somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতীয় রাজাকাররা বাংলাদেশর উৎসব গুলোকে সনাতানাইজেশনের চেষ্টা করছে কেন?

১৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ দুপুর ২:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সম্প্রতি প্রতিবছর ঈদ, ১লা বৈশাখ, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, শহীদ দিবস এলে জঙ্গি রাজাকাররা হাউকাউ করে কেন? শিরোনামে মোহাম্মদ গোফরানের একটি লেখা চোখে পড়েছে, যে পোস্টে তিনি বিভিন্ন উল্টাপাল্টা এবং সত্য মিথ্যা সংমিশ্রণে দেশের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের উপর তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করেছেন। আমার এই পোস্টে তার পোস্টের বিভিন্ন বক্তব্যের সত্যতা, যৌক্তিকতা যাচাই, এবং জবাব দেয়া হবে।

১. শিরোনাম। প্রতিবছর ঈদ, ১লা বৈশাখ, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, শহীদ দিবস এলে জঙ্গি রাজাকাররা হাউকাউ করে কেন?

কারণ পোগোতিশীল বাঙ্গুরা উৎসবের মধ্যে নিজেদের মনগড়া ইতিহাস এবং সাংস্কৃতি ঢুকিয়ে দিচ্ছে।

এবার আসাযাক জঙ্গি এবং রাজাকার বিষয়ে। প্রথমত দেশে বড়দাগে ২০০১ সালে আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন রমনার বটমূলে, ২০০৫ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন একযোগে ৬৪ জেলায়, এবং ২০১৬ সালে আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা হয়। যখন যে সরকার ক্ষমতায় ছিল প্রত্যেকেই হামলাকারীদের আটক করে আইনের আওতায় নিয়েছে। ইসলামের নাম ভাঙিয়ে করা এসব জঙ্গি কার্যক্রম বাংলার আপমার মুসলিম জনতা সর্বদাই প্রত্যাখ্যান করেছে, এমনকি মসজিদে মসজিদে জুমার আলোচনাতেও বলা হয়েছে, ইসলাম কখনোই এসব সমর্থন করে না।

দ্বিতীয়ত রাজাকার বলতে তিনি যাদের বুঝিয়েছে তার অস্তিত্বই বিলীন হয়ে গেছে। পাকিস্তান এখন মরা শাপ, যার দ্বারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার বিন্দু মাত্র সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে রাজাকার হচ্ছে ভারতের দালালেরা। এই ভারত বাংলাদেশকে দখল করার চক্রান্তে আছে সেটা এখন ওপেন সিক্রেট। গোবিন্দ প্রামানিক এবং শ্যামলী পরিবহনের মালিক সরাসরি সেটা বলেছে, ইন্টারনেটে সে ভিডিও ঘুরেও বেড়াচ্ছে। তাছাড়া লক্ষ্য করেছি বর্তমানে শাহবাগী পোগোতিশীল বাঙ্গুদের মধ্যে বিশাল সংখ্যক দেশ বিরোধী ভারতীয় রাজাকার রয়েছে।

এবার দেখা যাক সমস্যাটা কোথায়। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট বাংলার মানুষের কিছু ধর্মীয় মূল্যবোধ রয়েছে, এই মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক কৃষ্টি কালচার কলিকাতা হতে আমদানি করে জোরপূর্বক বাংলার মুসলিম জনতাকে খাওয়ানোর অপচেষ্টায় নেমেছে বাংলার পোগোতিশীল বাঙ্গুরা, আর তখনই সৃষ্টি হচ্ছে সংঘাত। আর এই সংঘাতে লড়ার জন্য বাঙ্গুরা তোতা পাখির মতো কয়েকটা শব্দ শিখে নিয়েছে, যেমন মৌলবাদী, জঙ্গি, রাজাকার, পাকিস্তানি ইত্যাদি ইত্যাদি। কৌতুকের বিষয় হলো, সবকিছু আপডেট হচ্ছে, কিন্তু বাঙ্গুরা অর্ধ শতাব্দীর ধরে মৌলবাদী, জঙ্গি, রাজাকার, পাকিস্তানি ইত্যাদি শব্দাস্ত্র বুকে ধারণ করেই বেঁচে আছে। নতুন কোন অস্ত্র আবিষ্কার করতে পারেনি। আর এই শব্দাস্ত্র গুলো বাঙ্গুরা দেশের ৯০% মানুষের উপর প্রয়োগ করছে, যারা কলিকাতা হতে বাঙ্গুদের আমদানিকৃত সনাতনী কৃষ্টি কালচার গ্রহন করছে না।

