somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মি. কেনডল’স্ কোকো-নাট

২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মি. কেনডল মেলা থেকে একটি নারিকেল জিতলেন। তিনি চিন্তা ভাবনা কোরে একটি নারিকেলে পার্টি স্থির করলেন। তাঁর বন্ধুদের এই পার্টিতে দাওয়াত দিলেন। কিন্তু একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলো এই পার্টিতে।

মি. কেনডলস্ নিজেকে নিয়ে অনেক অহঙ্কারী ছিলেন। তিনি অক্-ট্রি গ্রামের মেলায় কোকো-নাট শাই থেকে একটি নারিকেল জিতলেন। এখানকার লোকটির হাতে একপেনি পরিশোধ করলে, সে নারিকেলের উদ্দেশ্যে ছোঁড়ার জন্যে তাঁকে চারটি নারিকেল দিলেন।
প্রথম বলটি কোনো নারিকেলের আশেপাশেও গেলো না। এটা খুবই বাজে একটি শট্ ছিলো। দ্বিতীয় বলটি কেবলমাত্র একটি নারিকেলের মধ্যস্থল স্পর্শ করতে পেরেছিলো। তৃতীয় বলটি ভুল পথে ছুটে গেলো এবং ওটা অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লোকের মাথার টুপি উড়িয়ে নিলো। পরে মি. কেনডল তার কাছে খুব দুঃখ প্রকাশ কোরে ক্ষমা চেয়ে নিলেন। তিনি চতুর্থ আর শেষ বল তুলে নিলেন। তারপর এটা ছুঁড়লেন।
তবে দুঃখজনক, তখন কাছেপিঠে কেউই ছিলো না আশ্চর্য হবার মতো যখন তিনি দেখলেন যে আঘাত কোরে সবচে’ বড় নারিকেলটি ফেলে দিয়েছেন আর ওটা মাটিতে পড়ে গড়াগড়ি খাচ্ছে! মি. কেনডল অসামান্য খুশী হলেন। তিনি এটা তুলে বাড়ী নিয়ে এলেন। সারাপথ জুড়ে চিন্তাভাবনা কোরে একটি অপূর্ব পরিকল্পনা স্থির কোরে ছিলেন।
তিনি একটি নারিকেলের পার্টি দিবেন। এটি অসাধারণ এক পার্টি হবে। অতিথিদের কোকো ড্রিংকস (চকলেট দিয়ে বানানো এক প্রকারের সুমিষ্ট পাণীয়) দিবেন, এটা ছাড়া ভাব জমিয়ে নারিকেল খাওয়ার কোনো অর্থই হয় না। একটি বড় নারিকেলের কেকও থাকবে, কিছু নারিকেলের আইসক্যান্ডি, আর নিখুঁত ভাবে টুকরো টুকরো কাটা নারিকেলও থাকবে বামপাশে, যেনো হাত ঘুরে এসে একটু একটু কোরে খাওয়া যায়। হ্যাঁ, বাস্তবিক এটি এক অসাধারণ কোকো-নাট বা নারিকেলের পার্টি।
যাইহোক মি. কেনডল নিমন্ত্রনের উদ্দেশ্যে নিজের লোক পাঠালেন। একজন গেলো স্কুইডল দ্য পিকসির কাছে। দ্বিতীয় জন গেলো পপ্ অফ দ্য বেলুন ওমেনের কাছে এবং তৃতীয়জন গেলো মি. ক্রিংকলের কাছে, তিনি পোস্ট অফিসের বাইরে শান-বাঁধানো পাকা রাস্তার ছবি আঁকছিলেন।
মি. কেনডলের নারিকেলের কেক বানানো কাজ শেষ। এটা দেখতেও খুব সুন্দর হয়েছে। এর ভিতরে আর উপরে ছড়ানো আছে কুচিকুচি নারিকেল। তারপর তিনি বানালেন নারিকেলের আইসক্যান্ডি- কিছু গোলাপী আর কিছু শাদা রঙের। মি. কেনডল চেখে দেখলেন যে এর সাধ হয়েছে অপূর্ব।
সবকিছুর পরও অর্ধেকটি নারিকেল বেঁচে গেলো। সুতরাং এটা তিনি পরিচ্ছন্ন ভাবে সঠিক মাপে ছোট ছোট টুকরো কোরে কাটলেন আর সম্পূর্ণ উম্মুক্ত জানালার সামনের একতাকে বিকালে আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে একটি প্লেটে সাজিয়ে রাখলেন।
যেসময় ওরা আসলেন তখন মি. কেনডল তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সবুজ আর লাল রঙের স্যূট পড়ে আর পায়ে চকচকে জুতো গলিয়ে ওদের অভিনন্দন জানাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
‘নারিকেলে পার্টিতে স্বাগতম!’ বললেন তিনি। ‘আমি তোমাদের দেখা পেয়ে খুবই খুশী হয়েছি। আমি মেলা থেকে একটি নারিকেল জিতেছি। সেই জন্যেই এই পার্টি আমি দিয়েছি।’
