মোশাররফ করিম যে একটা অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে যাচ্ছেন সেটা শুনেছিলাম, কিন্তু সেটা যে প্রচারিত হচ্ছিল, জানতাম না! জানা গেল আন্দোলনের কারণে! এই ধরনের আন্দোলনকারীরাই তসলিমা নাসরিনকে লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে! বুঝে, না বুঝে তারা তসলিমার ফাাঁদে পা দিয়ে তাঁকে এমন একটা খ্যাতি এনে দিয়েছে, যে খ্যাতির যোগ্যতা আসলেই তার আছে কিনা, তা নিয়ে তর্ক করাই যায়।
ইউটিউবে মোশাররফ করিমের অনুষ্ঠানটা আমি দেখেছি, নারীর পোশাক নিয়ে করা তার অতি নাটকীয় মন্তব্যটা শুনেছি। এই মন্তব্য নিয়ে এত প্রতিবাদ করা, তা নিয়ে এভাবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে হাঁসফাঁস করা, ধুম করে মোশাররফ করিমের ক্ষমা চাওয়ার- আসলেই আমি কোনও কারণ খুঁজে পেলাম না! আর সন্দেহটা আমার ্এখানেই!
ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ভয় পার! বেশ কিছুদিন আগে দেশে হঠাৎ একটি ধর্ম গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন হলো, ঐ ধর্মের উপসানলয়গুলোতে হামলা চালানো হলো। পরে জানা গেল, এ ধর্মের নেতারাই তাদের বিরদ্ধে আন্দোলন করার জন্য লোক ভাড়া করেছিলেন। উদ্দেশ্য-সহানুভূতি বাড়িয়ে তাদের বিদেশী পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকে অর্থের প্রবাহটা বাড়ানো!
কিছুদিন আগেও একজন গুনী কণ্ঠশিল্পী স্বীকার করেছেন যে, নতুন মিউজিক ভিডিওর প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি ইন্টারনেটে একটি সাজানো ঝগড়ায় অংশ নিয়েছেন!
এই মুহূর্তে মোশাররফ করিম বাংলাদেশে সম্ভবত সবচাইতে জনপ্রিয় নাট্যাভিনেতা। কিন্তু তাঁর উপস্থাপনা আমার কাছে এক কথায় জঘন্য মনে হয়েছে। সামান্য মনযোগ দিলেই স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, তিনি এখানেও নাটকের মতো মুখস্ত সংলাপ বলে যাচ্ছেন। মাঝে মধ্যে অভিনয় হয়েছে কছুটা বাড়াবাড়ি টাইপের! সুতরাং এই অনুষ্ঠান আসলে, আমার দৃষ্টিতে এত আলোচনায় আসার উপযুক্তই নয়!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
