়ে গবেষণা-টবেষণা করে চলেছেন! ভাগ্যিস তারা আছেন! তাই আমরা পরিসংখ্যান-টরিসংখ্যান পাই! বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ বা ‘বিলস’গত ১২ জুন বিশ্ব শিশু শ্রম প্রতিরোধ দিবসও পালন করে ফেলেছে! বেশ, ভাল কথা। তাহলে দেখা যাচ্ছে এই অভাগাদের জন্য কেউ না কেউ আছেন। কিন্তু তারা যে বিশেষ ভাবে নির্মিত লাল ড্রেসআপ লাল ক্যাপ পরে র‌্যালীতে নামলেন, সেটা দেখে কি মনে হবে এরা দুস্থ অনাথদের জন্য কাজ করছেন! হাহ্ কোনভাবেই না।
আরও একটা পরসিংখ্যান দেখুনঃ
বাংলাদেশে ৬ থেকে ১৬ বছরের মোট ৪ লাখ ২০ হাজার শিশু বাসাবাড়িতে কাজ করে। এদের শ্রমঘন্টা ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা। বাড়ির এঁটো বা উচ্ছিষ্ট খাবারই এদের ভাগ্যে জোটে। রাতে হয় বারান্দা অথবা রান্নাঘরে ঠাঁই হয় এদের। নেই চিকিৎসা ভাতা, নেই ছুটিছাটা। বেতন বাড়ারও কোন সুযোগ নেই। তার উপর আছে শারীরিক অত্যাচার। গত ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৬৪০ টি শিশু নির্যাতনের ঘটনা নথিভূক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩০৫ জন মারা গেছে। নিয়মিত-অনিয়মিত ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৭৭টি শিশু।

২০১৫ সালে চলমান ঘটনাগুলো নাই বা টানলাম! কারণ, এখনকার চলমান সকল তথ্য আশা করি আপনাদের হাতে আছে!

২০১২ সালের রিপোট টা একটু দেখেন!....যুগান্তর পত্রিকা থেকে

১২ জুন বিশ্ব শিশু শ্রম প্রতিরোধ দিবস। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) উদ্যোগে ২০০২ সালের ১২ জুন পৃথিবীতে প্রথম বিশ্ব শিশু শ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়। চলতি বছরে দিবসটির প্রতিপাদ্য হল Extend social protection : combat child labour. আমাদের দেশেও দিবসটি গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়ে থাকে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এ দেশকে এখনও শিশু শ্রমমুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি।

শিশু শ্রমের দিক থেকে বিশ্বের ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয়। দেশে তিন শতাধিক কাজে অন্তত ৭৪ লাখ শিশু নিয়োজিত। অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ৪৯টি কাজে নিয়োজিত ১৩ লাখ শিশু।
সরকারি হিসাবে, ৯৯ শতাংশের বেশি শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার আগেই প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ছে। ঝরেপড়া শিশুদের একটি বড় অংশ বিভিন্ন শ্রমের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।
২০১১ সালের সরকারি একটি জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। রিপোর্টে দেখা যায়, শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে শিশু শ্রমের প্রবণতা অনেক বেশি। শিশু শ্রমিকের মধ্যে মাত্র ১৫ লাখ শিশু শ্রমিক শহরে এবং ৬৪ লাখ রয়েছে গ্রামাঞ্চলে। শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আমরা কি তাদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে পারছি? এ বিষয়ে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে মানুষকে আগে সচেতন হতে হবে, তবেই দেশ শিশু শ্রমমুক্ত হবে।
২০১৫ সালের ১২ জুন http://www.risingbd.com/ এর প্রকাশিত এক রিপোটে ভারতে অবন্থান হল:
ইউনিসেফ জানিয়েছে, বিশ্বে পাঁচ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ১৫ কোটির বেশি। এর মধ্যে শুধু ভারতেই আছে ২ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশু শ্রমিক।

