ফরিদা। শিক্ষিত মেয়ে, ডিগ্রি পাশ করেছে। বেসরকারী সংস্থা এনজিওতে চাকরীও করেছে বছর খানেক। বিয়ে হয়েছে পাঁচ বছর হল। স্বামী প্রথমে সউদি পরে (বর্তমানে ) সিংগাপুর প্রবাসী।
বছর খানে ক যাবত সেখানে কাজ করছে তার স্বামী। ছোট একটা মেয়েও আছে ফরিদার। শশুর শাশুরীর সাথে থাকে ফরিদা। থাকে এক সাথে কিন্তু খাওয়া করে আলাদা। খুব ভদ্র মেয়ে ফরিদা। জান দিয়ে দিবে অন্তত সতীত্ব নষ্ট করবে না, এমনটাই মনে হতো তাকে দেখে। মনের শুন্যতা পুরনের লক্ষে তার কলেজ পরুয়া এক ছেলে বন্ধুর আহবানে সারা দিল ফরিদা। এদের সম্পর্কটা আগে থেকেই ছিল। ফরিদার স্বামীও জানে এ ঘটনা। স্বাধীনতার মানে এই নয় যে নিজের স্বতীত্ব বিলীন করে দেওয়া। সে ভুলটাই করেছে ফরিদা।
পুরনো বন্ধুর সাথে খুব বেশি ঘনিষ্ট হয়ে গেল ফরিদা। আমাদের সমাজে ভাবা হয় " একটা ছেলে কখনো একটা মেয়ের বনধু হতে পারে না।" সেটাই প্রমান করলো ফরিদা।
হাতে নাতে ধরা খেল একি কামরায় দোজনে। এলাকার মুরবি্বরা প্রশ্ন করলো, এটাই কি তোমাদের প্রথম মেলামেশা, নাকি?...........?
-হ্যা এটাই আমাদের প্রথম ভুল।
তাদের কথা আমার বিশ্বাস হয়নি। পরকিয়ায় কেউ প্রথম প্রথম ধরা খায় না। কারণ প্রথম বার খুব সাবধানে পা বাড়ায় তারা।পরবর্তিতে সাহস বেড়ে গেলেই ভুলটা করে ফেলে। এরা আগেও এমনটা করেছে।
দোষ দেব কাকে? ওর স্বামীকে নাকি ফরিদাকে, নাকি সেই বন্ধুকে?
টাকা কামাতে গিয়ে ফরিদার স্বামী প্রবাসে আর ফরিদা নিঃসংগ, তার মন এখন শুন্য ।অপর দিকে ফরিদার বন্ধুর ফরিদার দূর্বলতার সূযোগ গ্রহন।
ফরিদা তার একাকীত্ব কাটানোর জন্য হয়তো তার বন্ধুকে এত কাছে আসার সুযোগ করে দিয়েছে। ফলে আগুনের স্পর্শে মোম গলে গেছে বা মোমের কাছে আগুন আসায় মোম গলে গেছে।
এলাকার মুরবি্বরা বললো উভয়ের শাস্তি হল এদের বিয়ে দেয়া উচিৎ। কিছু বিজ্ঞ লোক বললো না এতে আমাদের সমস্যা হতে পারে, যেমন ফরিদার স্বামী এখন সিংগাপুরে। সে এসে যদি বলে আমার বউ যা তা করেছে তাতে তোমাদের কি? এখন আমার বউ ফিরিয়ে দাও।
সবাই তাতে সম্মত হল। এদের বিচার হবে ফরিদার স্বামীর মত পেয়ে।
দেখার বিষয় স্বামী কি বলে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




