আমরা অরুপ ভাইয়ের "দুই বেড়ালের কাব্য" ব্লগে ছড়ার খেলা খেলে ছিলাম । বেশ মজা হয়েছিল (ইচ্ছে হলে ঘুড়ে আসতে পাড়েন) । আমি ছিলাম ওদের প্রতিপক্ষ । তাৎক্ষনিক প্রতিরোধের জন্য কিছু ছড়া লিখতে হয়েছিল । এখানে সেগুলো তুলে দিলাম । আমারও সংগ্রহে রইল । আপনাদেরও খারাপ লাগবেনা মনে হয় । আর অরুপ ভাই এবং হাসন ভাই সহজভাবে নেবেন আশা করি ।
হাসান-অরুপ দুই জনেতে খেলছে ভিষন খেল
একজনের চোখে চসমা অাঁটা আন্যজনার মাথা বেল ।
চসমা অাঁটা অরুপ বলে
শোন ওরে কত বেল
মাথা আমার ঘুড়ছে যে খুব
লাগবে খানিক তেল ।
কত বেল বলে ওস্তাদ আমি
লাফাচ্ছি তালে তাল
তেল এখন বল কোথায় পাব
দাওনা মাথায় জল ।
অরুপ বলে বেয়াদব তোর
সাহস দেখছি বেশ
মুখের উপর কথা বলিস
আজই তোর দিন শেষ ।
কতবেল ঃ
এই জন্যেই চাইনি আমি
হতে তোমার চেলা
জানি তুমি সুজোগ পেলেই
মারবে ভিষন ঠেলা ।
তোমার কথায় খেলতে এসে
হলাম আমি ভেড়া
এখন তুমি সেই আমাকেই
দিচ্ছ কেমন তারা ।
আর হবেনা সন্ধি জেনো
এই যে দিলাম আড়িঁ
চাট্টি-বাট্টি গোল করে আজ
এক্ষুনি ফিরব বাড়ি ।
আরুপ ঃ
কানা অরুপ কেন্দে বলে
রাগ করেনা ভাই
চুক্তি যদি বাতিল কর
আর যে রক্ষা নাই ।
নিজের ফাঁদেই ফ াঁসবো জেনো
হব কুপোকাৎ
তীর্থক হবে দ্্বীগবিজয়ী
করবে বাঁজীমাত ।
ঘাট মানছি কান মলছি
আর দেব না ঝাড়ি
এবার তবে লোক্খি সোনা
উইথড্র হল আড়ি ।
কত বেল ঃ
সে তবে বেশ সন্ধি হল
রাজা-প্রজা যত
আবার তবে জমুক খেলা
ঘড়ির কাটার মত ।
এবার তুমি চেলা হবে
আমি হব রাজা
দৌড়ে গিয়ে আনবে কিনে
কোলা ব্যাঙ ভাঁজা ।
আরুপ এবার উঠল ক্ষেপে
তাই বলে তুই রাজা
চাইনা আমি সন্ধি কোন
চাইনা হতে প্রজা ।
এমনি করেই রাজা-প্রজার দিন চলিছে বেশ
তীর্থক চায় শান্তি তাই, ঝগরা-ফ্যাসাদ শেষ ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