‘তুমি কতো চালাক!’ বললেন স্কুইডল দ্য পিকসি।
‘তুমি নিশ্চয়ই ভালো লক্ষ্যভেদ করেছো!’ বললেন মি. ক্রিংকল।
‘অসাধারণ মি. কেনডল!’ বললেন মিসেস পপ। তাঁর øেহময়ী মিষ্টি লাল চেহারার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লো সুস্মিত আলোকরশ্মি।
মি. কেনডল খুব খুশী হলেন। তিনি ভাবলেন তাঁর বন্ধুরা মানুষ হিসেবে কতো চমৎকার। সবাই নারিকেলের কেক, মগভর্তি গরম কোকো আর নীল ডিশে সাজানো আইসের সামনে আসন গ্রহন করলেন। জানালার সামনের তাকে রাখা টুকরো টুকরো কোরে কাটা নারিকেল চা পানের পর খাওয়া হবে। তখন তাদের সব খেলাও শেষ হবে। মি. কেনডল ভাবলেন তখন একটু একটু কোরে নারিকেল খাওয়াটা সুন্দর জমবে।
নারিকেলের কেকটা এতোই অসাধারণ হয়েছে যে ওরা সম্পূর্ণ কেকই সাবাড় কোরে ফেললো। এমন কি আইস-ক্যান্ডিও, মিষ্টি কোকোর প্রতিবিন্দু পান করার পর তারা খেলতে চাইলেন।
‘চলো হান্ট-দ্য-থিমবল (অঙুস্তানা অনুসন্ধান) খেলি!’ বললেন মিসেস পপ। তিনি এই খেলাটি খেলতে খুব ভালোবসেন। ‘মি. ক্রিংকল তুমি এখানে থিমবল লুকাবে- তুমি যখন এই কাজটি করবে তখন আমরা কামরার বাইরে থাকবো।’
সবাই বাইরে চলে গেলে তিনি দরোজা বন্ধ কোরে দিলেন। মি. ক্রিংকল থিমবল লুকানোর যথেষ্ঠ সময় পেলেন। প্রথমে তিনি লুকানোর মতো ভালো জায়গা পাচ্ছিলেন না। কিন্তু অবশেষে তিনি এটা অগ্নিকুন্ডের উপরিস্থিত কারুকাজ করা তাকের উপর রাখা ছোট চায়না বানরের মাথার উপর রাখলেন। এটাকে এখন ঠিক ছোট এক টুপীর মতো দেখাচ্ছে। মি. ক্রিংকল নিশ্চিত হলেন এটা থিমবল তা কেউই সহজে ধরতে পারবে না।
তিনি সবাইকে ভেতরে আসার জন্যে ডাক করলেন। সবাই প্রবেশ কোরে খুঁজতে শুরু করলেন। মি. কেনডল আঙুলের টোপরটি প্রথম দেখতে পেয়ে সঙ্গেসঙ্গে বসে পড়ে অন্যদের এটা তিনি দেখালেন যে এর সন্ধান তিনিই প্রথম পেয়েছেন। তিনি এটাও ভাবলেন যে জানালার তাকে রাখা কাটা নারিকেলের টুকরো বন্ধুদের অফার করার এটাই উপযুক্ত সময় যেহেতু তিনি আঙুলের টোপরটির সন্ধান পেয়েছেন।
তিনি প্লেটটি নিতে গেলেন- এবং মাই গূডনেস মী, তোমাদের মাথায় কি চিন্তা এলো? এখানে অনেকগুলো টুকরো নেই। কেউ একজন নিয়েছে।
কে করতে পারে এই কাজ? অবশ্য মি. ক্রিংকল! যখন সবাই বাইরে ছিলেন তখন তিনি থিমবল লুকানোর অনেক অনেক সময় পেয়ে ছিলেন। মি. কেনডল রেগে উঠলেন এবং দুঃখবোধ করলেন।
‘তুমি আমার নারিকেলের কোনো টুকরো খেয়েছো?’ হঠাৎ তিনি প্রশ্ন করলেন মি. ক্রিংকলকে। ‘এখানে অনেকগুলো টুকরো গায়েব। তুমি হয়তো থিমবল লুকানোর সময় খেয়ে থাকতে পারো।
মি. ক্রিংকল লাল হয়ে উঠলেন।
‘না, আমি মোটেও এমন কিছু করিনি,’ বললেন তিনি। তাঁর কন্ঠস্বরে আঘাতের ছোঁয়া। কেউ আমাকে কোনো কিছু অফার না করলে আমি কেন নিতে যাবো। আমার অবশ্যই ভদ্রতার জানা আছে। আমি এখানে এক মুহুর্তও থাকবো না আর কখনো তোমার সঙ্গে খেলবো না। আমি বাড়ী যাচ্ছি।’
তাঁর ছোট টুপীটি তুলে নিয়ে দরোজা দিয়ে এগিয়ে গেলেন। সবাই দেখলেন যে ঘটনাটি দ্রুত ঘটে যাওয়ায় মি. কেনডল খুবই লজ্জা পেয়েছেন।
‘নারিকেলের টুকরো সেই খেয়েছে,’ বললেন স্কুইডল দ্য পিকসি। ‘ও-ই একা ঘরে ছিলো।’
হঠাৎ মৃদু আওয়াজ ভেসে এলো জানালার কাছ থেকে। স্কুইডল, মি. কেনডল আর মিসেস পপ দ্রুত ঘুরলেন। ওরা কি দেখতে পেয়েছে বলে তোমরা চিন্তা করলে?
