somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লোকাল বাসের সেই দিনগুলি!!! :(( :(( :((

১১ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সামনের সিটে বসা বন্ধু বাসের পিছনে আমাকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিয়ে বলল “দোস্ত তোর ভাড়া আমি দিয়া দিতাসি"

আমিও চিৎকার দিয়ে কইলাম “দোস্ত আমার আম্মা বলসে কেউ কিছু দিতে চাইলে না করিস না” ;)

পুরা বাসে হাঁসির রোল পড়লে দোস্ত আমার আবার চিৎকার দিয়ে বলল “শালা হারামি”

বাসে আমার বেশ কিছু মজার ঘটনা আছে। এই যেমন কলেজে বাসে যাওয়ার সময় অর্ধেক পথে আমার এক দোস্ত উঠত। দেখ যেত কন্ডাক্টর ভাড়া নিতে কাছে আসতেই কোত্থেকে তার গায়েবি ঘুম চলে আসত। ৩ কিমি দূরত্বের পথে যেতে স্টুডেন্ট হিসেবে হাফ ভাড়া হিসেবে দিতে হত ২ টাকা। সেই দুই টাকা আমি দেয়ার জন্যই আসলে তার এই গায়েবি ঘুম X(( কন্ডাক্টর চলে যেতেই তার গায়েবি ঘুম গায়েব হয়ে যেত আর হুরমুর করে ঘুম থেকে উঠে বলত “দোস্ত গুফুর (গোফরান স্যার) ডাইরি তো লিখি নাই, হে তো পিডাইব”। আমাদের ইংলিশ এর গোফরান স্যার আমাদের আজগুবি এক ডাইরি লিখাইত প্রতিদিন কি করি ইংরেজিতে। মাঝে মাঝে আমরা এর ওর টা নকল কইরা দিয়া দিতাম। দেখা যেত নকল করার ফলে সবার হাগু টাইম ও সেইম হয়ে যেত। একবার আমাদের এক বন্ধু একটা মেয়ের ডাইরি নকল করে দিয়েছিল।তো সেখানে ইংরেজিতে একটা লাইন ছিল যে সে কাঁথা সেলাই করছিল। এবং যথারীতি স্যার এর কাছে ধরা ;) ধরতে পারলে মার পর্যন্ত দিত :( হ্যাঁ আমরা কলেজে মার ও খেতাম। শুধু তাই না এক্স স্কুয়াড্রন লিডার কলেজের প্রিন্সিপাল হওয়াতে অ্যাসেম্বলি পর্যন্ত করতে হত। সে কথায় পড়ে আসছি।


বাসে মিনু নামে আমাদের এক বান্ধবীও উঠত। “মহিলার ৫ সিট” সামনে হওয়ায় সেখানে সে বসত। আর কন্ডাক্টর যখন প্রথম ভাড়ার জন্য ওর কাছে যেত পিছন থেকে আমরা চিৎকার দিতাম “মিনু প্লিজ আমাদের ভাড়া দিওনা”। মিনু লজ্জায় পড়ে আমাদের ভাড়া দিয়ে দিত। অবশ্য এই থিওরি বেশিদিন ঠেকেনি। কারন মিনু পরে শুনেও না শুনার ভান করত শুধু নয়, পরে বলত আমার ভাড়া পিছনে দিবে B-)

আমাদের সেই কলেজ রোডের সেই লোকাল বাস অনেক আগেই উঠে গেসে। দখল করে নিয়েছে সিএনজি। সম্প্রতি সরকার ১৮ হাইওয়েতে সিঞ্জি নিষিদ্ধ করেছে। যদিও আমাদের কলেজ রোড হাইওয়ের আওতায় নেই। তারপরও যদি আবার সেই লোকাল বাস চলে আসে, আবার সেই বন্ধুদের সেইসব বাসে পেয়ে যায় তাহলেও আর কিন্তু বলা হবে না-

“মাম্মা স্টুডেন্ট, ভাড়া হাফ” :( :( :(
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৬
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাবধানের মার্ নেই

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১


নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরার পথে নিউ আর্ক্ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যখন এরোপ্লেনে উঠে নির্দিষ্ট সীটের কাছে পৌঁছলাম দেখলাম এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক জানালার পাশের সিটটাতে অলরেডি বসে আছেন। আইল ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫


মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×