জাময়েতের বর্তমান রাজনীতি ও পুলিশের নিরীহ দর্শকের মত মার খাওয়া আমার কাছে প্রেম প্রেম খেলা মনে হয় । স্বামী যতই নির্যাতন করুক বাংলার নারীরা তা মুখ বুজে মেনে নেবে , ঠিক তেমনি পুলিশ আজকাল যেন জামায়াত শিবির যতই্ মারুক রাস্তায় তা মেনে নেবে । এ্টা হয়ত কৌশলগত কারনে পুলিশের কাছে সম্মানজনক অথবা লাভজনক হতে পারে কিন্তু আমার মত সাধারন নাগরিকের জন্য অপমানকর ,লজ্জার আর ভীতির কারণ ।গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে তাই বলে সরাসরি রাষ্ট্রের আইনশৃংখলা বাহীনির উপর আক্রমন এ কেমন রাজনীতি ।আর এর ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে বিদেশে য়ে নেতিবাচক ধারনা তৈরি করবে তা বিনিয়োগ ও পর্যটন শিল্পকে করবে মারাত্নক বিপন্ন । শিবিরের যারা রাজনীতি করে সবারই লক্ষ্য অবশ্যই নির্বাচন । কিন্তু এ্মন ধংসাত্নক কার্যকলাপ যা সারা দেশব্যাপী ঘৃনিত হচ্ছে তা যে ভবিষ্যত জামায়ত-শিবিরের রাজনীতি মানুষের মনে অনাগ্রহ তৈরি করবে তা যেকোন মানুষের বোধগম্য । এ্ছাড়া বিজয়ের মাস ডিসেম্বর আসতে আর অল্প কয়েকদিন । এই সময় জামায়তের জাতীয় স্বার্থবিরোধী উদদ্শ্যেহীণ রাজনীতি কতটা আত্নঘাতী তা বুঝতে রাজনীতিবিদ হওয়ার প্রয়োজন নেই । আমি ব্যক্তিগতভাবে দেশে এ্কটি ই্সলামিক দল প্রতিষ্টিত হোক মনেপ্রানে চাই , কিন্তু সেই্ দলটির অবশ্যই দেশের মানুষের প্রতি জবাবদীহিতা থাকতে হবে । আর অবশ্যই সেই ইসলামিক দলে কোন ৭১এর ঘাতক,রাজাকার থাকতে পারবে না । শিবির যারা করে তারা এ প্রজন্মের তরুন । আমি চাই তারা রাজনীতি করবে ভবিষ্যত বাংলাদেশ বিনির্মানে , কোন রাজাকার , আলবদর বা যুদ্ধাপরাধীকে বাচানোর জন্য না । জামায়ত শিবিরের প্রতি আমার অনুরোধ যুদ্ধাপরাধের বিচারের কাঠগড়ায় দাড়ানো গুটিকয়েক অভিযুক্তদের পিছনে না ছুটে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করুন ।যে নেতারা আপনাদের বিগত নির্বাচনগুলোয় ২% এর বেশী ভো্ট এ্নে দিতে পারেনি তারা কখনো ই্সলামিক রাজনীতি এদেশে মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য করে তুলতে পারবে না । নতুন করে রাজনৈতিক পরিকল্পনা তৈরি করুন তবে কোন হঠকারিতা নয় । সত্যিকার অর্খে এদেশের মানুষকে ভালবাসুন হয়ত আপনারা জনসমর্থন পাবেন ।একথা ভাবার কোন কারন নেই যে ইসলাম এদেশ খেকে চলে যাবে আপনারা রাজণীতি না করলে ।বিকল্প তৈরি হবে হয়ত তৈরি হয়ে গেছে ।
পরিশেষে আইনশৃংখলা বাহীনির প্রতি বিনীত অনুরোধ দেশের মানুষের নিরাপত্তায় কঠোর হোন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


