বেশ কিছুদিন হলো সালাউদ্দিন আইয়ূবী মারা গেছেন।
মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিলো আনুমানিক সাড়ে তিন বছর।
তিনি মৃত্যু কালে তার সমস্ত পুত্র-কন্যা গনকে সাথে নিয়া গেছেন।
তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করার জন্য তেমন কেউ অবশিষ্ট নেই।
আর সে কারনেই তার বিদেহী আত্মা মা-মাটি-মানুষ নামে এই ব্লগে ঘুরে ফিরে আসে।
মৃত্যুর বেশ কিছু পূর্বে তার ব্লগ দেহে "মেঘ" নামে কোন এক বালিকা আচড় কাটে। জামাতী নামে তাকে সম্বোধন করে। আমৃত্যু জামাতী শুয়রদের ঘৃনাকারী সালাউদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে দা-খুন্তি নিয়ে (গালি) মেঘ নামক হিজরাকে আক্রমন করে। এতে হিজরা মেঘ খুবই রাগান্বিত হয়।
মডারেটররা শুধু সালাউদ্দিন এর দা-খুন্তি দেখেছে। এটেম টু মার্ডার এর অপরাধে সালাউদ্দিন কে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। দন্ড দান কালে তাকে আত্ম পক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগই দেয়া হয়নি।
যাই হোক আমাদের ডিজিটাল গনতন্ত্রের যুগে সবই সম্ভব।
নিরঞ্জনরা আজ মৌলবাদী।
জামাতীদের অতি স্বজ্জন নিরঞ্জনরা বিডিআর বিদ্রোহী।
হাসিনার উপরে আঘাত আসার আগেই ভারতীয়রা খবর নিয়ে আসে। জয়নাল হাজারীরা একের পর এক জামিন পায়।
মইন ফুটবল খেলে।
খালেদা বাড়ীর জন্য কাদে।
সাইফুর পদত্যাগ করে।
জিল্লু সিংগাপুরে চিকিৎসা করে।
সজীব দাদা মা দূর্গার সঙে ওমরা করতে সৌদী আরব আসে।
খালেদা পুত্র ব্যংককে আরামে সিংগারা খায়।
হায় সালাউদ্দিনরা জামাতী হয়।
মেঘরা বাংলার জন্য জীবন বাজি রাখে।
ছালীগরা কামড়া কামড়ী করে।
কুত্তার বাচ্চারা চুমাচুমি করে।
যুগ বদলাইয়া গেছে।
ডিজিটাল যুগে সজীব আল্লাহর দরবারে হাত তুইলা ইয়াহুদীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে।
গোয়ার গোয়ায় ক্রিমি বেশ বাড়তাছে।
স্বাধীনতার বিরোধী দালালগো বাল কামানো হইবে।
স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ক্ষুর নিয়া নিজেগো বাল কাইটা টেষ্ট করবার লাগছে।
আরো কতকি দেখতে হবে।
ডিজিটাল জামানা, ডিজিটাল দূর্গা জননী আইছে।
জয় মা কালী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

