somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি ধোয়াটে কৌতুক :|

৩০ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি তখনকার ঘটনা।
আমার এক বন্ধু শিমুলী নামের এক মেয়েকে পছন্দ করতো্। মেয়েটির বাবা ডিফেন্সে চাকুরী করতো । একই রকম আমার বন্ধুর বাবা ও ডিফেন্সে চাকুরী করতেন। সেই সুবাদে তাদের দুই পরিবারই সরকারি ভাবে কোয়ার্টার পেয়েছিল। মেয়েটি প্রতিদিন কলেজে যাবার সময় কবির নামের আমার সেই বন্ধুটি তাকে নানা ভাবে ইমপ্রেস করার চেষ্টা করতো । কখনো কখনো দাড়িয়ে কথা বলতো । মেয়েটিকে ও আমি যথেষ্ট পজিটিভ অবস্থাতেই দেখতাম। আমার ধারণা ছিলো আর কিছুদিন বাদেই মেয়েটি্ পটতে বাধ্য।

একদিন জানা গেল,নতুনভাবে কিছুলোক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। আমার বন্ধুর ডিফেন্সে কাজ করার ইচ্ছা না থাকলেও সে জানতো এই নতুন লোকদের প্রিলিমিনারী মেডিকেল টেস্ট শিমুলীর বাবাই করে থাকেন। তাই অনেক আগ্রহ নিয়েই কবির সেইদিন আর দশজনের মতোই লাইনে দাড়িয়ে গেল। যাওয়ার আগে বলে গেল দোস্ত দোয়া করিস যেন শ্বশুড় মেডিকেল টেস্টে আমাকে উত্তীর্ণ করে। আমরাও তেমনটাই দোয়া করলাম।

কবির মেডিকেল টেস্টের জন্য শিমুলীর বাবার সামনে দাড়িয়ে আছে। শিমুলীর বাবা কবিরকে চেনে না। চিনলে মেডিকেল টেস্ট করতো কিনা সন্দেহ । তিনি কবিরকে বললেন-তোমার প্যান্ট হাটু পর্যন্ত নামাও।
কবির বিন্দুমাত্র দেরি করলো না। নামাল।
শিমুলীর বাবা হাতে হাতমোজা লাগিয়ে কবিরের দিকে এগিয়ে এলেন। কবিরের মোটেও লজ্জা করছেনা। সে মোটেও লজ্জা পাওয়ার পাত্র নয়্ ।
শিমুলীর বাবা বলদ্বয় চেক করে দেখলেন। এবার বললেন-রুকুতে যাওয়ার ভঙ্গিতে দাড়াও। কবির তাই করলো।
শিমুলীর বাবা এবার কবিরের পশ্চাদদেশে কিছু খুব মনোযোগ সহকারে দেখতে লাগলেন। আর বললেন-জোরে কাশি দাও।

কবির জোরে কাশি দিল। এবার শিমুলীর বাবা কবিরের সামনে এসে বললেন-সিগারেট্ টিগারেট্ খাও নাকি?
কবির জিজ্ঞেস করল-নাতো আঙ্কেল ,কেন ধোয়া বের হইছে নাকি?

এই ঘটনাটা আমরা শোনার পর বেদম হেসেছি। কবিরের চাকরি হয়নি। আজ কবির বি ফার্ম কমপ্লিট করে চাকরি করছে। সেইদিন দেখা হতেই সেই পুরনো ঘটনা মনে করে আরো একবার হাসলাম।
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষাকে না বলুন। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করুন।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

শুধু ভারত বিদ্বেষই না।

মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,

/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।

/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×