somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বৃষ্টি হয়ে ছুই তোমায় অত্নদ্রিলা

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

উফফফফফফফফফ !!!!!!!!! সময় কি আজ যাবে নাহ ????????? ফজরের আজানের ধ্বনি কানে আসছে !! খুব tensed অলিন , ভাবছে কখন সকাল হবে । আজ ট্রেন এ করে সিলেট যাবার কথা , কিন্তু সে যাবে নাহ । তার কানে ভাসছে এক কিন্নর কন্ঠীর কান্নার শব্দ , সাথে মায়া মাখা কথা কিছু কথা

" আমার সাথে একটু দেখা করে যাবে ??? আমি নাহ আর পারছি না । "

সারাটা রাত দু চোখের পাতা এক করতে পারেনি অলিন । অনেক ভেবে ঠিক করল অতন্দ্রিলার সাথে দেখা করতেই হবে ।




-অলিন উঠেসিস বাবা ????

-হ্যাঁ । মা গোসলে ঢুকছি ।

-তাড়াতাড়ি আয়, নাস্তা ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। ট্রেন ও চলে আসছে ।

-ওকে মামুনি । আসছি , একটু ওয়েট কর !!!

-বাইরে থেকে দেখে কেউ বুঝে না অলিন এত ঠাণ্ডা মাথার ছেলে । কি করা লাগবে তা খুব ভাল করেই জানে । প্রতিটা কাজ কিভাবে করতে হবে সব ছকে কাটে রেখেছে , এখন শুধু করতে হবে ।

মামুনি আমি বের হয়ে রিক্সা নিচ্ছি তুমি নামো ।

ট্রেন এর হলুদ বাতিটা লাল হয়ে যাচ্ছে । ছেলে তাকে ছেড়ে চলে যাবে কিছু পর , ভেবেই বুক ফেটে কান্না আসছে জাহানারা বেগমের । অনেক আদরের ছেলে তার, কখন মাকে ছাড়া থাকতে পারত না । আর এখন দিব্বি তাকে ছেড়ে যাচ্ছে সেই বহুদুরে । বুকে পাথর বেধে সহ্য করে । তার সারা জীবনের লালিত স্বপ্ন ছেলে কে মেডিকেল এ পড়াবে, সেই স্বপ্ন পুরনে জন্য অলিনের সিলেট যাএা । সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র অলিন । দু মাস কিংবা তিন মাস পর একবার ঢাকা তে আসে তাও আবার ২ কি ৩ দিনের জন্য । মায়ের মন কি তাতে সায় দে । কিন্তু কি আর করার নিজের স্বপ্ন আর ছেলের ভবিষ্যৎ ভেবে মন বুঝিয়ে রাখে জাহানারা চৌধুরী । চলতে শুরু করেছে ট্রেন । আর নিজেকে ধরে রাখতে পরলনা , ডুকরে কেঁদে উঠলো ।

খুব মন খারাপ করে বাইরে তাকিয়ে আছে অলিন । জানালার ফাঁকে দিয়ে মায়ের ভেজা চোখ টা খালি ভেসে উঠছে । কিন্তু কিছুই করার নেই । চিন্তার ব্যাঘাত ঘটিয়ে মোবাইল টা অসময়ই বেজে উঠল ।ফোন টা ধরতে ইচ্ছা করছে না । ধরবেনা করেও শেষে পকেট থেকে বের করল । অতন্দ্রিলার ফোন । কেন যেন এখন ওর ফোন টা ও ধরতে ইচ্ছা করছে নাহ , কেটে দিল ।

ট্রেন ছেড়েছে ১০ মিনিট হল । অতন্দ্রিলাকে ফোন দেয়া দরকার । পকেট থেকে মোবাইল টা বের করে অতন্দ্রিলাকে ফোন দিল ।

-হ্যালো ।

-হ্যাঁ । শুনছি , বলো ।

-তুমি কি ট্রেনে ???

