somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রতিক্রিয়াশীলতার কুয়ায় পড়লে

২২ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক.
চলুন, আজকে প্রতিক্রিয়াশীলতা নিয়ে গল্প হয়ে যাক৷ একবার এক লোক কূয়ায় পড়ে গেছে৷ বহু চেষ্টা করেও উঠতে পারছেনা৷ পরে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছে৷ তবে কূয়ার এলাকায় লোকজন ছিলনা৷ ঘন্টার পর ঘন্টা চিৎকার করেও লাভ হয়নি৷ উদ্ধারের আশায় অপেক্ষা ছাড়া আর কোন উপায় নেই৷ চিৎকার করতে করতে গলা থেকে কোন শব্দ বের হয়না৷ কাহিল অবস্থা৷ কয়েকদিন কূয়ায় থেকে প্রাণ ওষ্ঠাগত প্রায়৷ এসময় একজন কূয়া থেকে গোঙ্গানীর শব্দ পায়৷ কাছে গিয়ে দেখে একজন লোক কূয়ায় পড়ে রয়েছে৷ লোকটা উপুর হয়ে হাত বাড়িয়ে তাকে উপরে তুলতে গেল৷ বললো, তোমার হাতটা দাও৷ কূয়ায় পড়া লোকটা হাত বাড়িয়ে দিলেই তাকে টেনে তোলা সম্ভব৷ উপরে থাকা সাহায্যকারী লোকটা বারবার হাত দিতে বলছে৷ কূয়ায় থাকা ব্যক্তি কোন সাড়া দিচ্ছেনা৷ অথচ তাকে উদ্ধার করা দরকার৷ সাহায্যকারী লোকটা আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনে৷ তাদের কাছে ঘটনা খুলে বলে৷ কূয়ায় পড়া ব্যক্তিকে হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য বহুবার বলা হলেও সে হাত বাড়িয়ে দেয়নি৷ উপস্থিত জনতার মধ্যে একজন কূয়ায় পড়ে থাকা লোকটাকে চিনে ফেলে৷ সব শুনে বললো, তাকে হাত বাড়িয়ে দিতে বলে লাভ নেই৷ সে প্রাণ থাকতে নিজের হাত বাড়িয়ে দেবেনা৷ কারণ সে জীবনেও কাউকে কিছু দেয়নি৷ তার চেয়ে বলো, আমার হাত নাও৷ দেখবে ঠিকই তার হাত বাড়িয়ে দেবে৷ পরামর্শমতো এবার একজন বললো, এই আমার হাতটা নাও৷ এবার আর কোন দেরি নয়৷ কূয়ায় থাকা লোকটা হাত ধরে ফেললো৷ এরপর তাকে টেনে উপরে তোলা হলো৷

দুই.
এতো গেলো কৃপণ এক লোকের কূয়ায় পড়ার গল্প৷ এবার শুনুন বিশেষ মানহাজের একজনের গল্প৷ সেও কৃপণ ব্যক্তির মতো কূয়ায় পড়ে গেছে৷ অথচ কারো কাছে সাহায্য চাচ্ছেনা৷ দিন যায়৷ একসময় কূয়ার ভেতর থেকে গোঙ্গানীর শব্দে একজন ছুটে গেল। উদ্ধারকারী লোকটি বললো, হাত দাও। কূয়ার লোকটি হাত গুটিয়ে রেখেছে। এবার বললো, হাত নাও। তাতেও একই অবস্খা। খবর নিয়ে জানা গেলে এ ব্যক্তি বিশেষ মানহাজের লোক। তার শায়েখ তাকে শিখিয়েছে, ইয়্যা কানাআবুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাইন৷ একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইতে হয়৷ অন্য কারো কাছে সাহায্য চাওয়া শিরিক৷ একারণে কূয়ায় জান যায় যাক৷ আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে থাকে। আবার উদ্ধারকারী ব্যক্তি হযরত আবদুল কাদের জিলানী রহ. কে গাউসুল আজম বলেন৷ গাউসুল আজম মানে বড় সাহায্যকারী৷ তিনি জানতেন, কূয়ায় পড়া লোক কারো সাহায্য চাওয়াকে শিরিক ভাবে৷ তার জীবনের প্রশ্ন৷ তারপরেও মানুষের কাছে সাহায্য চাইবেনা৷ পরে তাকে বুঝানো হলো৷ আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছেন৷ তিনিই সাহায্যকারী একজনকে পাঠিয়েছেন৷ এটাতো আবার উসিলা হয়ে যায়। সে তো উসিলাও মানেনা৷ পরে কী আর করা! কূয়ায় নেমে তাকে জোর করে টেনে তোলা হলো৷