প্রমান চান? তাহলে বাঙ্গু স্বকৃত নোমানের কথাই ধরি, 'আলহামদুলিল্লাহ' বলাতে তার সমস্যা, অথচ তিনি নিজে একই অনুষ্ঠানে একই সময়ে 'আঙ্কেল', 'ব্রাদার' ইত্যাদি বিদেশি শব্দ ব্যাবহার করছে সেটাতে সমস্যা নেই। অর্থাৎ মানুষ সেচ্ছায় যেটা গ্রহন করছে সেটায় ইসলামের মোরালিটি থাকায় বাঙ্গু নোমানের সমস্যা। বিপরীতে হিন্দু ধর্মের আচার 'রাখি বন্ধন' হাতে পরে ফেসবুকে পোস্ট করে সে নিজেকে সেকুলার প্রমান করছে, হিন্দু ধর্মের আচার, কপালে তিলক দিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে তারা নিজেকে সেকুলার প্রমান করে। হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান হলিখেলায় অংশ নিয়ে তারা নিজেদের সেকুলার হিসেবে তুলে ধরে। ছবিতে দেখুন, মঙ্গল শোভাযাত্রা মুন্নি শাহা যে পোশাক পরেছে, তাতে যে ছবিটা আঁকা সেটা কি দুর্গার আকৃতি হতে নেওয়া না? দেবদেবী মূর্তি, যেটা ইসলাম স্পষ্টতই নিষিদ্ধ সেটাকে আপনি মুসলিম জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতি হিসেবে গ্রহণ করতে বলবেন, আর অমনি তারা সেটাকে গ্রহণ করবে? গ্রহণ না করলে তারা মৌলবাদী? তাহলে এতো বছর ধরে বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ কুরবানির ঈদে গরু কুরবানি করে আসছে সেটাকে বাংলার সর্বজনীন ঐতিহ্য এব্যং সাংস্কৃতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে হিন্দুদেরও তাতে অংশগ্রহণ করতে বলেন? হিন্দুধর্মের ধর্মীয় বিষয়গুলোকে বাংলার সর্বজনীন ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিতে অন্তর্ভুক্ত করলে, মুসলমানদের ধর্মীয় বিষয়গুলোও করেন। তবেই না বঝুব আপনি অসাম্প্রদায়িক, অন্যথায় আপনি সেকুলারিজমের মুখোশ পরা হিন্দুত্ববাদীদের দালাল বৈকি।

দেখুন ১লা বৈশাখ, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, শহীদ দিবস নিয়ে কারো কোন সমস্যা নেই, বাংলার মানুষ সেটা পালন করে। বাংলার ঐতিহ্য, ঢেঁকি, লাঙ্গল, কাস্তে, নৌকা, কুলা, পালকি, কৃষি কাজে ব্যাবহৃত সরঞ্জাম। আগে বৈশাখ এলে বৈশাখী মেলা হতো, মেলায় গিয়ে নাগরদোলায় চড়তাম, নৌকাবাইচ দেখতাম, ষাঁড়ের লড়াই, লাঠি খেলা ব্লা ব্লা ব্লা কত কী হত। অথচ ভারতীয় রাজাকারের বাচ্চা পোগোতিশীল বাঙ্গুরা কোলকাতা থেকে আমদানি করা কিছু সিম্বল যেমন, প্যাঁচা, হাতি ঘোড়া, ময়ূর, দেব-দেবীর মুর্তি ইত্যাদি বানিয়ে বিশেষ মিছিলকে বাঙালীর হাজার বছরের ঐতিহ্য বানিয়ে ফেললো। যে সমস্ত প্রতীক সনাতন ধর্মের ধর্মীয় মোরালিটি হতে এসেছে। মুন্নি সাহার পোষাকের ছবি দেখলেই সেটা প্রমানিত হয়। সুতরাং দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর এটা প্রত্যাখ্যান করাটাই স্বাভাবিক। শুধুমাত্র সনাতন ধর্মের ধর্মীয় মোরালিটিতে কারনেই যে দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী এটাকে প্রত্যাখ্যান করেছে বিষয়টি এমনও নয়, বিষয় হচ্ছে, ইসলামে দেবদেবী মুর্তি বিষয়টি নিষিদ্ধ। মূলত এই কারণেই দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী এই মঙ্গলশোভাযাত্রা প্রত্যাখ্যান করেছে, বৈশাখ নয়। যেমন আপনি রোজার ঈদে আপনার সনাতন বন্ধুকে দাওয়াত দেন, তিনি গ্রহণ করবে, কিন্তু কুরবানির ঈদে দাওয়াত দিতে পারবেন? পারবেন না। কারণ ঈদ সনাতনদের কোন সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে গরু কুরবানি। ঠিক তেমনই সনাতন ধর্মের মোরালিটি হতে আপনি মোঙ্গল শোভাযাত্রার উপকরণ তৈরি করলে সমস্যা নাই, সমস্যা হচ্ছে প্রানী এবং দেব-দেবীর মুর্তি। দেবদেবীর মূর্তিতেও সমস্যা হতো না, যদি আপনি আপনার মতো করে সেটা করতেন। কিন্তু না, আপনি সেটা না করে, কয়েক বছর আগে শুরু হওয়া একটা বিষয়কে সর্বজনীন বাঙালির ঐতিহ্য বানানোর অপচেষ্টা করছেন এবং সেটা দেশের সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন, আর তখনই মূলত তৈরি হচ্ছে কালচারাল ওয়ার। আর এই ওয়ারে লড়াতে মৌলবাদ, জঙ্গি, পাকিস্তান ব্লা ব্লা ব্লা... তোতা পাখির মতো কয়েটা মুখস্থ শব্দ ছাড়া আর কোন অস্ত্রই আপনার নেই, কোন যুক্তিই আপনার কাছে নেই। তাছাড়া রাষ্ট্র যেহেতু গনতান্ত্রিক, সুতারং দেশের অধিকাংশ জনতা যেভাবে চায় সেভাবেই চলা উচিত।



