চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় । দেশের 39 টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ।এ বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম দিয়েছে দেশের অনেক জ্ঞানী গুণী ব্যক্তি ও বুদ্ধিজীবীদের।
দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মত এখানে ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় । কিন্তু সেই ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আছে
নানান মহলে অনেক প্রশ্ন ও সমালোচনা এবং তা সত্য এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই ।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিফটি পার্সেন্ট স্টুডেন্টস ফেইক এবং অবৈধ ।মেধার জোরে চান্স পায় কিছু সংখ্যক ছাত্র ।
কারণ ভর্তি পরীক্ষা হয় চরম ত্রুটিপূর্ণ ও জালিয়াতির মাধ্যমে ।সেখানে নির্দিষ্ট কোন সিট প্লান থাকে না ।বলা হয় একশ থেকে দুইশ এই রুমে বসবে । তাই শিক্ষার্থীরা সুযোগ পায় পাশাপাশি বসে ওএমআর চেন্জ করার ও প্রশ্নপত্রে আন্সার দাগিয়ে দেয়ার ।
এছাড়া পরীক্ষার সময় জমজমাট হয় ফ্রক্সিবাজদের ব্যবসা ।20থেকে 50 হাজার টাকায় পাওয়া যায় পছন্দের সাবজেক্ট ।পরীক্ষার হলে নাই কোন কড়াকড়ি ।
পরীক্ষার আগের রাতে কিংবা হলে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় উত্তরপত্র । সেটার আবার সিন্ডিকেট আছে এবং তা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের দ্বারা ।
বলা হয় এই চক্রটি সংশ্লিষ্ট ফ্যাকাল্টির ডিন কিংবা উচ্চপদস্থ কোন কর্মকর্তার সাথে কনট্রাক্ট করে প্রশ্ন বের করে । এবং তা বিক্রি হয় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ।
এভাবে প্রশ্নপত্র নিয়ে কিংবা ফক্সি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হয় অসংখ্য ছাত্র । যার কারণে প্রকৃত মেধাবীদের মূল্যায়ন হয় খুব কম ।
এ সব ঘটনা চট্টগ্রাম অঞ্চলে মোটামুটি ওপেন সিক্রেট ।তারপর ও নেওয়া হয় না কোন ব্যবস্থা ।কারণ ধারনা করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও এসব জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ।
গতকাল পত্রিকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একটি রিপোর্ট হয় টেন্ডারবাজি ও সেশন জেম নিয়ে তখন আমি বলতে বাধ্য হই যারা মেধার জোড়ে নয় এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয় তারা এসব কাজ ছাড়া আর কিই বা করবে ...?
আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষেের বোধোদয় হবে প্রশাসন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবে এবং প্রকৃত মেধাবীদের মূল্যায়ন করবে ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