তিন.
এবার একটা বাস্তব গল্প বলি৷ একবার বরিশালের গ্রামের বাড়ি থেকে কর্মস্থলে যাচ্ছি৷ বিদায়ের আগে বাবা মায়ের পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে বিদায় নিলাম৷ এসময় আমার সাথে ছিলেন খালাতো ভাই৷ মায়ের চাচাতো বোনের পূত্র৷ ক্যাডেট কলেজের ডেমোনেস্টেটর ছিলেন৷ চাকরি থেকে অবসরে গিয়ে বরিশাল জেলার তাবলীগের আমীর হয়েছেন৷ তাকে গাড়িতে তুলে নিয়েছি৷ তিনি বরিশালে নেমে যাবেন৷ পথে বললেন, মাথা নুইয়ে সালাম করা জায়েজ নাই৷ এটা শিরিক হয়েছে৷ তার ফতোয়া শুনে তো আমি হতভম্ব! পরে তাকে বললাম৷ যারা এই ফতোয়া অনুসরণ করে তাদের দেখলেই তো চেনা যায়৷ গ্রামে যখন লোকজন খোলা ময়দানে টয়লেট করে তখন মাথাটা নিচু করে রাখে৷ তবে এই ফতোয়ার অনুসারীরা তখনো মাথাটা সোজা করে রাখে৷ খাবার খাওয়ার সময়ও একই অবস্থা৷ ভুলেও মাথা নিচু করেনা৷ অথচ আপনি আমার সাথে খাবার খেলেন৷ প্রতি নলা খাবার গ্রহণের সময় মাথা নিচু করতে দেখেছি৷ আমিতো মা-বাবার সামনে মাথা নিচু করেছি৷ আর আপনি ভাত তরকারির মতো জড় পদার্থের সামনে মাথা নিচু করেছেন৷ বললাম, আপনাদের ফতোয়ার কারণে এখন পায়ে হাত দিয়ে মুরুব্বীদের সালাম উঠে গেছে৷ দেশে নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছেন৷ এখন পায়ে হাত দিয়ে সালাম দিতে গেলে লোকজন চিৎকার দিয়ে ওঠে৷ বলে এটা জায়েজ নাই৷ আবার একদল বলে মাথাটা সোজা রাখো৷ এর ফলে একটা বেআদব প্রতিক্রিয়াশীল প্রজন্ম বেড়ে উঠছে৷ অথচ হাদীসে এসেছে সাহাবারা প্রিয় নবীর পায়ে চুমু দিয়েছেন৷ মেশকাত শরীফেই পাবেন৷ আমার তো ভুল হয়ে গেছে৷ বিদায়ের আগে মা-বাবার পায়ে চুমু দিয়ে আসার দরকার ছিল৷ এটাই আসল কদমবুচি৷