আপনে যা খাওয়াবেন তাই খেতে হবে?, না খেয়ে সমালোচনা করলেই আপনি মুখস্থ কয়েকটা শব্দ তথা জঙ্গি, জামাত, শিবির ইত্যাদি বলে ঘৃণা ছড়াবেন? এটা কেমন কথা! গরু কুরবানির সময় আপনি বলবেন কুরবানি না দিয়ে দান করা হোক, ইফতার পার্টিতে আপনি বলবেন অর্থ অপচয়? অথচ দুটো দ্বারাই মানুষেন প্রথম এবং প্রধান মৌলিক চাহিদা (খাদ্য) পূরনের ব্যাবস্থা করা হয়, অর্থাৎ এটার উপযোগিতা আছে। বিপরীতে আমি যখন বলছি মঙ্গল শোভাযাত্রা না করে দান করতে তখন আপনি মৌলবাদী, জঙ্গি, পাকিস্তানি বলে এ্যাটাক করবেন? আমি যখন বলছি ১৪ কিলোমিটার আল্পনা না করে দান করে দিতেন তখন আপনি মৌলবাদী, জঙ্গি, পাকিস্তানি বলে এ্যাটাক করবেন? আপনি আপনার মতো করে উৎসব পালন করতেন কোন সমস্যা ছিল না, কিন্তু যখন আপনি আমার উৎসব নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন তখন আমিও আপনার উৎসব নিয়ে প্রশ্ন তুলবো। আপনি কুরবানি নিয়ে প্রশ্ন না তুললে, আপনি ইফতার নিয়ে প্রশ্ন না তুললে, আপনি কুরআন আবৃত্তি নিয়ে প্রশ্ন না তুললে, আমারও প্রয়োজন ছিল না আপনার মূর্তি বানানো বা আলপনা আঁকার খরচ নিয়ে প্রশ্ন তোলার, আদতে মানব জীবনে যার কোন উপযোগিতাই নেই।


আমরা পৃথিবীর একমাত্র জাতী যারা নিজেদের স্বাধীনতার জন্য, নিজস্ব ভাষায় কথা বলার জন্য প্রাণ দিয়েছি। ( দুটোই ভুল কথা)
এক. কেবল বাঙালী নয়, মোটামুটি পূর্ব তিমুর ছাড়া প্রায় প্রত্যেক জাতীকে প্রান দিয়েই স্বাধীনতা অর্জন করতে হয়েছে।

