somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

আমার পরিসংখ্যান

আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

স্ব-লন্ঠন ও কানা মুন্সীর দোকানদারী

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৪

“…those whose thinking and teaching go no farther than acknowledge and exposition of rhyme schemes, scansions, authors, story and even style of a poem are almost certainly missing the true essence of poetry”- P.Gurrey. [The Appreciation of Poetry]





আমি তো স্কিৎজোফ্রেনিয়া রোগী, সৃষ্টির প্রথম নদী পীশোন তীরে বসবাসরত এক কুঁজো বুড়ি... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ২৪৪ বার পঠিত     ১ like!

বিধুন্তুদ

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৪৪

ডোরবেল গুলোর পাশে রাখা থাকে মুঠো ভরা স্থবিরতা
অনুবাদ করি টিপকল থেকে ছিটকে আসা জলঘোড়া
ছায়ানাদে জমে যায় পূত কৃকলাস
মৃদু বিতথ ছলে- কৌশলে বেহুদাই মনে লাগে
মগজে ছড়াচ্ছে মধু
মগজে ছড়াচ্ছে মধু
দান্তিক্রান্তি ক্ষণে হারিয়ে পীনশরীরী, আংগুলে সহসা বাড়ে রিং
পাড়ি দিচ্ছে কোথাও ঈশ্বর এক ছিনাল মাঠ। বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ১১৯ বার পঠিত     ০ like!

দীক্ষা

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ১৫ ই মার্চ, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০২

চাপ ও তাপের সম্পর্ক বুঝাতে গিয়ে ফিজিক্স ম্যাডাম আমাকে দেখিয়েছিলো পাঁজরের তিল। বলেছিলাম, সবে মাত্র খোলস পাল্টানো সাপ আমি। তিনি জানতেন, পৃথিবীর সব'চে নিবিড়তম সঙ্গম সারে সাপের জাত। আর আমি জানি, হংসচঞ্চু জানে শামুকের খোলস ভাঙ্গার কৌশল।



* বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১৫৮ বার পঠিত     ০ like!

লাল জিভ

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ০৩ রা মার্চ, ২০১৫ রাত ৩:০৪

বান্ধব হে, মাংস-হাড় ফেলে রেখে চলেছো অনন্ত গান্ধারের পথে। জিকিরের বন হতে শাদা জন্তু এসে শুয়ে গেলো পাশে। নয় সে কোন অনুপকারজ্ঞ জন্তু! লাল জিভ বের করে চেটে নিলো রক্তনালী। পশ্চাতে জিভ লাল দেখেছিলাম মর্তের খর্পরে, ছদ্মবেশী সেবিকার হাতে।

চাকভ্রমী গোলকের হায়াহীন যোনীপ্রেম শুকে শুকে উগরেছো বমি। দেখে মারহাবা নিক্ষিপ্ত করেছো... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১১৬ বার পঠিত     ০ like!

ব্যাপ্তি

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৫১

আছি তার দিপীকাতল ছায়ায়
অধীর পার হচ্ছি নৌ-সংকেত
মায়ের মত চোখ
মা নয়
আর কি নরম সখ্যতা
ছলাৎ শব্দের সাথে
অথচ নিঝুম
নিজস্ব কুয়োয় নেমে যাচ্ছি শূন্যতা ভেঙ্গে ভেঙ্গে

আহ পতন!
দেখি ক্রমশ কম্পমান রশ্মি ছোট থেকে ক্ষুদ্রকায়
সরে যায়
সরে যায় দূরে...
তিমির সঙ্গমতার আড়ালে... বাকিটুকু পড়ুন

১ টি মন্তব্য      ১০০ বার পঠিত     ০ like!

শতরূপ পতিতোদ্ধার

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৭

অন্ধকার কুলুঙ্গি পেরিয়ে সেও এক দেহোদ্ভুত

ধূমপায়ী ফুসফুসে ঢুকে পড়ে

এ সংযোগ হতে পারতো কোন অপবর্গীয় দাগ

মুখচোরা শতাব্দীর পাশে কোন ফাঁকা স্বর

অথচ প্রতিলিপি লিখা হল অনিন্দ্য শ্বাস

পরমায়ু আমার... ... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৯৮ বার পঠিত     ০ like!

স্তব্ধ ভাষা

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৫

দু- হাজার মাইল ফাঁকা হয়ে আছি
নিরুপদ্রপ রাতে কোন কফি সপ নেই
জ্যাকসন কিংবা দেহ রোজগারী নেই
ফাঁকা হয়ে আছি হিমজটিল উদ্মাদ ক্ষতিফোঁটায়
ডানা বানানোর সিরাপ-বোতল ভাঙ্গা টুকরো, কিছুটা সাইকোপ্যাথ
সমস্ত রেডিও নৈরাশ্যবাদ আত্মঘাতী নারী ও বাকী থাকা রুইতনের চাল...

অর্ধেক স্ল্যাং হয়ে উড়াচ্ছি সিগারেট
নোনাধরা চোখে ছন-মাটির বাড়ি, হলদেটে হাওয়া-বাতাস
ফাঁকা হয়ে আছি স্তব্ধ ভাষার কবিতা। বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১২৪ বার পঠিত     ০ like!

জন্মার্জিত ভায়োলিন

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫১

দেখাও বন্ধু, আকাশস্থ পিলসুজ
থেসিয়ান দস্যুদের তর্কাবিধান
সুরা বাঁক ও শপশপ্যা ময়ূখ

বৃথাবাদী খোলসের পাশে উদ্যত চাবুকের হাসি
বিতথ পুষ্প আর মর্মরে বিভ্রান্তি-
তোমার যান্ত্রিক শহরে বাজাচ্ছি আমার জন্মার্জিত ভায়োলিন
দেখাও বন্ধু, অনন্ত ঘুমের শুনশান ...
ব্রক্ষ্মপ্রাপ্তির দুই'কদম রাখি। বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১১৪ বার পঠিত     ০ like!