ওরা এখানে তিনটি ছোটপাখি দেখতে পেলেন। ওরা টিটস্। নীলঠোঁট, নীল হলুদ পালকের অপূর্ব পোশাক ওদের। ওরা শাদা নারিকেলের টুকরো ঠোঁটে নিয়ে আনন্দিত হয়ে জানালা দিয়ে উড়ে যাচ্ছে। তোমরা জানো যে টিট্ বাদাম ভালোবাসে, বিশেষ কোরে নারিকেল। আমি আশা করি যে তোমরা এদের সামনে নারিকেল রাখলেএদখবে যে ওরা ছোঁ মেরে কিভাবে নিয়ে যায়।
‘এটা টিটস্!’ চিৎকার কোরে উঠেন মি. কেনডল। ‘ছোট দুষ্টু পাখিদের দেখো! ওরা আরও তিনটি টুকরো নিয়ে নিয়েছে। ওরা অন্য টুকরো গুলোও নিয়েছে। আমি আশাকরি যে মি. ক্রিংকল সময় নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন একটি ভালো জায়গায় থিমবল লুকানো, তাই তিনি এই দুষ্টু ছোট পাখিদের ডাকাতির কথা জানতেও পারেনি।’
‘আমি তখনও থিমবল খুঁজে পাইনি,’ বললেন মিসেস পপ।
‘এটা খুবই দুঃখজনক মি. ক্রিংকল বলা হলো যে সেই নারিকেল খেয়েছে। অথচ তিনি এই ধরণের কিছুই করেনি!’ বললেন স্কুইডল দ্য পিকসি। তাঁকে খুবই লজ্জিত দেখাচ্ছে। ‘সে এতে খুবই আঘাত পেয়েছে।’
‘আমি ওকে ডেকে এনে ক্ষমা চাইছি,’ বললেন মি. কেনডল। তিনি জানালা বন্ধ কোরে দিলেন যাতে কোরে নীল-টিট আর আসতে না পারে। তিনি দৌঁড়ে দরোজা দিয়ে বেরিয়ে রাস্তায় তাকান।
‘হাই, ক্রিংকল!’ চিৎকার করলেন তিনি। ‘ক্রিংকল, ফিরে আসো। আমরা জানি যে তুমি কোনো নারিকেল খাওনি।’
মি. ক্রিংকল ফিরে এলেন। তাঁকে খুবই লজ্জিত আর দুঃখিত দেখাচ্ছে।
‘নীল-টিটেরা নারিকেল খেয়েছে,’ বর্ণনা করলেন মি. কেনডল। বন্ধুর হাত ধরলেন। ‘আমার কৃতকর্মের জন্যে ক্ষমা কোরো, ক্রিংকল। এখন কেবল একটি টুকরোই বেঁচেছে এবং এটা তোমার।’
মি. ক্রিংকল ভালো স্বভাবে ছোট মানুষ। তিনি দেখলেন যে এখানে মি. কেনডল আর অন্যদের কোনো দোষ নেই, পরিস্থিতিই ছিল এমন। তিনি ওদের সঙ্গেসঙ্গে ক্ষমা কোরে দিলেন। তিনি শেষ নারিকেলের টুকরোটি খেয়ে বললেন ঃ ‘ব্রাইন্ড ম্যান’স বাফ খেলা নিয়ে কি বলো?
সুতরা ওরা সবাই ব্রাইন্ড ম্যান খেলা শুরু করলো। এবং একসঙ্গে আনন্দময় সময় কাটালেন। যখন বিদায় নেওয়ার সময় হয়ে এলো মি. ক্রিংকল বললেন ঃ ‘আমি ভেবে দেখলাম আজকের ঘটনা নিয়ে একটি গল্প লেখা যায়। কিভাবে নীল টিটেরা তোমার নারিকেলের টুকরো চুরি কোরেছিল মি. কেনডল। এতে মানুষজন সর্তক হবে যে খোলা জানালার সামনে কোনো কিছু রাখবে না। কেমন হবে?’
মি. কেনডল চিন্তা কোরে দেখলেন- এবং আমাকে একটি গল্প লিখে দেবার জন্যে অনুরোধ করলেন।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×