somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছেঁড়া / ছেঁড়ী = বুড়া / বুড়ী

০৭ ই আগস্ট, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :







এইসব বিষয় নিয়ে সমাজে নানা কথা নানা প্রবাদ প্রচলিত আছে । বিশেষ করে তাদের চলন / বলন বদলে যায় । অনেকে বলেন বুড়া বয়সে মানুসের নাকি বুদ্ধি কমে যায় , তাই তারা সমাজের বোঝা হয়ে যায় । আবার শোনা যায় পুরানো চালের ভাতও বাড়ে । আবার শোনা যায় যুবক / যুবতীরাই সকল কর্মের সহায়ক । আবার কেউ কেউ বলেন মানুসের জীবনে নাকি ৪০ বসর বয়সের জীবনের মধ্যে , তার কর্মের সকল সফলতায় পৌছে যাবার কথা বা পৌছে যায় । শুনেছি তারাই নাকি সার্থক নারী / পুরুষ । বাদ / বাকী জীবন নাকি শুখ / সখ বা আনন্দ করার যথউপোযুক্ত সময়কাল ।
আবার মানুষের যৌবনকালে কতো স্মৃতি জড়িত থাকে , যাকে বলে সৃতি বিজড়িত অতীত । থাকে অনেক পদচারনা । আবার কখনো রহস্যময়য় তার অতিত কিংবা অনেক কিছু সৃষ্টির নমুনা যা যুগে যুগে কালের সাক্ষী হিসাবে বহন করে রাখে ইতিহাস । সেই মানুষের যখন বাদ্ধক্ক আসে , তখন তার একজনের সাহায্য প্রতিনিয়ত নিতে হয় বা দরকার হয় । যদি না পায় তাহলে তার সকল অতিত , তার কাছে বোধ হয় অসহায় মনে হয় বা ভুল বলে মনে হয় । যে জন্য বোধ হয় দেখা যায় অনেক সময় একজন ৭০ বসরের বুড়াকে , ৩০ বসরের ছুঁড়ীকে জীবন সঙ্গী হিসাবে বেছে নিতে দেখা যায় । তখন আবার কোনও কোনও সময় জাতকুলও মানেনা ।
আবার শোনা যায় , বুড়া কালেই নাকি স্বামী / স্ত্রীর প্রেম আরও গভীর হয় । এটা কি তার লালসার জন্য , না বাচার জন্য ? তাহলে কি তারা একে অপরের প্রতি , বেশী নির্ভরশীল হয়ে পড়ে তখন । তাই কন কনে শীতের মধ্যে যুবক / যুবতিরা ঝাপ দিয়ে পুকুরে গোছল করে । আর বুড়া / বুড়ীরা পুকুর ঘাঁটে বসে ঝেমে আর দেখে । আর অতিত মনে করতে থাকে শুধু । কোনও কোনও সময় দেখা যায় বুড়া বয়সে তার ছেলে / সন্তান , সহায় / সম্বল থাকা সত্তেও , তার কোনো কিছুর উপরই দখল বা ভোগ করার অধিকার থাকে না । যে জন্য তাদের কাউকে কাউকে যেতে হয় বৃদ্ধাশ্রমে বা পথে পথে । এমনকি জীবনও দিতে হয় । কি জীবন আমাদের , কি আমাদের পরিনতি । সবই রহস্যময় মনে হয় । জানিনা আমাদের ভাগ্যে কি পরিনতি ? তাই আমাদের জীবনে , সুখ / শান্তি / দুঃখ / আনন্দ / অর্থ / সম্পদ / ধ্বংস বা পতন পাশাপাশি বিরাজমান । তাই অনেকে বলে নগদ যা পাউ , হাত পেতে নাও । হয়তো সুযোগ / সময় , নাও পাওয়া যেতে পারে ।
একই অবস্থা , নারী এবং পুরুষদের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে কখনো কখনো । তাই গানেও আছে আইছিলাম ল্যাংটা হয়ে গেলামও ল্যংটা হয়ে । আবার প্রবাদেও আছে , বুঝবিরে ফেলি দিন গেলী ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ১১:০৮
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫


মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×