*মন্বন্তর

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৪০



মাঠের ফসল তরজমা করে চলে সুমেরু পর্বত, মৃদুল ঘাসে ঢেকে যায় পুরনো পথ। বসতবাঢী পানে দুলে যায় বিভা পানসী; মাটির গান। রীতি রেখায় পরিঘ-পূর্ব সময়। পলকহীন চেয়ে থাকা সুরামগ্ন মনোহর লতা; ঘরের মধ্যভূমি জানে গোপন সম্পদের কথা। কোন বিজাতির কাছে গিয়ে আনন্দ মাগন? দিৎসার পানে চাতকী চাহন! দিনহীনের শানকে শ্বেতখদি... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৯২ বার পঠিত     ০ like!

ঝিনুক

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩৮

তবু ডাকহরকরা মাঝে মাঝে রাত চিড়ে যায়, ঘোড়ার গাড়িতে আসে রাষ্ট্রমাতা। প্রাচীন কায়দায় বসে থাকা বুড়ো বাউল-দোতারায় সিঁধ কেটে প্রবেশ করেছে দস্যি বাদক। মফস্বলের মেয়ে, লেইস ফিতা মনে এলে বড়জোর জেমসের গান। স্বল্প-দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রের মত বাস যাত্রী'র শ্বেত-শ্রী মুখ, চোখে লেগে থাকে; সেও কী জানবে আমি কবি! দু-টাকার নোটে লিখে... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৮৬ বার পঠিত     ০ like!

সাইকেল*

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩৭

কেন যে ভাবি দম্ভ নেই, বয়স বালকের হাঁটু ছিঁড়ে শেখা সাইকেল এখন শূন্যে উড়ছে। আর উঁচুতে তাকাতে তাকাতে আমি পড়ে যাচ্ছি খাদে, রাস্তার কিনারে। অদৃশ্য প্যাডেল শ্রমে হয়ে যাচ্ছি লবনাক্ত। সামনে এসে পড়ছে বিদ্যামশায়, কখনও মক্তবের মান্যবর, পিতৃ সৎ-ভাই ... এসে যাচ্ছে দু'একটা বন মোরগ, দুধশাদা পথ-কুকুর...

দ্বিচক্র ঘূর্ণিতে শিস বাজতো... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৮৬ বার পঠিত     ০ like!

মানুষ ভেবে নিজেকে

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩৬

প্রসস্ত ধানখেতের মধ্য দিয়ে ছুটে যাওয়া রাস্তা ধরে সপ্তাহের শেষ দিনে বাবা বাড়ী আসতো, সাথে গঞ্জের কমলা লেবু। খোসা ছাড়িয়ে কোষমুখে দিয়ে এলিট ফ্যামিলির ভাব ধরতাম। আর দশ কোষের এক আধটা হয়তো তাচ্ছিল্য ভরে খেতে দিতাম ভাইবন্ধু সমবয়সীকে। তাতেও যে একটা অহংকার বেশ ফুটে উঠতো না, তা নয়।

গঞ্জের জুতো পড়তাম,... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৮১ বার পঠিত     ০ like!

সস্তা-সেন্টিমেন্টাল

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩৫



লংকান সৈকতে সাঁতার পরিচ্ছদে সানবাথ সারা কালো মেয়েগুলোকে দেখলেই কেন জানি তাদের সিঁথি-সিঁদুর পাঠ দিতে ইচ্ছে জাগে। পাঁচ ফুটের শরীরে বারো হাত কাপড় প্যাচিয়ে দিয়ে মা-কালী ডাকার সাধ নেশার মত ঢুকে পড়ে মস্তিস্কের ঘরে। হে আদম আগমনী দেশের মেয়েলোকগণ, ভগবানের দিব্যি। বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৭১ বার পঠিত     ০ like!

অনাড়ম্বর মৃত্যুযজ্ঞ

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৬



বিষ পিঁপড়ের সারির ভেতর তুমি কী করছ?
মৃত্যুর অপেক্ষা?
চন্দ্র মাসের অর্ধেক রাত উড়ে গেছে পেঁচাদের মন্দ ডানার হাওয়ায় !
যুদ্ধে যাওয়া হ্রেসা রব ফিরে এলে ঘোড়াশালে-
রঞ্জিত বর্মে দেখতে পাও বাগ'ব্রজ চিত্র !

একজোড়া শীতল চোখ ডাকছে তোমায় .…

অগ্নিক্ষয়সূত্র পাঠ করছে সভাকবি, মহতী উল্কার পৃষ্ঠে তোমার ভাগ্যরথ।
সুরাপাত্রের তরল ছায়াচিত্রে ধূর্ত তীরন্দাজকে দেখে
জীয়ন্তের ক্ষেত্রফল হতে... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ৯১ বার পঠিত     ০ like!

বিচিত্র বল্কল

লিখেছেন নৈরিৎ ইমু, ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:১৮



অবন্ধ ঋতু প্রেমিকা অতিশিশু গ্রাম।

বংশী পথের ধারে ফুটে থাকা ললিত ফুল,

বেশীভাগ লালচ-এর কথা মৃন্ময় ভাস্কর হয়ে উঠে সহসায়।

বৃক্ষ ছিন্ন উদোম পাতারা জলমুখী হতে চায় নাওনের তরে;

আর বায়ু বক্ষোজে লেগে যায়... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১০১ বার পঠিত     ০ like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ৩০৭৪ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