somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টেক্সটাইল কলেজ কে ভার্সিটি তে রুপান্তরের দাবি।

০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কলেজ অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনলোজীঃ
বাংলাদেশের প্রথম এবং একসময়ের একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা দেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা পূরণ করে আসছে।আর টেক্সটাইল হচ্ছে সেই খাত যা দেশের সিংহ ভাগ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নেপথ্যের কারিগর। British শাসনামলে ১৯২১ সালে নারিন্দায় স্থাপিত East Bengal Weaving Institute থেকেই শুরু হয় বর্তমান এই কলেজ এর গোড়াপত্তন।
পরবর্তীতে ১৯৫০ এ নামকরন করা East Pakistan Textile Institute আর চালু করা হয় ডিপ্লোমা।
১৯৬০ এ স্থানান্তরিত করা হয় বর্তমান campus তেজগাঁ তে।অবশেষে ১৯৭০ এ চালু করা হয় ৪ বছর মেয়াদী B.Sc. course.
বর্তমানে ৩৫তম ব্যাচ ভর্তি হয়েছে।
কিন্তু এত কিছুর পরও দুঃখজনক ব্যপার হচ্ছে এই যে আজ ও এই প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা ভার্সিটির আওতাধীন।ফলে এই ধরনের একটি প্রতিষ্ঠানের যেমন উন্নতি হওয়া দরকার তা হতে পারে নি।শিক্ষক সংখ্যার অপ্রতুলতা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব, সেই আদিম সিলেবাস ইত্যাদি অসংখ্য সমস্যা বর্তমান।যেখানে নোয়াখালী ,মিরসরাই ইত্যাদি এলাকার diploma কে B.SC. তে উত্তীর্ণ করা হয়েছে, সেখানে এই কলেজ কে ভার্সিটি তে রুপান্তর আজ শুধু সময়ের চাহিদা ই নয় বরং টেক্সটাইল students আর এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য অধিকার বললেও ভুল হবে না।

অবশ্য আশার কথা হচ্ছে এই যে , কিছুদিন আগে মন্ত্রনালয়ের সাথে কলেজ কর্তৃপক্ষের আলচনা হয়েছে।যার ফলশ্রুতিতে জনাব জিল্লুর রহমান এই ব্যপার এ ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন।
এখন নতুন সরকারের কাছে এটাই কাম্য যে তারা এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন।

তথ্যসুত্রঃটেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ওয়েবসাইট
টেক্সটাইল কলেজ,বাংলাদেশ ফেসবুক গ্রুপ
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×