কোনটা সঠিক জানি না, তবে আমার অবিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলাম।
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি Department এর Chairman একজন ছাত্রের সাথে কথা বলছেন,
-তুমি অন্য Department থেকে অনার্স করে, এখানে ভর্তি হয়েছো মাস্টার্স করতে?
-জী স্যার।
-আবার তোমার Department ও মাস্টার্স করতেছো?
-জী স্যার।
-কিন্তু ভার্সিটির Rules-এ নেই যে, একজন একই সময়ে দুটি মাস্টার্স চালাবে। তো এখন তুমি কি করবে?
-স্যার আমি এখন কী করবো আপনি যদি বলে দিতেন?
-তোমার Department এ মাস্টার্স করতে লাগবে এক বছর, আর এখানে লাগবে দুই বছর। আমি চাই না, যে সাবজেক্টে অনার্স করেছো, সেখানে মাস্টার্স করা থেকে বিরত থাকো। আবার ভর্তি যুদ্ধ পেরিয়ে এখানে ভর্তি হয়েছো, এখানে মাস্টার্স নিজের ক্যারিয়ার উন্নয়ন করবে এটাও চাই।
-জী স্যার।
আমি তোমার জন্য এতোটুকু করতে পারি যে, এখান থেকে তোমাকে রোলনম্বর দেওয়া হবে না। সেমিষ্টার শেষে তোমার রেজাল্ট আউট হবে না। কিন্তু তমাকে সকল ক্লাশ এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেওয়া হবে। তোমার মার্ক আনঅফিশিয়ালী রেকর্ড থাকবে। এক বছর পর তোমার মাস্টার্স শেষ করে, এখানে ভর্তি হয়ে পড়শোনা continue করবে।
-জী স্যার, থ্যাঙ্ক ইউ স্যার।
একই ভার্সিটির অন্য একটি Department এর Chairman ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলছেন,
-তোমরা ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছ, সেটি হচ্ছে appearing. কিন্তু সার্টিফিকেটে লিখা appeared এটা কী করে সম্ভব? appeared কে appearing করে নিয়ে আস, তারপর স্বাক্ষর করব।
-স্যার appearing লিখলে আমরা বি সি এস পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারব না, সেখানে চেয়েছে appeared সার্টিফিকেট। স্যার বি সি এস একটা দীর্ঘমেয়াদী পরীক্ষা। এটি শেষ হতে হতে আমাদের পরীক্ষা শেষ হয়ে রেজাল্ট বের হয়ে যাবে।এখন আপনি যদি একটূ consider করেন, তাহলে আমরা বি সি এস পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারব।
-দেখো বাবারা, “আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, আমি আমার নীতি বিসর্জন দিতে পারব না”।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


