somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানুষ তুমি সত্যকারের মানুষ হও

২৬ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার মায়ের ও মায়ের পরিবারের কথা সবাই কম বেশি জেনেছেন। ছোট বেলা থেকে তাদের কাছে কথায় কথায় বিভিন্ন নীতি বাক্য শুনেছি। এই ধরুন আমার মা সে কিন্তু আমার নিজের গর্ভধারিণী মা, সে বলে মান যোগ হুশ না থাকলে তাকে মানুষ বলে না। আমি তাদের মাঝে কখনো মান ও হুশ কোন টাই দেখিনি। তাদের মেয়েদের স্বভাব গ্রামে-গ্রামে, মহল্লায় বিভিন্ন বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে বেড়ানো বিশেষ করে সমাজে যারা সব দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত, হোক সে আল্লাহ ভক্ত, ভগবান ভক্ত, ঈশ্বর ভক্ত। তাদের যে বিশেষ একটা গুন সেটা হোল নিজেকে বিভিন্ন ভাবে প্রকাশ করা (নিজের শরীর দেখানো)। মানুষের শরীর একটা শিল্প যেটা শিল্পীরা, বিভিন্ন ফিল্ম এ আমরা সেটাকে শিল্প হিসেবে মেনে নেই। সেইটা যদি আমরা নিজেদের স্বার্থের জন্য কাউকে অ্যাটাক কারার জন্য ব্যবহার করি সেটা কি শিল্প থাকে? তাছাড়া নির্দিষ্ট কোন বিশেষ উদ্দেশে যেমন, কারো বাড়ি গাড়ি, টাকা চাই, কারো দেশ চাই, কারো নিজেদের পরিচয়ে পরিচিত করতে চাই। এই বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিল কারার জন্য তারা কখনো ধার্মিক সাজেন , কখনো কোনটাই নয়। আমার দাদা বাড়িতে কখনো কোন নীতি বাক্য, ছেলেমেয়েদের তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কাজ করাননি, বিশেষ করে বাচ্চাদের যতটা সম্ভম খেলা-ধুলা, নিজেদের কাছাকাছি রাখতেন, বিভিন্ন গল্প করতেন। আমার দাদু আমার সাথে রাজা বাদশা, বণিকদের গল্প করতেন। ছোট বেলায় দেখতাম বাড়িতে আত্মীয় স্বজন এ ভরা। তবে কোন কাজের লোক(এখনকার সমাজে কাজের লোক বলতে যাদের বুঝি সে ধরনের কোন মানুষ বাড়িতে ছিল না) তবে গরীব , অভাবী মানুষ সব সময় ছিল। বাড়ির ভিতরে শুধুই মেয়েদের ও কাছের মানুষ জনের অনুমতি ছিল বাহিরে ছিল যারা কাজ করতেন তারা। আমাদের যখন বাড়ি ভেজ্ঞে নতুন বাড়ি তখন একটু বড় হওয়ার পর আমার সাথে থাকার জন্য একটা মেয়েকে রাখে, সে আমারি সমবয়সছিল। আমরা কখনো বাবা, দাদা, কাকাদের কখনো বাজে কথা বলতে শুনিনি, নীতি বাক্য শুনিনি, কথায় কথায় হাদিস শুনিনি। কাউকে হাদিসের কথা উপদেশ দিতেও শুনিনি। এত সব কথা বলছি কারণ জীবনের এত গুলো বছর পেরিয়ে যখন এক এক করে কাছের মানুষ জন কে হারাচ্ছি , প্রতিবেশী , ছোট বেলার খেলার সাথী , পরিচিত অনেক মানুষ জনকে পতিতা বানাচ্ছে, নিচু মানুষে পরিণত করছে তখন বুজতে পারলার কোন পরিবেশ আমাকে মানুষ হতে সাহায্য করছে। যারা কথায় কথায় হাদিস বলে, নীতি বাক্য বলে তারা সঠিক না আমার বাবা- দাদা সঠিক। যারা মানুষকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে নরকের দিকে ঠেলে দেয়, পৃথিবীর যত রকম নির্যাতন আছে করে তাদেরকে কীভাবে মানুষ বলি। যাদের সামান্য তম জ্ঞান নেই যে একজন ১৮ বছরের অধিক বয়সি মানুষকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজ করানো যায় না। আমি নিজে সত্যই হতভম্ভ হই এই শ্রেণীর মানুষ গুলো সমাজে এত বেশি কেন? আমাদের সমাজের সচেতন, শিক্ষিত মানুষজন কোথায়? রাষ্ট্র তাঁর নাগরিকদের যে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা উনারা কোথায় থাকেন? এদের সংখ্যা কেন হিসাব করা হয় না? কেন যুগের পর যুগ তাদের কথা কোন নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যম এ আসে না? আইন তাদের কেন বাধা দেয় না? আমরা কি সবাই ওদের মতো নাম মাত্র মানুষ হব? কেন দেশ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা চলে যাচ্ছেন? কেন তারা ওপেন ভাবে সৎ মানুষদের নির্যাতন করে তাদের চরিত্রে কালিমা দিতে চায়? অনেককে দিচ্ছেও, পতিতা বানাচ্ছে, প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করে দিচ্ছে। অথচ তাদের ঘরে সন্তান, নাতি-পুতির অভাব নেই। তারা আমাদের চোখের সামনে তাদের সংখ্যা দিন দিন বাড়াচ্ছে। এভাবে চললে দেশটা কোথায় যাবে বলতে পারেন? ভাল মানুষ সমাজে কমে গেলে তাদের সাথে লোকবল, শিক্ষা, টাকা, রাজনীতি কোন দিক থেকে আমরা পারব বলতে পারেন?
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ৮:২৭
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নিউইয়র্কের ডায়েরী ২: এভাবেই জীবন কেটে যাচ্ছে জীবনের নিয়মে

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৩৯


লং আইল্যান্ডের একটি রাসবেরি ফার্মে গত সপ্তাহে

এক লোক একটা মাছি মারার জন্য পেপার গোল করে তাড়া করছে। মাছিটি উড়ে গিয়ে দেয়ালে বসল। লোকটা যেই মারতে যাবে, মাছিটি হাতজোড় করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোমিওপ্যাথি হচ্ছে একটি ধাপ্পাবাজ কিবিরাজি চিকিৎসা পদ্ধতি এর বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:০৪



হোমিওপ্যাথি যে একটি ভাঁতাবাজি চিকিৎসা পদ্ধতি তা আমি আগেও জানতাম কিন্তু আমি কখনো এর বিরুদ্ধে কথা বলিনি বা কোথাও কিছু লিখিনি- তবে আজ কি মনে করে চ্যাটজিপিটির কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ ভ্রম

লিখেছেন সামিয়া, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩



চোখ বন্ধ করলেই আমি ধোঁয়া দেখি। ঘন, ধূসর ধোঁয়া। যেন কেউ ভেজা কাঠ জ্বালিয়েছে। তার সঙ্গে মিশে থাকে পোড়া কাপড়ের গন্ধ। কখনও মনে হয় প্লাস্টিক, কখনও মনে হয় পুরোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় আমি ভালোবাসি

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

পাহাড় আমি ভালোবাসি
...........................................



চললাম তবে তোমার সাথে,
হাতটি রেখে হাত বাড়াতে।
পিছুটানের বাঁধন ছিঁড়ে,
হারাবো ওই মেঘের ভিড়ে।

পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি,
শুনছো ! তোমায় ভালোবাসি।
চলবে নদী আপন বেগে,
নতুন কোনো আশার মেঘে।

ইচ্ছেগুলো পাক না ডানা,
আজকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×