এদেশে এসে ছাত্ররা যে কাজ গুলো করে তার অন্যতম হলো ফ্রি দৈনিক পত্রিকা বিতরন করা যেখান থেকে জীবিকা নির্বাহ করা অধিকাংশ ছাত্র বাঙালী। তো এমনই একটি পত্রিকা লোকসানের কবলে পরে সম্প্রতি বন্ধ করার ঘোষনা এসেছে যার ফলাফল হিসাবে প্রায় ৩-৪ হাজার বাঙালী ছাত্ররা তাদের চাকুরী হারাবে। এর ফলে চাপ বাড়বে রেস্টুরেন্ট গুলোর উপর যেখানে চাকরি করে প্রতি সপ্তাহে ১০০-১১০ পাউন্ড পাওয়া যায়। এত ছাত্র যখন বেকার হবে তখন তারা সহজ উপায় হিসাবে যাবে রেস্টুরেন্টের দিকে যার ফলে সেখানে যে তাদের বেতন কমে যাবে এতে কারো সন্দেহ বা বুঝতে সমস্যা হবার কথা নয় । এটা গেলো যারা এদেশে আছে এমন ছাত্রদের কথা। আমি শুনেছি আগামী সেপ্টেম্বর সেশনে এদেশে শুধু বাংলাদেশ থেকে আসছে প্রায় ২০ - ৩০ হাজার ছাত্র(আমার এটা ভুল হতে পারে যদি কেউ সঠিক সংখ্যা জানান তাহলে খুশি হব) কেউ কি চিন্তা করতে পারছেন এই ছাত্র গুলোর অবস্থা কোন পর্যায়ে যাবে? অনেকে হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে তারা এত ভিসা কেন দিচ্ছে? কারণ খুব পরিস্কার তাদের টাকা দরকার।পরবর্তিতে ভিসা পেয়ে এদেশে আসা মানুষ গুলোর কি হবে তারা আপাতত এটা চিন্তা করছে না।
এবার আসা যাক আমাদের দেশে যা স্বরাষ্ট মন্ত্রনালয় তা এদেশে হোম অফিস নামে পরিচিত তাদের কথায়। একজন ছাত্র যখন ভিসা পেয়ে এদেশে আসল তার পর থেকে তার উপর আর এম্বেসির কোন নিয়ন্ত্রন থাকেনা সেটা পুরোপুরি চলে যায় হোম অফিসের উপর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


