গত পরশো সাইফুলের ফোন এল। বললো কেমন আছ? পরিচয় না দেওয়ায় আমি বললাম কে বলছেন? আমি সাইফুল।
সাইফুল? বললো হ্যা। তুমি কি এখন সউদিতে? বললো হ্যা।
আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছেনা।
দেশ থেকে আসার পর সাইফুলের সাথে আর যোগাযোগ করা হয়নি। সাইফুলের ফোন পেয়ে আমার একটা ঘটনা মনে পরে গেল। সেই ঘটনাটাই আপনাদের বলছি।
কথায় আছে না "বন্ধু শত্রু হলে তা হয় খুব ভয়ঙ্কয় শত্রু" । সেখান থেকেই শুরু। শরিফ ও আমাদের বন্ধুদের গ্রুপের একজন। হঠাত্থ একদিন এ শরিফ এ সাইফুল ঝগড়া লেগে গেল। কারণটা উদঘাটনে জানতে পেলাম। মূলে ছিল একটা মেয়ে, যাকে উভয়ে ভাল বাসতো।
এরা প্রায়ই মারা মারির মুখো মুখি হয়ে যেত, আমরা তাদের ফিরাতাম।
একদিন শরিফদের বাড়ির পাশে ছোট মেলা হচ্ছিল। সেখানে আমরা সবাই গিয়ে ছিলাম। আমরা তখন প্রায় ১৪ জন বন্ধু মিলে মেলার বিভিন্ন জায়গা পদক্ষিন করছি। মাঝে কখন যে সাইফুল আর শরিফ আলাদা হয়ে গেছে তা বুঝতে পারিনি।
তখন আমরা বাকি বন্ধুরা মিলে বাদাম কাচ্ছি আর বিভিন্ন কৌতুকের মত ঘটনা বলে হাসা হাসি করছিলাম। হঠাত্ত করে শুনলাম মানুষ দৌড়া দৌড়ি করছে। একজনকে জিঙ্গাসা করলাম, ওখানে কি হয়েছে? বললো চোর ধরেছে। আমরাও গেলাম চোরকে পেটাতে।
পেটাতে গিয়ে দেখি। এতো আমাদের সাইফুল। তার পর লাগলাম পাবলিককে মার থেকে সরাতে। তাকি পারা যায়। চোরের মাইর বলে কথা। যাকে বলে পাবলিক মাইর। অনেক কষ্টে তাকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করলাম।
আসল ঘটনা হল, এ দোজন সেদিন ও কথা কাটা কাটি করতে হাতা হাতি তে লেগে গেল। তাদের ফিরানোর কেউ ছিল না। তাই ব্যাপারটা বড় হয়ে গেল। শরিফ কি করেছে, চিত্তকার করে বললো চোর ধরেছি, চোর ধরেছি।
বুঝতেই পারছেন তার পর কি হয়েছে।
ঘটনাটা যেমন কষ্টের তেমনি হাসিরও। বন্ধুকে চোরের মাইর খেতে হয়েছে। যেখানে আমরাও গিয়ে ছিলাম চোরকে মাইর দিতে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