চার.
দেশে এখন প্রতিক্রিয়াশীলদের জমজমাট অবস্থা৷ সামাজিক সাংস্কৃতিক কাজ করতে যাবেন দেখবেন সেখানে ধর্ম টেনে আনা হচ্ছে৷ আল্লাহর অলীদের কথা বলবেন৷ সেখানে সলফে সালেহীনদের নিয়ে আসা হবে৷ এমনকি নবীর প্রশংসা করতে যাবেন; তখনি সেখানে আল্লাহকে এনে দাড় করিয়ে দিচ্ছে৷ চারদিকে বেদাত, শিরিক আর হারামের ফতোয়া৷ এসব করে এরা সফলও হয়েছে৷ একটা জেনারেশনকে প্রতিক্রিয়াশীল করতে সমর্থ হয়েছে৷

একটি জাতির পরিচয় হলো সংস্কৃতি৷ সংস্কৃতি হাজার বছরে তৈরি হয়৷ ইসলামের আবির্ভাবের পর গত চৌদ্দশ বছরে আল্লাহর অলী, গাউস, কুতুবের মাধ্যমে একটি ইসলামিক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে৷ এই সংস্কৃতি মুসলমানদের মেরুদন্ড৷ কোন জাতিকে ধ্বংস করতে তার সংস্কৃতি ধ্বংস করতে হয়৷ বৃটিশরা এটা জানতো৷ এ কারণে মধ্যপ্রাচ্যে গোয়েন্দা হামফ্রে আর লরেন্স অব অ্যারাবিয়ার সহায়তায় উসমানিয়দের হটিয়ে মাটিচাপা পড়ে থাকা ইবনে তাইমিয়াকে টেনে ওহাবীবাদকে পুনরুজ্জীবিত করা হয়৷ লরেন্স অব অ্যারাবিয়া তো আধুনিক আরবদের পিতা উপাধি পেয়েছে৷ তারপর জন্ম নিয়েছে সালাফিবাদ৷ এরা সলফে সালেহীনের যুগ পর্যন্ত মানে৷ আপত দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে ভালোই তো৷ তবে কৌশলে গত চৌদ্দশ বছরে গড়ে ওঠা সংস্কৃতিকে বেদাত নাম দিয়ে মুসলিম জাতির মেরুদন্ডে আঘাত করেছে৷ শিক্ষিত না হলে সংস্কৃতি ধ্বংসের এই ষড়যন্ত্র বুঝতেই পারবেননা৷ এসবের সাইড অ্যাফেক্ট হলো প্রতিক্রিয়াশীলতা৷ নূতন কিছু দেখলেই হৈ হৈ গেলো গেলো বলে চিৎকার করাই এদের স্বভাব৷ এই গোষ্ঠিটাই বুঝে হোক বা না বুঝে হোক দেশের শিক্ষা পদ্ধতির বিরুদ্ধে নেমেছে৷ পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষা পদ্ধতির সংস্কার করা হচ্ছে৷ অথচ এরা ট্রল করছে৷ আসামে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ভিডিও বাংলাদেশের বলে চালিয়েছে৷ বিদেশে বাচ্চাদের কীভাবে পড়ানো হয় তা নিয়ে অনেকবার লিখেছিলাম৷আমাদের দেশে সেই শিক্ষা ব্যবস্থা শিশুদের জন্য চালু হচ্ছে৷ এটা ভাবতেই ভালো লাগছে৷ স্কুল হবে আনন্দের৷ তবু পুরানোকে আকড়ে ধরে থাকতে চাইছে একটা বেকুব প্রতিক্রিয়াশীল জনগোষ্ঠি৷

পাঁচ.
লেখাটা বাড়াতে চাইনা৷ সবশেষে একটি ঘটনা শেয়ার করতে চাই৷ বিদেশে দেখেছি বাচ্চাদের বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়৷ কামার, কুমার, তাতি, কৃষকসহ কতশত পেশাজীবী৷ বাংলাদেশেও শিশুদের জন্য সেই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে৷ ক্লাস সিক্সের ধর্ম পরীক্ষায় প্রশ্ন এসেছে, সমাজে ধর্ম নিয়ে কে কথা বলেন? তার ছবি আঁকো৷ শিশুরা ইমাম, ব্রাহ্মণ, ফাদার এদের ছবি আঁকবে৷ অথচ এক অভিভাবক একটি পেইজে লিখেছেন, শিশুদের নবীর ছবি আঁকার জন্য বলা হয়েছে৷ সে নবীর ছবি আঁকতে পারেনি৷ এর দায় কে নেবে? বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়৷ নবীর ছবি আঁকতে বলছে৷ ভয়াবহ অভিযোগ৷ এনসিটিবি কর্তৃপক্ষ দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন৷ মিথ্যা প্রচারণার জন্য সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে৷ পেইজের অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে৷ বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কিছু বলছিনা৷ তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ায় অনেক বড় বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে৷

