অনেকেই মজা করে বলে ডেটল ৯৯.৯৯% জীবানু ধ্বংস করে, আর
০.০১% জীবানু রেখে দেয় বংশবিস্তারের জন্য... যাতে তাদের
ব্যবসা বন্ধ না হয়ে যায়।
৬০ লক্ষ ইহুদী হত্যার পর একদিন হিটলারও মজা করে বলেছিলো,
"আমি ইচ্ছা করলে সব ইহুদী হত্যা করতে পারতাম। কিন্তু, কিছু
ইহুদীকে বাঁচিয়ে রেখেছি, যাতে বিশ্ববাসী বুঝে, কেন আমি ইহুদীদের
হত্যা করেছিলাম।"
হয়তো হিটলারের ইহুদী হত্যার কারন বোঝার সময় হয়েছে আজ।
কিন্তু, কে বুঝবে...??
জ্ঞান হবার পর থেকে ফিলিস্তিনে হামলা সম্পর্কে আরব নেতাদের
একটাই বক্তব্য শুনে আসছি, "ইসরাইলী নৃশংস হামলার
বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বিশ্ব মুসলিমকে জেগে উঠতে হবে"।
হ্যাঁ... আমরা মুসলিমরা শুধু জেগে উঠি প্রতি রাতে সেহরির সময়...
সেহরি খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ি। যখন, আমাদের ভাইবোনের লাল
রক্তে ভেসে যায় গাজার পথ-প্রান্তর, তখন আমরা লাল রঙয়ের
রুহ-আফজা দিয়ে ইফতার করি। সারাদিন না খেয়ে উপোস
করে আমাদের মুসলমানিত্ব জাহির করি....
আর জাতিসংঘ??? ওইটাকে কুজাতিসংঘ বললেই যথার্থ হবে।
সমস্ত কুজাতিরা সংঘবদ্ধ সেখানে... যেখানে মুসলিম শিশুদের
রক্তে তাদের কথিত মানবতার ভিত একটুও কাঁপে না। আর
হিউম্যান রাইটস??? এটার নাম তো দেওয়া উচিৎ "হিউম্যান
ফাইটস ফর সেভিং ইহুদি'স রাইটস"...
খুব অবাক লাগে ভাবতে... আমি কি আদৌ কোন মুসলিম দেশে বাস
করছি???
যে সরকার নির্বাচনে ক্ষমতার জন্য
জাতিসংঘকে তোয়াক্কা করে নি, আজ তবে কোন সংঘের ভয়ে সেই
সরকারের মুখ চুপ???
কোথায় আজ বিরোধীদলের মুসলিমপ্রীতি??? আজ কেন
তারা পারছে না "মার্চ ফর ইসলাম" এর ঘোষণা দিতে??
আজ কোথায় আল্লামা শফির হেফাজতে ইসলাম?? আজ
কি আরেকটা শাপলা চত্বর সৃষ্টি করা যায় না???
তবে কি ইহুদিরা শুধু আমাদের মুসলিম ভাইবোনের রক্ত ঝরাবে,
আর সেই দৃশ্য দেখে আমরা ঘরে বসে চোখের জল ঝরাবো???
এর নামই কি ইসলাম??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




