somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বৈশ্বিক মন্দা মোকাবেলায় আমাদের করণীয় ।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

করোনার সংক্রমণে আরেকটি দুর্যোগের অপেক্ষায় পুরো পৃথিবী।।

দুর্ভিক্ষ গরিবদের করোনা ভাইরাসের পূর্বেই লাশ বানিয়ে ফেলবে।।

খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৬.৬ মিলিয়ন অর্থাৎ ছেষট্টি লক্ষ লোক চাকরিচ্যুত হয়েছে।।
অবশ্য তাদের সরকারের ক্ষমতা আছে এটা পুনরুদ্ধার করার, তবে সম্ভাবনা কিছুটা ক্ষীণ এজন্য যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান রপ্তানি খাত অস্ত্র বিক্রি পুরোটাই বন্ধ।।

অন্যদিকে পৃথিবীর অন্যতম শস্যভাণ্ডার আফ্রিকাতে পঙ্গপালের আক্রমণে সব ফসল নষ্ট হয়ে গেছে, এবং দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে গেছে।

আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়াতে এ সময়ে লাসা ভাইরাসও ভয়ংকর হয়ে উঠছে, যা ইবোলার মত আফ্রিকাকে আবারো ধ্বংস করে দিতে পারে।

ভারতে লক ডাউনে উৎপাদন বন্ধ, জাপানে জরুরি আইন চলছে তাও উৎপাদন বন্ধ।
ইউরোপের উপর পুরো পৃথিবী নির্ভর অথচ সে ইউরোপ নিজেই নির্ভার হয়ে আছে।

অস্ট্রেলিয়া বিগত কয়েক মাস ধরে চলা দাবানলে বিপর্যস্ত।

বাংলাদেশেও বেসরকারি কর্মী ছাটাই, বেতন কর্তন, অবৈধ প্রবাসীদের বাধ্যতামূলক দেশে ফিরিয়ে আনা,
পোশাক খাতের রপ্তানি ধস, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম উৎপাদন হওয়ায় বাংলাদেশ পুরোটাই অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
চরম দারিদ্র্য ও দারিদ্র্য এ দুই শ্রেণিতে বাংলাদেশের এক কোটি লোক রয়েছে যারা উৎপাদন খাত ও দৈনিক মজুরির উপর নির্ভরশীল।।

পৃথিবীব্যাপী এ সংকট উত্তরণে বাংলাদেশক পরনির্ভরশীল না হয়ে এখন থেকেই উৎপাদন শুরু করতে হবে।।

কোনো প্রকার অনাবাদি জমিকে ফেলে রাখা চলবে না।।

প্রধানমন্ত্রী নিজে একথা জোর দিয়ে বলেছেন।।
কেননা পৃথিবীর ভৌগোলিক অবস্থান গত কারণে বাংলাদেশ অন্যতম এক দেশ যেখানে বছরের সব ঋতুতে ফসল উৎপাদন করা সম্ভব।

ভাবুন তো একবার, শুধু মাত্র মসলা জাতীয় পেঁয়াজ সংকট আমাদের কতটা ভুগিয়েছে৷ সেক্ষেত্রে যদি পেঁয়াজের মত মৌলিক খাদ্য দ্রব্য চাল, ডাল, শাকসবজি, মাছ, মাংসে সংকট পড়ে তবে সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিণতি কি হবে?

খাদ্যসংকটের ফলে মানুষ ক্রমশ দুর্বল হয়ে যাবে, তখন সে উৎপাদনসহ বিভিন্ন কাজে শ্রম দিতে পারবে না এবং শারীরিক সক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে এবং রোগাক্রান্ত হয়ে অন্যের বোঝা হবে।।

আমাদের নিজেদের স্বার্থে এখনই উৎপাদনমুখী হওয়া উচিত, অন্তত জীবন ধারণের জন্য যা প্রয়োজন।।

সরকারের উচিত সামরিক বাজেট কমিয়ে তা কৃষিখাতে বরাদ্দ করা এবং ভূমির মালিকানা আছে কিংবা নেই উভয় পক্ষের জন্য প্রণোদনা ঋণ ব্যবস্থা করা।।
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিএনপির মূল্যায়নে বঙ্গবন্ধু কিংবা আওয়ামিলীগের অবদান শূণ্য। মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অবদান জামাতের॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৬



বিএনপি করার পূর্ব শর্ত কি? ইতিহাস বিচারে দেখা যায়, পার্ক মার্কিন প্রেসক্রিপশনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মিথ্যুক হতে হবে। আর সাথে রাজাকার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড হলে তো কথাই নাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২১

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?



জাতিসংঘে বিশ্বের সকল দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান হয়ে গেল ।
সেখানে শাসক, স্বৈর-শাসক ও গনতন্ত্রর বক্ততারা এক হয়েছিলেন । কিন্ত কোন ভালো সিদ্বান্ত
নিতে পেরেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×