কবিতায় স্মরণ
এইতো সেদিন আকাশের তারার মত উজ্জ্বল কিছু তারা হয়ে
এসেছিলাম অচেনা এই ক্যাম্পাসে বহুপথ মাড়িয়ে
প্রকৃতি ঘেরা ক্যাম্পাসের কিছু শোভা বর্ধন করতে
বর্ধন নাকি বিনাশ করেছি সেটি জানার মুখোমুখি আজ দাঁড়িয়ে।
নদীর স্রোতের মত গতি নিয়ে যেদিন প্রথম এসেছিলাম
একেছিলাম পদচারনায় মুখরিত ক্যাম্পাসে প্রথম পদচিহ্ন
পড়েছিলাম প্রথম সমাবেশে দেশকে গড়ার শপথ বাক্য
কতটা দিয়েছি দেশকে জানিনা, আগ্রহ উর্ধ্বে তা জানার জন্য।
হাঁসি আড্ডা আর নিরবতায় ক্লাসে কাটানো প্রতিটা ক্ষনে
গড়েছি ভালবাসার বন্ধনে ঘেরা এক সুখী পরিবার
তারি কর্তা হয়ে শাসন করেছে আমাদের গুরুজনেরা
কতনা করেছি বিরক্ত, দিয়েছি কষ্ট তারি জন্য ক্ষমা চাই শতবার।
অতি ভালবাসার বন্ধনে গড়ে উঠা কিছু খন্ড খন্ড চিত্র
আবার কিছু একাকী অভিমানী হতাশাগ্রস্থ মেধাবী মুখ
সবার পদচারনায় মুখরিত হয়েছিল প্রতিটা শ্রেনী কক্ষ
তারি বিদায়ের দিনে বিদায় বলিতে যেন কেঁপে উঠে বুক।
আমাদের সামান্য কিছু দেওয়া হয়তবা না তার ফর্দ বলিব না
অসীম ধাধার যে পাওয়া সেটাই আজ শুধু স্মরন করি
গুরুজনের নিঃস্বার্থভাবে দেওয়া জ্ঞানের রাজ্যে আমরা
প্রজা হয়ে যেন সবসময় জ্ঞান আহোরণ করি।
এক তরিতে পাল উঠিয়ে সেই একসাথে যাত্রা হয়েছিলো শুরু
মাঝনদীতে ছিড়ে যায় সেই পাল কিছু অপশক্তিতে
তারি ফলে কতনা বিষণ্ণ কতনা মনোমালিন্য ভেদাভেদ
তবে আজ ছেড়া পাল জোড়া লাগিয়ে চল একসাথে ঐ তরিতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


