চুরের মার বড় গলা গলা বলে একটা প্রবাদ আছে এটা শুধু দেশীয় প্রবাদ নয় বরং এটা যে একটা আন্তর্জাতিক সত্য আজকেই সেটা উপলব্ধি করলাম,আমার মনে হয়েছিলো আই,সি,সি হয়তো এই দুই আম্পেয়ারের বিরুদ্ধে নূন্যতম একটা ব্যাবস্থা হলেও নেবে হলেও খুশী একটুও হতামনা কারন আর যাই হউক বাংলাদেশ ক্রিকেট দলেরতো কোন লাভ হতোনা, আজ সারাদিন আই,সি,সি সম্পর্কিত বিভিন্ন লেখা পড়ে জানলাম যে এই ঘটনার দায় ওরা স্বীকারতো করছেইনা উলটা আরও বিভিন্ন নিতীকথা শুনাচ্ছে,এটাও মনে হয়েছিলো রেন্ডিয়ান এই টিমটা অনেক শক্ত তাদেরও অবশ্যই সে বিশ্বাস ছিলো যে আমরা যদি ক্রিকেটই খেলতাম কোনো ধরনের কুকর্ম ছাড়া তবুও জিতে যেতাম এসবের কোনো দরকার ছিলোনা,ওরাও এতো আত্ববিশ্বাসী ছিলোনা এতো বড় বড় তারকা খেলোয়াড় থাকা স্বত্তেও বুকের পাটা হয়নি অতোটা প্রশস্থ যে বাংলাদেশের সাথে স্বচ্ছ পদ্ধতী প্রয়োগ করে খেলে জিতে যাবে।
অনেক নামি-দামী খেলোয়াড় সুস্পষ্টভাবে অবস্থান নিচ্ছে ন্যায়ের পক্ষে বাংলাদেশের পক্ষে নয় কেউ কেউ এমনও বলেছে"ইন্ডিয়া জিতেছে কিন্তু বাংলাদেশ হারেনি"আসলেই বাংলাদেশের এই টিমটাকে ক্রিকেট খেলে হারিয়ে দেয়া এতোটা সহজ নয়,হবে এক হাত একবার,একটা ধবল পরিষ্কার দিয়ে দিলেই ল্যাঠা চুকে যাবে,ল্যাঠার দল তাদের সমুচিৎ জবাব পাবে,
মাশরাফীরা যেন সেটাই করে।
অনেকেই সাকীবের দোষ খোঁজছেন যেটা আমার খারাপ লেগেছে আসলে কারুরই কিছুই করার ছিলোনা আমার কাছে মনে হয়েছে ব্যাপারটা এমন করে সাজানো ছিলো যে যদি কোনো ব্যাটসম্যান মারমুখো হয়ে ওঠে তাহলে কোনোক্রমে ওর পায়ে লাগালেই আউট দিয়ে দেয়া হবে সাকীব যদি মাঠে থাকতোও তাহলেও কোন লাভ হতোনা।
কাউকে শান্তনা বাণী শুনিয়ে লাভ নেই শান্তনা-বাক্য যা,বিষ-বাক্যও তাই অন্ততঃ ভারত বাংলাদেশের এই ম্যাচটার ক্ষেত্রে তাছাড়া কে কাকে শ্বান্তনা বাক্য শুনাবে সবাই স্তব্ধ,সবাই বাকরুদ্ধ!
তবুও দুই একটা আশার আলো দেখি,আমি দেখেছি মাশরাফিরা আমাদের সবাইকে নাড়া দিতে পেরেছে,সবাইকে এক যায়গায় নিয়ে আসতে পেরেছে বহুদিন হয় এই জিনিসটা হচ্ছিলোনা সবাই এখন একটাই চিন্তা করছে সবাই এখন একটা বিষয়কে নিয়ে একই এঙ্গেল থেকে বিচার করছে আর সেটা হলো ১৯ তারিখের বাংলাদেশের হার কেউই সেটা মানছেনা সহজ করে।
পরিশেষে শুধু এটুকুই বলবো প্রকৃতির হিসাব বড় নির্মম এটা দূর্বলের কথা নয় চিরন্তন সত্য,আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে যা করবেন তারই প্রতিফলন দেখবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





