সম্প্রতি একটি ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা সমালোচনা ও পর্যালোচনা চলছে।কেউ পক্ষে আবার কেউ বিপক্ষে যুক্তি দেখাচ্ছে।কেউ ধর্ষিতা নারীদের কেউ ধর্ষকের আবার কেউই মিডিয়ার অতিরিক্ত বাড়াবাড়িকে দোষারোপ করছে।
আমি ধর্ষণের পিছনে তিনজনকে দায়ী করব।নারী পুরুষ ও মিডিয়া।এসব কিছুই পুঁজিবাদের ফল।আমি কোন ভাবেই ধর্ষণ কে সমর্থন করিনা।ইন ফিউচার করবওনা।
বর্তমান সমাজে নারীরা নারীবাদীদের কারণেই ধর্ষিত হচ্ছে।পোশাক একটি গ্রেট ফেকটর।যদিও এটা নিয়ে বিতর্ক আছে।তবে এটা নিশ্চিত বলা যায় যে,শালীন পোশাক নারীদের কে ইভটিজিং ও ধর্ষণের মত ঘটনা থেকে রক্ষা করবে।
পুরুষদের নোংরা মানষিকতা ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন ধর্ষণের পিছনে ইন্ধন জোগায়।আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও নীতি নৈতিকতা হীন পোস্ট মডার্ন সোসাইটি তে ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটবে এটাই স্বাভাবিক।
বর্তমান বিশ্বে পুঁজিবাদের জয়জয়কার।আমেরিকার নেতৃত্বাধীন পাশ্চাত্য সমাজ পুঁজিবাদের কর্ণধার।এই সমাজে প্রতিটি জিনিষকে পণ্য হিসাবে বিবেচনা করা।কালক্রমে নারীরাও পণ্য হয়েছে।বিজ্ঞাপনে নারী না থাকলে পণ্য বিক্রি হয় না।আরবান এরিয়াতে ধর্ষণের ঘটনা বেশি গ্রামীণ সমাজে কম।কারণ গ্রামীণ সমাজে এখনও নৈতিকতা আছে,ধর্মীয় মূল্যবোধ আছে।পুঁজিবাদের প্রভাব কম।নারীরা শালীন পোশাক পরে।
শহরে ক্যাপিটালিজম ও কালচারাল আগ্রাসন বেশী।ইচ্ছার স্বাধীনতা ও সমানাধিকারের নাম দিয়ে নারীরা ধর্মীয় মুল্যবোধের বাইরে গিয়ে অশ্লীল এক সমাজ তৈরি করেছে।ফলে ফ্যামিলি ব্রেকডাউন হচ্ছে।মিউচুয়াল ইন্টারেকশন কমে যাচ্ছে।
দুই জনের সম্মতিতে হলে ধর্ষণ হয় না ইচ্ছার বিরুদ্ধে করলে ধর্ষণ হয়।অদ্ভুত সমাজে বসবাস করছি।ধর্মীয় রুলসের বাইরে গিয়ে করলে সেটা ইচ্ছাই হোক বা অনিচ্ছায় হোক সেটাকে ধর্ষণ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করতে হবে।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে ও গোপনে যে পতিতালয় আছে সেখানে প্রতিদিন যে অনৈতিক কাজ হচ্ছে তা ধর্ষণ হিসাবে বিবেচনা হবে না কেন ?? মিডিয়ার কেন এগুলো নিয়ে তেমন আগ্রহ নাই কেনই বা রাষ্ট্র এগুলো বন্ধে ব্যবস্থা নেয় না ??? সমাজ ও বা কেন এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার নয়।এখানে প্রতিটি মুহূর্তে ধর্ষণ হচ্ছে বাট সেটা দুই জনের সম্মতিতে।
বিচার না পেয়ে হযরত আলীরা আত্মহত্যা করলে মিডিয়ার কিছুই হয় না।আর হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা ধর্ষিত হলে তাদের ঘুম আসে না। এই অবস্থা দেখলে হযরত আলী তিনবার আত্মহত্যা করত।
পরিশেষে বলব নৈতিক শিক্ষা ধর্মীয় মূল্যবোধ শালীন পোশাক ও আত্ব সচেতনতাই পারে ধর্ষণ নামক জঘন্য ঘটনা থেকে রক্ষা করতে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০১৭ রাত ১২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




