এ্ই বন রক্ষা করা যাবে না, কারণ ‘এটা শুধুমাত্র বামেদের আন্দোলন এবং এটি একটি রাজনৈতিক ইস্যু’। এই ত্বত্তে যারা বিশ্বাসী, আমি মনে করি তাদের কারনেই শেষ পর্যন্ত এই বন রক্ষা করা যাবে না। আর এমন বোধের কারনেই হয়তো সেলিব্রেটি লেখক, কবি, গায়ক, অভিনেতা বা আরো যারা যারা আছেন কেউ একটা টু শব্দ করছেন না বিষয়টি নিয়ে। এক কবিকে দেখলাম কেনো স্বাধীনতা পদকে তাকে আজো ভূষিত করা হলো না সে জন্য হাহাকারে ভরে ফেলছেন ফেসবুক। ভাবি, নিচে নামার আর কোনো সিঁড়ি বাকি আছে কিনা কবির।
এই বন রক্ষা করা যাবে না এই কারনে যে, বাম রাজনীতির বাইরে, শহর কী গ্রামে বিশাল যে তরুণের দল আছে তারা আজ তাসকিনের বোলিং একশন নিয়ে বেশ চিন্তিত। যদিও এটা চিন্তা করার একটি বিষয় এবং হয়তোবা গেলো বিশ্বকাপের পর ভারত আর অস্ট্রেলিয়ার মোড়ল গিরির আরেকটি রুপ আমরা সহসা দেখতে যাচ্ছি। কিন্তু ক্যাপ্টেনতো বারবার বলেছিলো তারা শুধুমাত্রই বিনোদন দাতা, এর বেশি কিছু নয়। ক্রিকেট শুধুই একটি বিনোদন। এটা দেশপ্রেম না।
এই বন রক্ষা করা যাবে না এই কারন যে- খেলাই সব কিছু নয় এ বিষয়টি মানুষকে বোঝানোর, চিন্তা করানোর অথবা দাবি আদায়ে কঠোর থেকে কঠোর কর্মসূচি দিয়ে তরুণদের মাঝে আস্থা তৈরি করার যে কাজগুলো করার কথা ছিলো পলিটিকাল এক্টিভিস্টদের, তারা তা করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। কাজেই তরুণদের একচেটিয়া অভিযোগের আঙুল তোলার আগে আয়নায় নিজের মুখটা দেখাও উচিত। আর তা পারেনি বলেই আজ এতো হতাশা এবং শঙ্কা। তবু চাই অন্তত এবার সুন্দরবন থেকে ফিরে রাজনিীতিকরা সে ভূল ভাঙাবেন...!
সবশেষে, সিডরে সুন্দরবন আমাদের কী উপকার করেছে সেটা উপলব্ধি না করতে পারলে হঠাৎ হঠাৎ একটা বনের জন্য মন খারাপ হয়ে উঠবে না, চোখ ছলছল করবে না, অস্থির লাগবে না লংমার্চে না গিয়ে অফিসের চেয়ারে ঘন্টারপর ঘন্টা বসে থাকতে। সবই বোধের বিষয়। গ্রামের মানুষদের না পারি, প্রতিদিন সেলফি, নামিদামি রেস্টুরেন্টে হ্যাঙ্গ আউট করা শহুরে তরুণরা একটু জাগলে আন্দোলনের গতি অন্য দিকে মোড় নিবে এটা আমার বিশ্বাস।
লংমার্চ সফল হোক......
বিঃদ্রঃ যশোরে আজ বাধা দেয়া হয়েছে.... নাশকতার অযুহাতে....! তবুও নেতৃবৃন্দ লংমার্চ চালিয়ে যাবার ঘোষনা দিয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ৮:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




