
যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে বারবার চোখ রাঙাচ্ছে ।
যুক্তরাজ্য প্রথমে বাংলাদেশ থেকে তাদের ভিসা অফিস সরিয়ে নিয়ে বাংলাদেশকে অপমান করেছে । বাংলাদেশে তাদের নাগরিকদের ভ্রমণের ব্যাপারে সর্তকতা জারি করে বাংলাদেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের কাতারে ফেলার চেষ্টা করেছে । এখন আবার বাংলাদেশের কার্গো জাহাজ যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিত করে বাংলাদেশকে চূড়ান্ত ভাবে অপমান করলো । এর প্রতিবাদ হওয়া উচিত । আধুনিক বিশ্বায়নের যুগে এটা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না ।
পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রই প্রমাণ করতে পারেনি বাংলাদেশে কোন জঙ্গি আছে বা বাংলাদেশকে তারা ব্যবহার করছে । এমন কি যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্য যে কোন রাষ্ট্রের চেয়ে ভাল । বরং যুক্তরাজ্যই তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না ।
একটি রাষ্ট্র তাদের দেশের নিরাপত্তার জন্য নানান ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই পারে, কিন্তু তাই বলে নিরাপত্তার অজুহাতে বারবার বাংলাদেশকে কেন বেজে নেওয়া হচ্ছে ? ফ্রান্সে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা হতে আমরা দেখেছি । কই যুক্তরাজ্য তো ফ্রান্সের নাগরিকদের তাদের রাষ্ট্রে প্রবেশের ব্যাপারে কোন সতকর্ত জারি করেনি । বারবার বাংলাদেশকে বেছে নেওয়ার পেছনে যুক্তরাজ্যের নিশ্চয়ই কোন নোংরা পরিকল্পনা রয়েছে । যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে প্রশংসিত হচ্ছে । সেখানে তাদের এরকম আচরণ সহজ ভাবে নেওয়া ঠিক নয় ।
তাদের ভুলে গেলে চলবে না । গোলামির দিন নেই । গোলামির দিন শেষ । ২০০ বছরের ইতিহাস আমরা ভুলে যাইনি । যুক্তরাজ্যই পৃথিবীর মধ্যে সব চাইতে বড় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল । ইতিহাস তাই বলে । আজকের যে রাষ্ট্রে তারা বাস করছে তা সমগ্র পৃথিবীর মানুষের সম্পদ,রক্ত আর ঘামের বিনিময়ে তারা অর্জন করেছে । এবং সেটাও আজ ধ্বংসের মুখে ।
বিগত বছরগুলোতে তাদের অর্থনৈতিক দূযোগ মোকাবেলা করার জন্য মানুষের দারে দারে ভিক্ষা করতে হয়েছে । বিশ্ব বিদ্যালয়গুলো ছাত্র ভর্তির নামে কোটি কোটি পাউন্ড আয় করে তাদের টিকিয়ে রেখেছে ।
যুক্তরাজ্য যা করছে তা কুটনৈতিক আইনের পরিপন্থি । বাংলাদেশে সরকারের উচিত এর প্রতিবাদ করা এবং যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এনে এ ধরনের আচরণ থেকে তাদের বিরত থাকার জন্য সর্তক করা । প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে তাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে । তাতেও কাজ না হলে জাতিসংঘে ইস্যুটি উত্থাপন করে সকলের নজরে আনা অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পরেছে ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