দক্ষিণ কোরিয়ায় সাধারণ মানুষের ভাবনা কাছ থেকে দেখেছি৷ সাধারণ মানুষকে কোন ইস্যূ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলবেন, যারা নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে রয়েছেন তারা বুঝে শুনেই করছেন৷ তারা এ বিষয়ে দক্ষ৷ আর এদেশে কী অবস্থা! সবাই সব বিষয়ে পন্ডিত৷ চায়ের দোকানে সবাই উজির নাজির মারে৷ ধর্মবেত্তা না হয়েও ফতোয়া দিতে হবে৷ শিক্ষাবিদ না হয়েও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করতে হবে৷ পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভালো না মন্দ তা জানাতে হবে৷

এ লেখায় তাদের বোধোদয় হবে কীনা জানিনা। কৃপণ ব্যক্তি কূয়ায় পড়লে নিজের হাত বাড়িয়ে দিতে অনিচ্ছুক হয়। তবে অন্যের বাড়ানো হাত ঠিকই ধরে ফেলে।
তবে যারা একবার প্রতিক্রিয়াশীলতার কুয়ায় পড়ে; তারা কখনোই নিজের হাত বাড়ায়না৷ অন্যের বাড়ানো হাতও ধরে না।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০২৪ সকাল ১০:৩৬
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইহকালে আল্লাহর ইবাদত না করলে পরকালে আল্লাহর ইবাদত করতেই হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:২৭



সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।

* আল্লাহ মানুষকে ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন, সুতরাং তাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজান ও সিয়াম সাধনা: আধুনিক স্বাস্থ্য-বিজ্ঞানের আলোকে একটি সমন্বিত গবেষণা-বিশ্লেষণ, পর্ব-১

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৭

রমজান ও সিয়াম সাধনা: আধুনিক স্বাস্থ্য-বিজ্ঞানের আলোকে একটি সমন্বিত গবেষণা-বিশ্লেষণ, পর্ব-১

ছবি, অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

ভূমিকা

রমজান মাসের ফরজ সিয়াম ইসলামের একটি মৌলিক ইবাদত। তবে সাম্প্রতিক দশকে এটি কেবল ধর্মীয় অনুশীলন হিসেবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মচর্চা ও সংস্কৃতিচর্চাকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়ার বিপদ

লিখেছেন সাজিদ উল হক আবির, ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫



গত একবছর দেশের প্রবাদপ্রতীম এক থিয়েটার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। নাট্যাচার্য নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু ও সেলিম আল দীনের হাতে গড়া এই নাট্যদলটির সিনিয়র সব সদস্যদের মুখে একই কথা বারবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৮৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১৬



প্রিয় কন্যা আমার-
আজ তোমার জন্মদিন। হ্যা আজ ৩১ ডিসেম্বর তোমার জন্মদিন। আজ বিশেষ একটি দিন! এবার জন্মদিনে তুমি আছো তোমার নানা বাড়ি। আমি আজ ভীষন ব্যস্ত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ হায়েনাদের দখলে

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৪



আমাদের দেশটা অনেক ছোট। কিন্তু জনসংখ্যা অনেক বেশি।
এই বিশাল জনশক্তি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। ১৯৪৭ সালে দেশভাগ হলো। ১৯৫২ তে হলো ভাষা আন্দোলন। আর ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×