দুই.
১৯৫৯এর মুসলিম লীগের কনফারেন্সে সিধান্ত হয় পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক ভাষা হবে বাংলা। শুধু পূর্ব বাংলা নয়, প্রত্যেক প্রদেশের স্ব স্ব ভাষাকে প্রাদেশিক ভাষা করা হবে, এবং উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করা হবে। অর্থাৎ রাষ্ট্র ভাষা উর্দু হলেও বাঙালী সহ প্রত্যেক প্রদেশের মানুষ তাদের নিজস্ব ভাষায়ই কথা বলতে পারবে। তার মানে আমরা নিজস্ব ভাষায় কথা বলার জন্য প্রাণ দেইনি, নিজের ভাষাকে (বাংলাকে) রাষ্ট্র ভাষা করার জন্য প্রান দিয়েছি। এবং যেহেতু পাকিস্তানে বাংলা ভাষাভাষী ছিল ৫৭% সুতরাং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও যৌক্তিক ছিল, মাত্র ৭% ভাষাভাষীর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার যৌক্তিকতা ছিল না।

পৃথিবী যখন দিনে দিনে কুসংস্কার অন্ধকারকে জয় করে চাঁদের মত একটা একটা গ্রহ উপগ্রহকে জয় করছে তখন
মৌলবাদী রাজাকার জঙ্গিরা দেশের তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশকে ব্রেন ওয়াশ করে অন্ধকারে নিমজ্জিত করছে।


হু, পৃথিবী যখন দিনে দিনে কুসংস্কার অন্ধকারকে জয় করে চাঁদের মত একটা একটা গ্রহ উপগ্রহকে জয় করছে তখন বাঙ্গু পোগোতিশীল ভারতীয় রাজাকারের বাচ্চারা হাতি ঘোড়ার কার্টুন আবিষ্কার করে মঙ্গল গ্রহে যাত্রা করছে, হা হা হা।

দেশের কিছু ভন্ড ধর্মান্ধ আর বুয়েট মাদ্রাসার কিছু মৌলবি পরিবেশ বিশেষজ্ঞ হনুমান বিশেষজ্ঞ সেজেছে।

সোজা বাংলায় বললে, শাহবাগ এবং চারুকলার বাঙ্গুরা যেটা বলবে সেটাই বিজ্ঞান, বুয়েটের বিশেষজ্ঞকেও সেটা গ্রহন করতে হবে। না করলে বুয়েটের বিশেষজ্ঞরাও মৌলবাদী হিসেবে গণ্য হবে, হা হা হা। কবির কন্ঠে কন্ঠ মিলি বলতে হয়,
হে চারুকলা-শাহবাগ , তুমি মােরে করেছ মহান।
তুমি মােরে দানিয়াছ বিজ্ঞানির সম্মান।



সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ দুপুর ২:৫০
১১টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফিরে দেখা - ২৭ মে

লিখেছেন জোবাইর, ২৭ শে মে, ২০২৪ রাত ৯:০৪

২৭ মে, ২০১৩


ইন্টারপোলে পরোয়ানা
খালেদা জিয়ার বড় ছেলে, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন বেনজীর আহমেদ ও আমাদের পুলিশ প্রশাসন

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২৭ শে মে, ২০২৪ রাত ৯:৪২



বৃষ্টিস্নাত এই সন্ধ্যায় ব্লগে যদি একবার লগইন না করি তাহলে তা যেন এক অপরাধের পর্যায়েই পরবে, যেহেতু দীর্ঘদিন পর এই স্বস্তির বৃষ্টির কারণে আমার আজ সারাদিন মাটি হয়েছে তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

**অপূরণীয় যোগাযোগ*

লিখেছেন কৃষ্ণচূড়া লাল রঙ, ২৮ শে মে, ২০২৪ ভোর ৫:১৯

তাদের সম্পর্কটা শুরু হয়েছিল ৬ বছর আগে, হঠাৎ করেই। প্রথমে ছিল শুধু বন্ধুত্ব, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তা গভীর হয়ে উঠেছিল। সে ডিভোর্সি ছিল, এবং তার জীবনের অনেক কষ্ট ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

গাজার যুদ্ধ কতদিন চলবে?

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ২৮ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:২৩

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলার আগে মহাবিপদে ছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু৷ এক বছর ধরে ইসরায়েলিরা তার পদত্যাগের দাবিতে তীব্র বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন৷ আন্দোলনে তার সরকারের অবস্থা টালমাটাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রায় ১০ বছর পর হাতে নিলাম কলম

লিখেছেন হিমচরি, ২৮ শে মে, ২০২৪ দুপুর ১:৩১

জুলাই ২০১৪ সালে লাস্ট ব্লগ লিখেছিলাম!
প্রায় ১০ বছর পর আজ আপনাদের মাঝে আবার যোগ দিলাম। খুব মিস করেছি, এই সামুকে!! ইতিমধ্যে অনেক চড়াই উৎরায় পার হয়েছে! আশা করি, সামুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×