যে সন্ত্রাষীরা এখন মাঠে নামতে পারছে না, তারা এক ভয়ঙ্কর খেলা খেলছে। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভেতরে কে কোন এলাকার, কোন বাসায় থাকে, কোন মেসে থাকে, সে তথ্য দিয়ে লোকাল থানায় সহোযগিতা করছে। পুলিশের সুবিধা হচ্ছে কম সময়ে নীরিহ ছাত্র ছাত্রীদের বাসা থেকে ধরে নিয়ে আসতে। ৭০ হাজার বেনামী কেস করেছে সারা দেশ জুরে। এখন ধরে ধরে শুধু নাম ঠিকানা বসানো।
'৭১ এ রাজাকাররাও তথ্য পাচার করছিল পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের কাছে। ডিজিটাল রাজাকাররা ডিজিটালি খেলা খেলছে। তথ্য পাচার করছে। কোথাও কোথাও আন্দোলনে যোগ দিয়ে সাধারনের সাথে মিশে যাচ্ছে। ছবি তুলছে, ভিডিও করছে আর সবার মত। তারপর ভেতরের মোটিভ জায়গা মত পৌছিয়ে দিচ্ছে। ঠিকানা পাঠিয়ে দিচ্ছে। সাধারন জনগনের এবং ছাত্র ছাত্রীদের সাবধান হওয়া দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০২৪ রাত ৯:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