-হুম ।

-ওকে , যাও তাহলে , আর শুনো যেয়ে ভাল করে fresh হয়ে ঘুমাবা । এরপর ঘুম থেকে উঠে লক্ষ্মী ছেলের মত পড়তে বসবা ।সামনে তোমার প্রফ । আর আমি এখন রিকশাতে , আজ এনাটমি এক্সাম আছে , জানি ফেল করব তাও যাচ্ছি । এক্সাম শেষ করে তোমাকে ফোন দিব ।

-ওকে । আর এত টেনশন করো না, তুমি ভাল করবে আমি জানি ।

-অলিন , মিস ইউ ...। বাই

-ওকে , এই শুনো আজ তোমাদের মেডিকেল এ আমার এক আপু যাবে তুমি আপুকে একটু ডাক্তার দেখাতে পারবা ????

-হ্যাঁ । পারব , তুমি আমকে বলে দিও ।

-ওকে , বাই ।


মনে মনে খুব হাসছে অলিন । মনটা অনেকটাই ভালো হয়ে গেছে । এয়ারপোর্ট স্টেশনে ট্রেন চলে এসেছে , এখানেই নামতে হবে ওকে ।



-মামা , শ্যামলীর বাস কোনটা ?????

-মামা এই যে হলুদ ছাতা দেখছেন না , ঐখানে শ্যামলীর বাসের টিকেট পাবেন গাড়ি এখন ই আসবে । আপনি গিয়ে দাড়ান ।

এত গরম কেন আজ ????? বনানীতে জ্যামে বসে সিদ্ধ হচ্ছি । আর আজ এত রোঁদ ও কেন । বাসের ভিতরের চেঁচামেচি তে মাথাটা ধরে উঠছে । পাক্কা ৩৫ মিনিট বসে থাকার পর , জ্যাম ছাড়ল অবশেষে । বাস এখন খুব স্পীড যাচ্ছে । জানালার পাশে বসে খুব ভাল লাগছে এখন , রোদের উত্তাপ অনেক কম মনে হচ্ছে ।ফোন বাজল বলে মনে হচ্ছে । আসলেই ফোন এসেছে , টের পায়নি অলিন । অতন্দ্রিলার ফোন ।

-হ্যাঁ , বল । তোমার এক্সাম শেষ ????

-আরে বোকা এখন না এক্সাম , ১০টায় শুরু হবে । তোমাকে খুব মিস করছি ।

-ও ............ তাই বুঝি ...............।

-হ্যাঁ । আমার কথার কোন দামই তো নেই তোমার কাছে । আচ্ছা বাদ দাও , চলে যাচ্ছও যাও , ভালো কথা , আপু কই ???

- আপু আসছে । বাসা থেকে বের হয়েছে । তোমার মেডিকেল এ আসলে আমি ফোন দিব । তুমি এখন পড়, যাও।

-পড়ব তো বাবা । তুমি আমাকে আগে বললে নাহ কেন ??? আপু আসবে আমি একটু ফিট হয়ে আসতাম । একটু সাজুগুজু করতাম ।

-আমার বউ টা এমনিতেই পরী , আর ফিটের দরকার নাই ।

-এই যে আপনার পামটা একটু কমান । নাইলে ট্রেন এর লোকরা পাগল ভাব্বে । আচ্ছা রাখছি এখন আপু আসলে ফোন দিও । আমি পড়তে বসলাম ।



অবশেষ আমি shmc তে চলে আসলাম । খুব নার্ভাস লাগছে এখন । ওকে সারপ্রাইস দিব বলে আসা নাহ জানি এখন আসতে পারবে কিনা । ঘড়িতে ৯ টা ৮ বাজে পরীক্ষা ১০ টায় ফোন কি দিব ?? ফোনটা করেই দেখি কি হয় ।



-তোমার কি এক্সাম শুরু হয়েছে ?????

-নাহ , লেট হবে ১০ টা ৩০ থেকে শুরু হবে ।

-ওহ...। আচ্ছা আপু এখন তোমাদের মেডিকেল এ আছে । দেখা করতে পারবে ?????????

-কি যে বল , তোমার কাজ আর আমি পারব নাহ । আমি এখন ই যাচ্ছি আপু কোথায় ??
তোমাদের ক্যান্টিন এর পাশে দাঁড়িয়ে আছে ।

-ওকে , আমি যাচ্ছি । পরে কথা বলছি ।

-দূরে পিলারের মাঝে দাড়িয়ে অতন্দ্রিলা কে দেখছে অলিন । কি মায়া ভরা একটা মুখ । তার শান্ত চোখ গুলো এদিক ওদিক করছে । ফোন টা বেজে উঠল । অতন্দ্রিলার ই ফোন ।

-হ্যালো , কই আমি কোন আপুকে দেখতে পাচ্ছি নাহ ...।

-তাই । পিছনে তাকাও !!!!!!!!!!!

