somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রেজাউল করিম ফকির
ডক্টর এ.বি.এম. রেজাউল করিম ফকির, অধ্যাপক, জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগ আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় e-mail: [email protected]

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজনৈতিক শক্তির স্বরূপ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত টীকা

০১ লা মে, ২০২১ দুপুর ১২:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পশ্চিমবঙ্গ ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের রাজ্য হওয়ায় যুক্তরাজ্যীয় ব্যবস্থায় আইন, শাসন ও বিচার ব্যবস্থা আবর্তিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের রাজ্য হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কাল থেকে এখন অবধি যে সব রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন হয়েছে তা হলো-কংগ্রেস, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইণ্ডিয়া ও তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে বর্তমানে রাজনৈতিক পটভূমিতে শক্তিশালী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় সর্ব-ভারতীয় রাজনীতিতে বাঙ্গালী রাজনীতিবিদদের এক ধরণের প্রভাব ছিলো। সে সময়ের নেতাদের মধ্যে মওলানা আবুল কালাম আজাদ, শ্যামাপ্রসাদ মূখোপধ্যায়, শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ও সুভাষ বসু প্রমূখ নেতৃবৃন্দ সর্ব-ভারতীয় রাজনীতিতে যে ভূমিকা রেখে গেছেন তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বর্তমানকালে সর্ব-ভারতীয় রাজনীতিতে বাঙ্গালীদের ভূমিকা নিষ্প্রভ। এর কারণ সর্ব-ভারতীয় রাজনীতির কর্তৃত্ব ন্যস্ত রয়েছে উত্তর ভারতীয় উচ্চবিত্তশালী অভিজাত শ্রেণী অথবা সেলিব্রিটি শ্রেণীর নেতাদের হাতে। কাজেই রাজ্য পর্যায়ে ত্যাগী ও জননন্দিত নেতাদের কদর থাকলেও, সর্ব-ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁদের ভূমিকা এখন নিষ্প্রভ।

পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টি ছাড়া সব রাজনৈতিক দলই বাংলা ভাষার উন্নয়ন ও বিকাশে বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতাপূর্ণ রয়েছে। তবে ভারতীয় জনতা পার্টি তার ব্যতিক্রমী আদর্শ পোষণ করে থাকে। এ দলটি হলো হিন্দুত্ববাদী দল। এ দলটি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী প্রতিষ্ঠিত হিন্দু জনসংঘ থেকে উদ্ভূত। এই দলটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম চলাকালীন সময়ে হিন্দী ভাষাকে ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ভাষা হিসাবে সমর্থন জানিয়ে এসেছে। এ দলটি পরির্তিত নামে অর্থ্যাৎ ভারতীয় জনতা পার্টী নামে ভারতের রাজনৈতিক শক্তির কেন্দ্রে উপবিষ্ট রয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০২১ দুপুর ১২:২৬
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×