শুভেচ্ছা জানাই বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমকে এমন দুর্দান্ত খেলার জন্য।এ এক নতুন ইতিহাসই। এর আগে কখনোই পরপর দুটো ওয়ানডেতে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী কোনো দলকে হারায়নি বাংলাদেশ। এই প্রথম নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশের কাছে হেরে গেল পরপর দুটো ম্যাচে। এই নতুন ইতিহাস গড়ার দিনে নিউজিল্যান্ডকে সাত উইকেটে হারিয়ে দেশবাসীকে আনন্দে রাঙিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল।
সকালে টসে জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান সাকিব আল হাসান। সাকিবের এই সিদ্ধান্তে অনেকেই কপাল কুঁচকে ছিলেন। কিন্তু নিউজিল্যান্ড ইনিংসের চতুর্থ বলেই ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে ফিরিয়ে দিয়ে অধিনায়কের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করেন শফিউল। অধিনায়কের এই সিদ্ধান্ত আরও শক্ত ভিত্তি পায় বাংলাদেশি স্পিনারদের চমৎকার বোলিংয়ে। সোহরাওয়ার্দী তাঁর বাঁ-হাতি স্পিনের জাদুতে নাজেহাল করে দেন কিউই ব্যাটসম্যানদের। সোহরাওয়ার্দী ১০ ওভার বল করে ১৪ রান দিয়ে তিন উইকেট দখল করেন। অন্যান্য স্পিনাররাও চমত্কার বল করে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শেষ করে দেন ১৭৩ রানেই। সোহরাওয়ার্দী ছাড়াও সাকিব ৪৫ রানে দুটি, মাহমুদউল্লাহ ছয় রানে দুটি উইকেট দখল করেন। এ ছাড়া শফিউল, রাজ্জাক, রুবেল প্রত্যেকেই একটি করে উইকেট সংগ্রহ করেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে রস টেইলর ৬২ রান করলেও দলের রানকে বেশি দূর টেনে নিয়ে যেতে পারেননি।
নিউজিল্যান্ডের ১৭৩ রানের জবাবে বাংলাদেশ শাহরিয়ার নাফীস ও ইমরুল কায়েসের কল্যাণে বাংলাদেশ উড়ন্ত সূচনা করে। তাঁরা গড়ে তোলেন ১২৭ রানের উদ্বোধনী জুটি। শাহরিয়ার নাফীস ৭৩ ও ইমরুল কায়েস ৫০ রান করেন। ১২৭ রানের উদ্বোধনী জুটির কল্যাণে বাংলাদেশের বাকি ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা হয়ে যায় অনেকটাই সহজ। এরপর জুনায়েদ ১৪, রকিবুল ১৮ ও সাকিব ১৩ রান করে বাংলাদেশকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে নাথান ম্যাককালাম ৩১ রানে দুটি উইকেট দখল করেন। ম্যাককে নেন একটি উইকেট।
বল হাতে ১৪ রানে তিন উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের কোমর ভেঙে দিয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারটি ছিনিয়ে নেন সোহরাওয়ার্দী।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড ১৭৩ (৪২.৫ ওভার)
রস টেইলর ৬২, রাইডর ৩৩
সোহরাওয়ার্দী ৩/১৪, সাকিব ২/৪৫, মাহমুদউল্লাহ ২/৬
বাংলাদেশ ১৭৭/৩ (৪০ ওভার)
শাহরিয়ার নাফীস ৭৩, ইমরুল কায়েস ৫০
ম্যাককালাম ২/৩১, ম্যাককে ১/২৮
বাংলাদেশ ৭ উইকেটে জয়ী

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