হঠাৎ শির দাড়া দিয়ে একটা উষ্ণ রক্ত বয়ে গেলো অতন্দ্রিলার । এটা কি স্বপ্ন নাকি সত্যি ??????? একটা সাদা শার্ট পরে ওর দিকে এগিয়ে আসছে অলিন । ইচ্ছা করছে দৌড়ে গিয়ে ওর বুকে ঝাপ দিতে । কিন্তু নিজের মেডিকেল এর কেন্টিনের পিছে তা কি আর সম্ভব হয় ??? চোখের পলক ফেলতে ভুলে গেলো ও । চোখ গুলো ঝাপসা হয়ে আসতে চাচ্ছে । তার সেই পাগলটা তার জন্য সব রেখে ছুটে এসেছে । কিন্তু এত মধুর সময়টা কেঁদে নষ্ট হতে দিতে চায় নাহ । মনের অজান্তেই অলিন এর হাত টা ধরে ফেলল ।

-শুন , এক্সাম কিন্তু দেয়া লাগবে আমি আছি ।

-ওকে তাইলে এক কাজ কর । তুমি আমাদের লাইব্রেরি তে যাও । আমি এক্সাম টা দিয়ে ই আসছি

-ওকে ।



লাইব্রেরি তে বসে মনটা টিকছে না । সময় যেন কাটে নাহ । এখন বাজে ১১ তা ৪৫ । সেই ১২ তা ৩০ এ এক্সাম শেষ হবে ওর । বসে থাকা ছাড়া আর কোন উপায় ও নেই । বার বার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে । ফোন বেজে উঠল । একি অতন্দ্রিলার ফোন ।

-হ্যালো । তুমি

-এই , আমার এক্সাম শেষ । তুমি এনাটমির সামনে আসো ।

ওকে ।



-এমন অসময় বৃষ্টি হচ্ছে । কোন কিছু পাওয়া যাবে না , সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে ভাবছে অলিন ।



-বাইরে এখন তুমুল বৃষ্টি। কি করবে এখন “অত” ?????

-চল বৃষ্টিতে ভিজি আজ ।

-মাইর খাবা ফাজিল । ২ দিন পর পর আপনার ঠাণ্ডা লাগে , জ্বর আসে । আর আমি তোমাকে নিয়ে ভিজব । দাঁড়াও রিক্সা টা ডাকি ।


২ জনে রিকশাতে খুব মজা লাগছে । পলিথিন দিয়ে বৃষ্টির ফোঁটা থেকে বাঁচতে চাইলেও মুখে এসে লাগছে কিছু । পুরোও বাচ্চাদের মত করছে অতন্দ্রিলা । মাঝে মাঝে হাতে পানি নিয়ে মুখে দিচ্ছে । ওর কলেজের সামনে থেকে CNG নিলাম । বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য ২ পাশের পর্দা টেনে দিলাম । বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে ... একে কুকুর বিড়াল বৃষ্টি বললে ভুল হবে বলা লাগবে হাতি ঘোড়া টাইপ বৃষ্টি ।

অতন্দ্রিলার মন টা আজ খুব ভাল । সৃষ্টিকর্তা আজ তাকে দু হাত ভরে দিচ্ছেন । খুব ইচ্ছা ছিল ওর অলিন কে নিয়ে একদিন বৃষ্টিতে ভিজবে, আজ হয়ে গেলো অনেকটা । সবচেয়ে বড় কথা হল আজ যে ওকে দেখতে পারছে এটাই তো অনেক বেশি । অলিনের চোখ থেকে চশমা খুলতে খুলতে বলল " এই , আমি এখন আছি নাহ । এখন চশমার কোন দরকার নেই আমার হাতে দাও । " চশমাটা হাতে নিয়ে অলিনের কাধে মাথা রাখল । আর ভাবতে থাকলো কত টা ভালোবাসে এই পাগলটা ওকে । কখনও মুখে বলার প্রয়োজন হয় নাহ , অলিনের চোখের ভাষা সব উত্তর দিয়ে দেয় ।

