আমরা বাংলাদেশীদের একটি রাজকীয় ঐতিহ্য ছিল আর তা ছিল দুধে ভাতে বাঙ্গালী। তখন গোয়াল ভরা গরু ছিল, পুকুর ভরা মাছ ছিল ছিল না কোন অভাব অনটন। কিন্ত কালের বিবর্তণে দুধে ভাতে বাঙ্গালীর যায়গায় স্থান করে নেয় মাছে ভাতে বাঙ্গালী । তাও ভালই ছিল অন্তত আমিষের তো অভাব ছিল না।কিন্ত সমযের বিবর্তনে সেই মাছ এখন দুর্লভ হয়ে গেছে। যা সামান্য পাওয়া যায় তার দাম আকাশচুম্বী। সাধারনের নাগালের বাইরে। সব শেষে এসে দাড়ায় ডালভাতে বাঙ্গালী। কারো বাড়ীতে বেড়াতে গেলে বলত ডাল ভাতের ব্যবস্থা করেছি খেয়ে যাবেন। কিন্ত হায়রে নিযতি সেই ডাল এখন নাগালের বাইরে। তার দাম সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। বেশি দিন আগের ঘটনা নয় এইতো সেদিন ও হলে ডাল ফ্রি ছিল এমন কি হোটেলে ও ডাল ফ্রি ছিল। এ সবই ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে।
বর্তমানে বাজারের অবস্থা যা হয়েছে তাতে আমাদের মত সাধারন মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বিশেষ করে ভরা মৌসুমে চালের বাজারের যে পরিস্থিতি তাতে ডাল তো দুরের কথা আমরা ভাত খেতে পারব কি না তা নিয়েই সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে মোটা চালের কেজি ৩৮ টাকা।আর আটার দাম ৩৫-৩৬ টাকা। অর্থাৎ চালের চেয়ে আটার দাম কম । এর মানে জনগনকে রুটি খেতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আমরা জানি পাকিস্তানের জাতীয় খাবার হচেছ রুটি।
তাই মনে সন্দেহ যাগে দেশ কি পাকিস্তানের দিকে এগিয়ে যাচেছ !!!!!!!!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