এমন জবরজং পরিসংখ্যানের বাইরে আরো আরো ঘটনা আছে, যা আমাদের মোলায়েম পেলব চোখে কখনোই ধরা পড়ে না। আমাদের বিবেকের আশপাশ দিয়েও এমন অত্যাচার আর নির্যাতনের খবরগুলো নিয়মিতই অদেখা চলে যায়। সংবাদপত্র আর বিভিন্ন জরিপটরিপের বাইরে আরো হাজার হাজার পথশিশু বা শিশু শ্রমিকের জীবন এভাবেই একটু একটু করে নরকের দিকে ধেয়ে চলেছে। আর আমরা, আমাদের সমাজ, আমাদের সরকার, আমাদের মনুষ্যত্ব, আমাদের বিবেক চোখে-কানে ঠুসি পরে এক ভয়ানক পাওয়ারফুল সেডেটিভ নিয়ে যেন গভীর তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে আছে।এবং অতি আবশ্যিকভাবে নিজেদের প্রবোধ দিচ্ছি…… জাস্ট ইগনোর এভরীথিং ফর পীস!! উই শ্যুড মেক আ বেটার চার্মিং সোসাইটি ফর আওয়ার নেক্সট জেনারেশন!!
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ১৪ বছরের নিচে শিশুদের ভারী শ্রমে নিয়োগ দেওয়া বেআইনী। এব্যাপারে সরকারের কোন মনিটরিংই নেই। শিশুদের নিয়ে যারা কাজ করছেন সেই সব সংগঠনেরও এমন কোন কর্মসূচী নেই যে তারা শিশুদের এইসব ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে পরিত্রাণ দিয়ে তাদের সহনীয় কোন কাজ দেবে। এই অসহ্য অমানবিক কাজ থেকে শিশুদের রক্ষা করার জন্য আমরা কি কিছু করতে পারি?তারা যদি কাজই ছেড়ে দেবে তাহলে খাবে কি? বাবা-মা-ই বা কি খাবে?
বার্তমানে এই পথশিশুদের নিয়ে কাজ করতে গেলেও অনেক ঝামেলা পোহতে হয় সংগঠন গুলোকে!

তাই আমরা এই রকম কিছু করতে পারি না??
১. আমরা অন্তত আমাদের বাড়িতে বা আমাদের কারখানায় কাজ করা শিশুটিকে হালকা শ্রমের কাজে নিয়োগ দিতে পারি।
২. বিষাক্ত কারখানা থেকে শিশুদের সরিয়ে এনে আমরা অফিসের টুকটাক কাজে লাগাতে পারি।
৩. আমার শিশুটির হাত ধরে তাকে যখন স্কুলে পৌঁছে দিচ্ছি, তখন যেন একটিবারের জন্যও এই হতভাগা শিশুদের কথা ভাবি। কারণ মানুষই সমাজ নির্মাণ করে। আপনার-আমার শিশুটির সাথে যেন ওরাও বেড়ে উঠতে পারে।
আর সেই আরাধ্য দায়িত্ব কি আমাদের উপরই বর্তায় না ? ( পাঠকদের কাছে প্রশ্ন?)

(তথ্য সূত্র হল: অনেক সংবাদ পত্র, ব্লগ, ফেসবুক, ওয়েবসাইট,বই)

ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন!
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০২
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৫ আগস্ট ২০২৪: জনঅভ্যুত্থান, নাকি নেপথ্যে ক্ষমতার আরেক সমীকরণ?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩


৫ আগস্ট ২০২৪: জনঅভ্যুত্থান, নাকি নেপথ্যে ক্ষমতার আরেক সমীকরণ?

একটি সরকার পতনের দিনকে আমরা কীভাবে পড়ব- জনতার বিজয় হিসেবে, নাকি রাষ্ট্রক্ষমতার নেপথ্যে ঘটে যাওয়া এক জটিল ক্ষমতা- হস্তান্তর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষের কবিতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট অবলম্বনে ২০২৬ সালের এক কল্পিত নতুন সংস্করণ)

অমিত রায় সম্পর্কে তার বন্ধু সহিস বলত, "অমিতের বুদ্ধির আলোটা সূর্যের মতো সবাইকে আলো দিতে আসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার সোভিয়েত শৈশব

লিখেছেন চারাগাছ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১





বাংলা ব্লগের জগতে সহব্লগাররা যারা আমাকে অনেকদিন ধরে চেনেন, তারা জানেন—আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।
শুনতে একটু অদ্ভুত লাগে, তাই না?

রাশিয়ায় আমি কোনোদিন যাইনি।

তবু আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।

আমার সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এটা একটা ফাকিবাজি পোষ্ট

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫



বাংলাদেশে একটার পর একটা বিষয়বস্তু সামনে আসে, আর সবাই সেটা নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। দেখে বিমলানন্দ অনুভবস করি। ''অনুভবস'' বললাম, কারন ছাত্রাবস্থায় আমরা বন্ধুরা কোন বিষয়ে ওভার-ক্যাজুয়ালি ফানি আলাপ করলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিকিৎসকের অবহেলা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২১



বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবিদের দৈনিক ডিউটি টাইম বা কাজের সময় কতো ঘন্টা? সমগ্র বাংলাদেশে, সমগ্র বাংলাদেশে যে কোনো সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারগণ দৈনিক কতো ঘন্টা ডিউটি করেন?

সরকারি হাসপাতালে পড়ালেখা করে, সরকারি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×