অতন্দ্রিলা কে দেখতে দেখতে ভাবছে অলিন , মেয়েটা কতটা নির্ভার হয়ে ওর কাঁধে মাথা রেখে আছে । বাচ্চা একটা মেয়ে । মায়া ভরা চোখ , যে চোখে তার জন্য অসীম ভালোবাসা । নিজের ডান হাত দিয়ে অতন্দ্রিলার ডান হাত টা ধরলো । খুব শক্ত করে চেপে ধরল নিজের বুকে । অতন্দ্রিলার চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল ,


-"এটা কোন জায়গা জানো?????"

-হ্যাঁ , জানি । 5th intercostal space .

-আমার apex beat টের পাও ???

-হ্যাঁ পাই ...।

-এটা শুধু তোমার জন্য । এর প্রতিটা beat এ শুধু তোমার নামের প্রতিধ্বনি হয় ।


আমি জানি অলিন এটা আমায় বলা লাগবে নাহ । খুব ভাল করে জানি আমি এই পাগলটার কি , তবে এখন প্রেম করতে এসে এত সব জ্ঞানের কথা বন্ধ রাখলে ভালো হয় , বলেই হেসে দিল অতন্দ্রিলা ।

কোন কথা বলতে পারে নাহ অলিন । শুধু চেয়ে থাকে অতন্দ্রিলার দিকে । এখানে কি বলা লাগে তা সে জানে নাহ । বাইরে বৃষ্টির দিকে তাকায় আর ভাবে ছোট এক হাত জায়গাটা পর্দা দিয়ে ঘেরা । কিন্তু এটাই তার কাছে এটা এক বিশাল প্রান্তর, যার মাঝে তারা ২জন ছাড়া আর একজনের অস্তিত্ব বিদ্যমান, সে হল ভালোবাসা ।দুষ্টু চোখ জোড়া ভিজে আসতে চায় , কিন্তু এদিনে যে চোখে পানি আনা পাপ । ভাবতে থাকে আর, হাতের মাঝের সেই ছোট হাতটা কে আর শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার এআইনোক্কিও

লিখেছেন শায়মা, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৪


এক জীবনে কত কিছু দেখা হয় কত কিছু জানা হয় মানুষের! আসলেই কত অজানারে! লেখক শংকরের এই নামে একটি বই আছে। কবিগুরুর আছে কবিতা কত অজানারে জানাইলে তুমি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সাইটের জন্য ডোমেইন নাম সাজেস্ট করুন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫


বাংলায় ব্লগিং করার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে চাচ্ছি। আপাতত মূল উদ্দেশ্য হলো সামুতে লিখা আমার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে সাইটটিতে আর্কাইভ করে রাখা। সামুতে অনেকে নিবেদিত প্রাণ ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:২২



ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে
==================================
পিঠ ছুঁয়ে নামা মেঘবরণ তার লম্বা কালো চুল,
তারই মাঝে লুকিয়ে হাসে একটি সাদা ফুল।
চোখ দুটো তার ডাগর ডাগর, অবাক করা আলো,
দুষ্টুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

দরজায় কড়া নাড়ছে সংকট: ডেঙ্গু কি তবে শুধুই দূরের পরিসংখ্যান?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:০০


অনেক দিন আগে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি লেখায় এমন একটি ভাবনা পড়েছিলাম—যুদ্ধ যখন দূরে থাকে, তখন তাকে নিয়ে আমরা উত্তেজিত হই, আলোচনা করি, পক্ষ-বিপক্ষ নিই। কিন্তু সেই যুদ্ধ যখন নিজের উঠোনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

Somewhereinblog.net বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ থেকে ডিজিটাল পাবলিশিংএ পরিনিত করে আর্থিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বির লক্ষ্যে Substack-inspired Membership/Subscription Model প্রস্তাবনা

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯


একজন সাধারণ নিয়মিত ব্লগার হিসেবে প্রতিদিন আমি লক্ষ্য করি, আমাদের এই Somewhereinblog.net ( সামু) প্ল্যাটফর্মটি কত চমৎকারভাবে বাংলা সাহিত্যের এবং তথ্যভিত্তিক লেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×