অনেক বড় হয়ে গেছো তুমি
তাই না বন্ধু?
শাখা-প্রশাখা ছেটে ফেলে একেবারে
পাল্টে ফেলেছ পুরনো ভাবমূর্তি,
নিজেকে বদলে ফেলেছ আমূল -
বানিজ্যিক বাগানে বেড়ে ওঠা বৃক্ষের মত।
বেড়ে উঠেছো গগন মুখী; পার্শ্ববর্তী বৃক্ষ-পল্লব সবাইকে ছাড়িয়ে !
ঠিক কতটুকু বড় হয়ে গেছ তুমি বলবে আমায় ?
উঠে গেছো তুমি ঠিক কতটুকু উচ্চতায়?
ছুয়ে ফেলেছো তুমি মেঘ কিংবা উঠে গেছো তারও উপরে !
কিংবা হয়ত আকাশের উচ্চতায় তোমার উড়ন্ত বিচরন;
মেলে দিয়েছো ডানা।
কিন্ত তুমি কি জানো ?
এই বেড়ে ওঠার সামনেই দাড়িয়ে আছে মৃত্যু !
উচুতে উঠতে উঠতে একদিন সম্মুখীন হবে অন্তিম সময়ের,
বড় হতে হতে হয়ে যাবে তোমার জীবনাবসান।
তারপর ?
কবরের গহীন গহ্বর !
দিতে হবে হিসাব- এই বাড়ন্ত জীবনের।
তাইতো আমি বেড়ে উঠতে পারি না ঠিক তোমার মতো।
স্রষ্টার সম্মুখে দাড়াবার ভয়ে মস্তক হয়ে যায় অবনত, ক্রমাগত।
তাইতো আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি মৃত্যুর।
প্রস্তুতি নিচ্ছি মৃত্যুপরবর্তী অনন্ত জীবনের।।
বিঃ দ্রঃ আমার একটা খুব ক্লোজ, একসাথে বেড়ে ওঠা কাজিনের হটাৎ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা উপলক্ষে জীবনের চিরন্তন বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে তাকে উদ্দেশ্য করেই কবিতাটি লেখা।

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




